somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গ্রহের সবচেয়ে একাকী প্রাণী..................

০৬ ই মে, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ছবিতে যে তিমি মাছটা দেখতে পাচ্ছেন সেটা এই গ্রহের সবচেয়ে একাকী প্রাণী। বিজ্ঞানীরা ১৯৯২ সাল থেকে তাকে নজরে রেখে চলেছে আর তার সমস্যাটা কি সেটা বুঝতে পেরেছে।

এই মেয়ে বালিন তিমিটা নিজ প্রজাতির অন্য তিমিদের তুলনায় আলাদা। অন্য বালিন তিমিদের মত তার কোন বন্ধু কিংবা বান্ধবী নেই! তার এমনকি কোন পরিবারও নেই। কোন দল, গোত্র কিছুই নেই। নেই তার কোন প্রেমিকও, কোন দিনও ছিল না। মিলনের আকাঙ্ক্ষায় গাওয়া তার গানগুলো দুই থেকে ছয় গ্রুপে বের হয়, প্রত্যেকবার ৫ থেকে ৬ সেকেন্ড স্থায়ী হয়। কিন্তু তার কণ্ঠস্বর অন্য সব বালিন তিমিদের চেয়ে একেবারে আলাদা। একদম ইউনিক কণ্ঠ তার, যেখানে অন্য তিমিরা যোগাযোগের জন্য ১২ থেকে ২৫ হার্জ কম্পাঙ্কের শব্দ ব্যবহার করে, সেখানে এই মেয়ে তিমিটা ৫২ হার্জ কম্পাংক উৎপন্ন করে।

এটাই হল মেয়েটার একমাত্র সমস্যা। কোন তিমিই তাকে শুনতে পায়না। তার প্রত্যেকটা আকাঙ্ক্ষার ডাকের কোন উত্তর সে পায়না। তার কান্নার ধ্বনি কেউ শুনতে পায়না। প্রত্যেক গান শেষে সে দুঃখী থেকে আরও দুঃখী হয়ে যাচ্ছে, হতাশ হয়ে যাচ্ছে। এরকম একাকীত্বের বেদনা সহ্য করে বেঁচে থাকা যে কতটা কষ্টের তা ভাবতেও শিউরে উঠতে হয়।

আমার জন্ম ১৯৯১ সালের মাঝামাঝি। ১৯৯২ সালে তিমিটা প্রথম বিজ্ঞানীদের নজরে আসে। আমি চোখ বন্ধ করে ভাবার চেষ্টা করি, জন্মের পর থেকে আমি চিৎকার করেই যাচ্ছি কিন্তু আম্মু আমাকে শুনতে পারছে না, বুঝতে পারছে না আমার ক্ষুধা পেয়েছে। আব্বু বুঝতে পারছে না আমি তার কোলে উঠতে চাচ্ছি। ভাইয়া বুঝতে পারছে না তার সাথে একটু খেলতে ইচ্ছা হচ্ছে আমার। দ্রুত চোখ খুলে ফেলি আমি। সম্ভব না আর ভাবা..................

যদিও সে অন্য প্রজাতির তারপরও মেয়ে তিমিটার জন্য কেন যেন বুকের ভিতর অবোধ্য কষ্ট হয়..................
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০২
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তাসের ঘর বনাম বাস্তব হিসাব

লিখেছেন মোবারক, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২০

পরিবারে বড় ভাই হওয়া মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ত্যাগী বা মহান হয়ে যাওয়া নয়। আমাদের সমাজে একটি অলিখিত নিয়ম রয়েছে যে, পরিবারের প্রথম সন্তান মানেই তিনি অনেক ত্যাগ করবেন এবং ভাইবোনদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন কার ভয়ে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৮


থাপ্পড়-কাণ্ডের পর দেশ ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। টঙ্গীতে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জন্য। গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, ব্যক্তিগত বার্তায় ভয়ভীতি প্রদর্শন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছুই হচ্ছে না

লিখেছেন মুহাম্মদ তমাল, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০৪



কিছুই হচ্ছে না, আবার সবকিছুই হয়ে যাচ্ছে। এই যে বয়সটা পা টিপে টিপে এসে ঘাড়ের কাছে দাঁড়ায়, টেরই পাই না। আয়নার সামনে দাঁড়াইলে একজন অচেনা লোক তাকায়, চোখের নিচে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের ওসমান হাদী সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্যান

লিখেছেন এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

এ আমি কী দেখলাম! ব্লগের প্রতিবাদী মুখ, ভারতের যম, ওসমান হাদীর মুখপাত্র, একাত্তরকা গণ্ডগোলের ব্যাপারে সচেতন মুখ সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্লগটি স্থগিত অথবা বাতিল করা হয়েছে। দেশে যখন সামান্য চুমু... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসার মোল্লা হুজুর থেকে আপনার সন্তানকে নিরাপদ রাখুন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

গতকাল রাতে একটা বাচ্চার পা**র ছবি দেখেছিলাম ফেইসবুকে, অনেকেই শেয়ার করেছেন। পা কেটে হাসপাতালে আসার পর ডাক্তার সাপোজিটরি দিতে গিয়ে দেখে গর্তের মতো হয়ে গেছে। মাদ্রাসার হুজুরে বিকৃত কাজ করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×