এক।
একদিন কোন এক ঘোর অমানিশায় তোমার উঠোনে এসে দাঁড়াব। তোমার ঝাড়ুপোছা করা উঠোন জুড়ে থাকবে বেলী ফুলের ঘ্রাণ।
অদূরে দাঁড়ানো কালো বিড়ালের জ্বলে জ্বলে চোখে আমি ষোড়শী তোমার আগুন দেখছি। খড়ের গাদার পাশে ঘুম কাতুরে কুকুরটিও আমায় দেখে নেয় একবার তাচ্ছিল্য ভরে।
আমি আবার মন দেই পিদিম জ্বালা ঘরের চৌকাঠে। অস্পষ্ট এক অবয়ব। নিভু নিভু পিদিমের আলোয় স্পষ্ট হও তুমি। তেল চপচপে বীণুনিতে এক জীবন গড়ার ইচ্ছে। কপালের লাল টিপে নষ্ট হবার অভিপ্রায়। আমি আরো একটু এগিয়ে গেলাম প্রিয় মৃত্যুর কাছে, নীলাদ্রীতা।
দুই।
তোমার হাতে হাত রেখে কাটানো মুহূর্তেরা খোলা জানালার গা বেয়ে পাশের দোলনচাঁপা গাছে লুকিয়ে থাকে নীলাদ্রীতা। তোমার কবিতা হয়ে ওঠার সময়টাতে ঐ যে দেওয়াল ঘড়ি থমকে গেছে তা আজো চলে নি।
প্রিয় ওই কৃষ্ণচূড়া গাছটার হলদেটে পাতায় তোমার সফেদ আঙুলের স্পর্শ কিংবা ঝরে পড়া শিউলিকে মুঠো ভরে নেওয়া তোমার অদ্ভুত সুন্দর সেই হাসিটা আজো রাতের শেষে আমাকে ভাবায়।
গল্পটা আজো শেষ হয় নি। তাই কোন একদিন ঝোঁলা কাঁধে তোমার উঠোনে দাঁড়াবো নীলাদ্রীতা। তোমার অংশকে কবিতা শোনাব আর অগোচরে ওর হাতে গুঁজে দেব গল্পের বাকিটা।
*** অংশ - সন্তান।
বেশ অনেকদিন পর লিখলাম। ব্লগে পড়া হলেও লেখা হচ্ছে না কেন জানি। খাতা কলমের অভাবও হতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



