
আজ দুপুরে অফিস থেকে বাহির হয়ে যখন চা খেতে গেলাম,তখন দেখি সেই দোকানে বসে কয়েকজন চা খেতে খেতে
করোনা ভাইরাস নিয়ে কথা তুললেন।একজন বলে বসলেন জানেন ভাই ! আরেকজন বললো,কি ?
সে বললো এখন নাকি আমাদের দেশেও (বাংলাদেশে) সেই বিশ্ব নোবেল বিজয়ী করোনা ভাইরাস এসেছে ।
২য় জন দুর মিয়া কি আবুলতাবুল বলেন, কে বলেছে আপনাকে এই আজাইরা কথা ?
১ম জন ভাই শুনছি বিদেশ থেকে রংপুর দুইজন আইসে সেই দুইজন নাকি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ।
২য় জন দুর মিয়া এরকম হলে তাহলে অবশ্যই মিডিয়া বা পেপার পত্রিকায় খবর প্রকাশ হত ।
১ম জন ভাই মনে হয় করোনা ভাইরাসের কথা শুনলে বা জানাজানি হলে, দেশের মানুষ ভয় এবং আতঙ্কিত হবে,
তাই সংবাদটি চেপে যাওয়া হয়েছে ।
যাইহোক কথাগুলো কতটুকো সত্য বা মিথ্যা সেটা আমি নিশ্চিত নই,তাই বলছি আমার মতে সতর্ক হলে ক্ষতি হবেনা
আমাদের বরং উপকারই হবে । তাই আসুন করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে আমরা সতর্ক হই ।
করোনা ভাইরাস এমন এক ভাইরাস যা সাধারণ সর্দি বা ঠাণ্ডা লাগার মতোই প্রথমে আক্রমণ করে ফুসফুসে। চিন থেকে আসা এই ভাইরাস থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দেয়। আস্তে আস্তে তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। যার থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। লক্ষ্মণ কী? এর প্রাথমিক লক্ষ্ণণ অতি সাধারণ। ঠাণ্ডা লাগার মতোই সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, জ্বর হয় এই ভাইরাস সংক্রমণে। কীভাবে ছড়ায়? সহজেই একজনের থেকে আরেক জনের মধ্যে ছড়ায় এই ভাইরাস – শারীরিক ঘনিষ্ঠতা এমনকি করমর্দন থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে। – রোগী বা তার জিনিস ধরার পর ভালো করে হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ, চোখ, নাকে হাত দিলে এই রোগ ছড়াতে পারে। – হাঁচি-কাশি থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে। কীভাবে প্রতিরোধ করবেন? বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা হু বলছে, কিছু সাধারণ নিয়ম মানলেই এড়ানো যাবে এই সংক্রমণ- রোগী কাছ থেকে আসার পর ভালো করে হাত ধুতে হবে। হাঁচি ও কাশি দেওয়ার সময় নাক-মুখ ঢেকে রাখুন। ডিম, গোশত ভালো করে রান্না করুন। রোগীর থেকে দূরে থাকুন। ওপরে বলা প্রাথমিক লক্ষ্মণের এক বা একাধিক দেখা দিলে অবহেলা করবেন না। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ( সূত্র: সিএনএন )
করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা প্রথমত, এই ভাইরাসটি যেখানে ছড়াচ্ছে সেখানে যাওয়া এড়ানো উচিত। আর আপনি যদি একান্তই এমন জায়গার কাছাকাছি থাকেন তবে এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলি অবলম্বন করতে পারেন …
১. আপনার হাত সাবান দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। যদি কোনও সাবান না থাকে তবে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।
২. আপনার নাক এবং মুখ ভালভাবে ঢেকে রাখুন।
৩. অসুস্থ ব্যক্তিদের থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রাখুন। তাঁদের ব্যবহৃত বাসন ব্যবহার করবেন না এবং তাঁদের স্পর্শ করবেন না। এর ফলে রোগী এবং আপনি দুজনেই সুরক্ষিত থাকবেন।
৪.ঘর পরিষ্কার রাখুন এবং বাইরে থেকে আসা জিনিসগুলিকেও পরিষ্কার করে ঘরে আনুন।
৫. নন-ভেজ বিশেষত সামুদ্রিক খাদ্য খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। কেননা এই ভাইরাস সি-ফুড থেকেই ছড়ায়।
করোনাভাইরাসের চিকিৎসা এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে কোনও ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। বিজ্ঞানীরা এই ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য ভ্যাকসিন তৈরির জন্যে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। (সুত্রঃ Dr Arifa Akram Assistant Professor (Virology)

আমাদের দেশের সকলে উচিত এখন রাস্তা,বাসাবাড়ি এবং অফিস যেখানেই থাকিনা কেন,মুখে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার করা। পাশাপাশি সরকারেরও উচিত জন সচেতনতায় সকলকে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার করতে বাধ্য করতে ।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


