
ভারতের উগ্রপন্থি সংগঠন আরএসএস’র প্রধান মোহন ভগত দাবি করে আসছেন রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কারণেই নাকি
তাদেরকে মিয়ানমার সরকার দেশছাড়া করছে।তিনি বলেছেন রোহিঙ্গাদের ভারতে আশ্রয় দিলে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আমরা
তো সমস্যায় পড়বোই। জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতেও হুমকি বাড়বে।তাই তারা খুব মাথা ঠাণ্ডা রেখে নিজেদের মর্যাদার সাথে
কোন আপোষ না করে যেভাবে ডোকলাম সংকট মোকাবেলা করা হয়েছিল ঠিক সেভাবেই রোহিঙ্গাদের ঠেকিয়েছেন বা মোকাবেলা করেছেন।

অন্যদিকে ভারতে নতুন নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ এবং সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। নয়া দিল্লির বেশ কিছু এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি এবং ইন্টারনেট সেবা পযন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার দেশটির রাজধানী নয়া দিল্লি আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভের মুখে যানজটে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। আন্দোলন দমাতে মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড বসিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা এখন দিল্লি-গুরগাও এলাকায়।সেন্ট্রাল দিল্লির লালকেল্লা এলাকায় লোক জমায়েত নিষিদ্ধ করে ১৪৪ ধারা জারি করেছেন প্রশাসন। কিন্তু এসব আদেশ অমান্য করেও রাস্তায় নেমেছে বিক্ষোভকারীরা। আর সেজন্য অসংখ্য আটক করা হয়েছে শতাধিক বিক্ষোভকারীকে। বিক্ষোভের কারণে শহরের ১৮টি স্টেশন বন্ধ ঘোষণা করেছেন দিল্লি মেট্রো।
দিল্লিতে বিক্ষোভের সময় আটক হয়েছেন স্বরাজ অভিযানের সভাপতি যোগেন্দ্র যাদব, বামপন্থি নেতা সীতারাম ইয়েচুরী, ডি. রাজা; মান্দি থেকে আটক হয়েছেন সিপিআইএম নেতা বৃন্দা করত এবং কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দিক্ষিত।নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় ব্যাঙ্গালুরু থেকে আটক হয়েছেন ভারতের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ রমাচন্দ্র গুহ। টুইটারে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিক্ষোভকালে হায়দ্রাবাদ থেকে আটক করা হয়েছে অর্ধ শতাধিক মানুষকে। তাছাড়া দেশটির আরো অন্তত ১০টি শহরে নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করার অনুমতি দেয়নি প্রশাসন।গত সপ্তাহে ভারতের সংসদের উভয়কক্ষে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস হয়। পরে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর তা আইনে পরিণত হয়। তারপর থেকে এই আইনের বিরুদ্ধে উত্তাল ভারত।

রোহিঙ্গা সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছিল মিয়ানমার। রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের জাতিগত
নিধনযজ্ঞ শুরু দেন এবং শুরু করে রোহিঙ্গাদের ওপর চরম নির্যাতন । হত্যা করা হয় হাজার রোহিঙ্গাকে । কম করে হলেও ১০ থেকে ১২ হাজার গ্রাম জ্বালিয়ে দেয় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ।

হেগের আদালতে দাঁড়িয়ে আন আং সুচি কি বলেছেন সে কথা কারোই অজানা নয়। বলতে গেলে বলতে হয় আমাদের বাংলাদেশের
মেয়ে বা নারীদের অনেকটা ছোট করেই দেখছেন আন আং সং সুচি।
তাই আমার হিসেবে এই দুই দেশ,ভারত এবং বার্মা বা মিয়ানমারের সঙ্গে পৃথিবীর যত দেশের সাথে সুসম্পর্ক আছে তা ভঙ্গ করা
উচিৎ। এবং মিয়ানমারের নাগরিকরা পৃথিবীর আনাচে কানাচে যেখানেই থাকুক সেখান থেকে বের করে সে দেশ থেকে মিয়ানমারে
ফেরত পাঠানো উচিৎ। ঠিক একই ব্যবহার করা উচিৎ ভারতের নাগরিকদের সাথেও । অ্যামেরিকা ও লন্ডন সহ পৃথিবীর অনেক
রাষ্ট্রেই এই ভারতের নাগরিকরা গডি নিয়ে বসে বেশ আরাম আয়েশেই দিন যাপন এবং ব্যবসা বানিজ্য করে ভালো ইনকাম
করছেন এবং ভারতে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন,তাদের প্রয়োজন ভারতীয়দের নাগরিকত্ব বাতিল করে সেসব দেশ থেকে বের
করে দেওয়া এবং সয়সন্মানে ভারতে পাঠিয়ে দেয়া। তাহলে যদি এই দেশ দুটি কিছুটা মজা টের পায় ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


