somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ান

৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ২:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এয়ার ফোর্স ওয়ান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল কল সাইন যা আসলে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে বহন করে এমন কোনো বিমানের জন্য প্রযোজ্য হয়। ১৯৯০ সাল থেকে রাষ্ট্রপতির ফ্লাইটগুলো দুটো বিশেষভাবে নির্মিত বোয়িং ৭৪৭-২০০বি সিরিজের বিমান দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে। এই দুইটি বিমানে ইউনাইটেড স্টেটস মিলিটারি সিরিয়াল নম্বর হচ্ছে ২৮০০০ ও ২৯০০০। এই বিমানগুলোকে শুধুমাত্র তখনই এয়ার ফোর্স ওয়ান বলা হয় যখন রাষ্ট্রপতি স্বয়ং এটাতে উপবিষ্ট থাকেন। তাছাড়া যদি কখনো রাষ্ট্রপতি অন্য কোনো বিমানেও সফর করেন তখন সেটিকেও এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবেই ধরা হবে।আর এয়ার ফোর্স ওয়ান মার্কিন রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার একটি প্রতীক হিসেবেই ধরা হয়।একই সাথে এই বিমানটি বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত এবং সবচেয়ে বেশি ছবিধারণকৃত বিমান।১৯১০ সালের ১১ই অক্টোবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে থিওডোর রুজভেল্ট বিমানে আরোহণ করেন। যদিও সেটি ছিলো মিসৌরির কাছে অবস্থিত কিনলক এয়ার ফিল্ড থেকে একটি রাইট ফ্লায়ারের মাধ্যমে। তিনি তখন রাষ্ট্রপতি হিসেবে কার্যরত ছিলেন না। তার উত্তরসূরী উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফ্ট তখন রাষ্ট্রপতি হিসেবে কার্যরত ছিলেন। সেই রেকর্ড তৈরিকারী অনুষ্ঠানটি দেশটিতে বিপুল সাড়া ফেলে এবং সেখান থেকেই মার্কিন রাষ্ট্রপতিদের বিমান সফরের শুরু।ফ্রাংকলিন ডি. রুজভেল্ট হচ্ছেন প্রথম মর্কিন রাষ্ট্রপতি যিনি তার কার্যকালে বিমানে আরোহণ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রুজভেল্ট একটি প্যান-আমেরিকান বোয়িং ৩১৪-এ করে ১৯৪৩ সালের কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্সে যোগদানের উদ্দেশ্যে মরোক্কো সফর করেন। সেই সফরে তিনি প্রায় ৫,৫০০ মাইল রাস্তা পাড়ি দেন। জার্মান সাবমেরিনগুলোর হুমকির কারণে আটলান্টিক যুদ্ধের সময়কালে এটিই ছিলো পরিবহণের সবচেয়ে নিরাপদ মাধ্যম।
সূত্র; ইন্টারনেট
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ২:৫৭
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এভাবেই নাকি এখন চলে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৯



চাবি সহযোগে তালা খোলা অতিশয় সহজ
কিন্তু আজকাল প্রায়শই গুলিয়ে ফেলি তালগোল!
এটা নিয়ে নিত্য বাহাসে ভেঙে যায় পাখিদের পার্লামেন্ট!
অতঃপর গোপনে সেরে ফেলি সহজ বোঝাপড়া!

প্রতিদিন যে পথে আসি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Dr. Jahangir kabir স্যারের কোন পরামর্শ বা উপদেশ নতুন কিছু না।

লিখেছেন লিংকন বাবু০০৭, ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:২৬

Dr. Jahangir kabir স্যারের কোন পরামর্শ বা উপদেশ নতুন কিছু না। আর এগুলো কোন কিছুই তার বানানো না। একেকটির বয়স শত বছর থেকে কিছুর ইতিহাস হাজার বছরের ও।
যদিও সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নদীর টানে, সবুজের গানে

লিখেছেন মাকার মাহিতা, ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫

বয়ে চলে নদী দূর হতে দূরে,
অনন্তকালের শান্ত এক সুরে।
তার দুই কূলে রূপের মেলা,
সবুজ প্রকৃতির মিষ্টি খেলা।
হাওয়ায় দোলে ঘাস আর বন,
আকাশের সাথে মেলায় মন।
নদীর জলে আলোর ঝিলিক,
বাতাসে মেশে পাখির কিচিরমিচির।
গাছের ছায়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

"এ ট্রাজেডি অর ট্রাজেক্টরি অফ লাভ" (পর্ব-৩)

লিখেছেন তাহমিদ রহমান, ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:০৩

৩. নিষিদ্ধ স্বর্গ


পরদিন দুপুরবেলা। ইলির আকাশ আজ কিছুটা পরিষ্কার, মেঘের ফাঁক দিয়ে ফ্যাকাশে রোদ উঁকি দিচ্ছে।
ক্লারা তার ট্রাভেল এজেন্সির অফিসের ডেস্কে বসে কফি খাচ্ছিল। গতকাল ব্যাংকের সেই তরুণ এশীয় অফিসারটির... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্যাসিবাদের দোসর কোনো সাংবাদিককে কেনো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে শাস্তি দিচ্ছে না?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৪৭

ফ্যাসিবাদের দোসর কোনো সাংবাদিককে এখনো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে শাস্তি দিচ্ছে না কেন?

মানবাধিকার সংস্থা Odhikar আয়োজিত Human Rights Abuses and Access to Justice for Victims বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন আইন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×