
একটা সময় আমরা যখন লেখা পড়া করেছি তখন মূল পাঠ্য বইয়ের পড়া থেকেই স্কুলের শিক্ষকরা বা বাসায় রাখা শিক্ষকরা যে কোনো
প্রশ্নের উত্তর বের করে দিতেন । স্কুলের শিক্ষকরা দেখা যেত একটা প্রশ্নের উত্তর বোডে লিখে দিতেন,আর আমরা সেটা দেখে দেখে
পুরো ক্লাশের ছাত্র,ছাত্রীরা খাতায় নোট করে নিতাম । আর এখন কথায় কথায় স্কুলের টিচারদের মুখে শুনতে হয়,ছেলে,মেয়েদের গাইড
কিনেদিন।
৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী পযন্ত ছেলে,মেয়েদের একেকটা গাইডের দাম নিম্নতম ১০০০ থেকে ১২০০,বা ১৩০০,১৪০০ টাকা পযন্ত
নিয়ে নেয় লাইব্রেরী ।আমার কথা টাকাটা সমস্যা যেমন তেমন,যদি গাইড বই দিয়েই ছেলে,মেয়েদের পড়াতে হয় তাহলে শিক্ষকদের
প্রয়োজন কি ? আমরা অভিভাবকেরাই তাদের চেয়ে ভালো পড়াতে পারবো । সমস্যার সমাধান বা সকল বইয়ের প্রশ্নের উত্তরের জন্য যদি, ক্লাশ ১ম শ্রেণী থেকে শুরু করে ৫ম শ্রেণীর ছোট ছোট ছেলে,মেয়ে বা শিশুদেরও গাইড বই কিনতে হয় তাহলে ছেলে,মেয়েদের কি শিখানো হচ্ছে স্কুলে বা টিচারের কাছে ছেলে,মেয়েরা কি শিক্ষা লাভ করতেছেন ?
শুধু এখানেই শেষ নয়,এমনো দেখা যাচ্ছে যে স্কুলের টিচারেরা নানান রকমের ভয় দেখিয়ে, ছাত্র ছাত্রীদের গাইড বই কেনার জন্য বাধ্যতামূলক করছেন বা জোর করে কিনতে বাধ্য করছেন । সম্ভবত ২০১৯ সালের একটা পত্রিকা রিপোট । এই বছরেও পিছিয়ে নেই,একই অবস্থা চলছে অনেক স্কুলে।
সর্বদিক থেকে হিসেব করলে ফলাফল যা পাওয়া যায়,তাতে স্পষ্ট গাইড বই শিক্ষার জন্য একটা বিশাল বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে ।
আর এভাবে যদি চলতে থাকে এমনেই আমরা প্রশ্নফাস জাতি হিসেবে যে খ্যাতি লাভ বা অর্জন করেছি সেটা একটা সময় আরো
খ্যাতি অর্জন এবং আগামি প্রজন্মের জন্য শিক্ষার বিশাল ক্ষতিকর একটা দিক হয়ে দাঁড়াবে,তাই সময় থাকতে সরকারের এসব
বিষর নজর ও পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন । সরকারে পাশাপাশি ক্লাশ ১ম শ্রেণী হতে ৮ম শ্রেণী পযন্ত স্কুল পড়ুয়া প্রতিটা ছাত্র ছাত্রীদের
অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে।
ছবি ইন্টারনেট ।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



