somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন একটা কবিতা লিখি (একটি চলমান পোষ্ট)

১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আসুন একটা কবিতা লিখি
রচনাকাল শুরু: ১৮ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫৮

লেখক সংখ্যা: এখন পর্যন্ত-৭৭জন।

(সম্পাদকীয়: আমরা অনেকে মিলে এই কবিতাটি লিখবো..। মন্তব্যের ঘরে আপনিও লিখে ফেলুন এর অংশ হিসেবে কটি লাইন। যা সংযুক্ত হবে মূল লেখায়। মুক্তিকামী মানুষ যেমন লিখেছে বাংলাদেশ। এটি সেরকম একটি প্রয়াশ। আপনিও সামিল হন...............)

( মূলভাবনা: সেবু মোস্তাফিজ)

[sb( লেখক: (২)জীবনানন্দদাশের ছায়া ,(৩) রাজসোহান ,(৪)মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্,(৫) পাহাড়ের কান্না , (৬)লুতফুল বারি পান্না, (৭)সোমহেপি, (৮)দেহপূজা, (৯)রিমঝিম বেষ্ট , (১০) রাজিবুল ইসলাম , (১১)অন্ধ আগন্তুক , (১২) শ্রীমান, (১৩) স্বপ্ন সওদাগর, (১৪)ওরাকল ,(১৫)ইলিয়াস সাগর ,(১৬) বাবুল হোসেইন , (১৭)কোয়ানটাম সায়েনস ,(১৮)শাওন ইমতিয়াজ , (১৯)জাফর বায়েজীদ,(২০)মনপবন , (২১)এবং অথবা আমি,(২২) মনিরুল হাসান, (২৩)নিভৃতচারী ,(২৪) অদ্ভুত শূন্যতা,(২৫) অসময়ের আমি ,(২৬)নুরুন নেসা বেগম ,(২৭) আদনান ফারাদী,(২৮)মুহসিন,(২৯) নীল ভোমরা,(৩০)তানভীর চৌধুরী পিয়েল,(৩১)নাঈম (৩২)জলকমল , (৩৩) নিস্সঙ্গ যোদ্ধা, (৩৪) আর.এইচ.সুমন , (৩৫)প্লাস_মাইনাস(৩৬)দুরন্ত স্বপ্নচারী ,(৩৭)ফকির ইলিয়াস, (৩৮)মাসুম আহমদ ১৪, (৩৯) কালপুরুষ ,(৪০)সৈয়দ নূর কামাল, (৪১)রাঙ্গাকলম,(৪২)সাইফ সামির,(৪৩)আসাদ /পারেভজ,(৪৪)আকাশদেখি, (৪৫)পঙ্খিরাজ,(৪৬) সজল হাজারি , (৪৭) রক্ত রঙ ,(৪৮) জুন, (৪৯) কাঠফুল , (৫০)শাহেদ খান , (৫১)ইসমাইল চৌধুরী , (৫২)আশরাফুল ইসলাম দূর্জয়, (৫৩)শামীম শরীফ সুষম, (৫৪)হারুন আল নাসিফ (৫৫)ফকির আবদুল মালেক , (৫৬)জিয়া চৌধুরী ,(৫৭)আজম মাহমুদ,(৫৮) আজাদ আল্-আমীন,(৫৯) মাধব ,(৬০)জাভেদ জামাল,(৬১)প্লেটো,(৬২)সাদাকালামন,(৬৩) আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন,(৬৪)হোদল রাজা,(৬৫) ১৯৭১স্বাধীনতা,(৬৬) অগ্নিলা, (৬৭)মিয়াজী, (৬৮)আবদুর রহমান (রোমাস),(৬৯)আবদুল্লাহ তানভীর,(৭০)সাজেদা সুলতানা,(৭১)হতাশার স্বপ,(৭২)রাষ্ট্রপ্রধান,(৭৩)মিটন আলম , ,(৭৪)নীল_পরী ,(৭৫) মাহবুবুল আজাদ .................(১০০)এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল ।) )


মূল অংশ
সেবু মোস্তাফিজ

আসুন একটা কবিতা লিখি।
সকলের সম্মিলিত চেষ্টায়
একটা কবিতা; শেষ কবিতা,
যার পর আর কোন কবিতা লেখার দরকার হবেনা।

দক্ষিনের কবি আপনি আসুন
আসুন পশ্চিমের কবি,
পূর্বের যারা আছেন তারাও আসুন
আর উত্তরের আমি এবং আমার প্রস্তুত।

কবিতার দীর্ঘতা নিয়ে ভাববেন না
এই বাংলার এক ইঞ্চি জমিনও ফাঁকা রবেনা।
পুরো মানচিত্র ভরে যাবে বর্ণ শব্দ আর বাক্যে,
তারপর গোটা বাংলাদেশ নিজেই একটা কবিতা হয়ে যাবে।

আসুন দক্ষিনের ভাব-ভালোবাসা নিয়ে
পশ্চিমের গোধলী এবং চিরন্তন সূর্যাস্ত,
উত্তরের সাওয়াতাল বিদ্রোহ আর
তারপর পূর্বের নতুন সূর্যোদয়।

এ আমন্ত্রন নয় এ মিনতি হে কবি
আসুন কবিতায় আঁকি সাহসী বাংলার ছবি।

কবির জেল হয়, হাজত হয় কবিরও হয় ফাঁসি
কবে কোথায় কবিতার ক্ষয় হয়েছে যুগে যুগে?
তাই আসুন সম্মিলিত প্রচেষ্টায়
বাংলার উর্বর গাভিন জমিনে একটা কবিতা লিখি।


২য় অংশ
জীবনানন্দদাশের ছায়া ,

আসুন একটা কবিতা লিখি।
সময়ের দীর্ঘতা কোন বিষয় নয়,
আমরা সবাই মিলে বয়ে যাবো শেষের শেষ পর্যন্ত
একটি কবিতা লিখতে লিখতে।
আর সেই কবিতা রয়ে যাবে বসুধার একোনে-ওকোনে,
দিন থেকে দিনে, রাতে, সময়-অসময়ে।

৩য় অংশ
রাজসোহান

আসুন একটি কবিতা লিখি ,
সবার কাছ থেকে শিখি..........

৪র্থ অংশ
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্

আসুন কবিতা লিখি স্বাধীনতার প্রসব বেদনার,
যে বেদনা একটি জাতিকে মা কে চিনতে শেখায়।

৫ম অংশ
পাহাড়ের কান্না

আমায় এমন একটি কবিতা দাও,
যে কবিতা মুক্তির কথা বলবে,
সংগ্রামের কথা বলবে-
আমার মায়ের কথা বলবে।
মাটির কথা বলবে।
আমি সেই কবিতা লিখতে চাই।।
যে কবিতা শোষিত দূর্বলের ভাষা বুঝবে।
আমি কেমন করে লিখবো?
আমায় ভাষা দাও..
আমি যে লিখতে চাই
আমি যে লিখতে চাই।
এ লেখার কাজ চলুক বছরের পর বছর
কবিতার কোন শেষ নেই।
কবিতা চলতে থাকবে নিরন্তর।

৬ষ্ঠ অংশ
লুতফুল বারি পান্না

এমন একটি কবিতা লিখি...
শাপলা আর ইলিশের ছবি আঁকবে যুথবদ্ধতায়
যেরকম একটি কবিতা
দোয়েল আর বাঘের ছবি আঁকবে একই ব্যঞ্জনায়
৫২ থেকে একাত্তরের প্রতিটি বীরত্বগাঁথা
গড়ে দেবে কবিতার নিটোল সৌষ্ঠব

৭ম অংশ
সোমহেপি

সবাই আসুন সম্মলিত প্রচেষ্টায় একটি কবিতা লিখি
কিষাণ ভাইয়েরা আসুন,কিষাণী বউয়েরা আসুন
শ্রমিকেরা আসুন,কামার কুমার তাতী চামার
আসুন সবাই মিলে আমরা একটা কবিতা লিখি
কবিতার নাম হবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ একবার শুধু একবার পাঠ করলেই
শত্রুর হৃদয় বিদ্ধ হয়ে যাবে,বাংলার বুকে
জোঁকের মত লেপটে থাকা নষ্ট রাজনীতিকদের বুকে
ছিটিয়ে দেয়া যাবে একমুঠো নুন
ঝরে ঝরে পড়ে যাবে এদেশের সব রক্তচোষা উঁকুন।
তাই সবাই আসুন উপর নিচ সব তল্লাটের মানুষ
সবাই মিলে একটি কবিতা লিখি।

৮ম অংশ

দেহপূজা

আসুন সে কবিতায়
ভুবন জমিনে আকিঁ মানবতার ছবি,
হ্রদয়ে লালন করি প্রেমের রবি।

৯ম অংশ
রিমঝিম বেষ্ট

আসুন একটি কবিতা লিখি...
যে কবিতা জীবনের কথা বলবে
যে কবিতা ভালবাসার কথা বলবে;
যে কবিতায় থাকবেনা কোন ছন্দপতন
তরঙ্গায়িত হবে ছিপছিপে তন্বি মেয়ের মতন।
আসুন একটি কবিতা লিখি...

১০ম অংশ
রাজিবুল ইসলাম

আসুন একটা কবিতা লিখি
বন্ধুত্বের কবিতা
যে কবিতা ছুবে পৃথিবীর
সকল আনাহারি মানুষের মুখ।

১১তম অংশ

. ১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:২৩
অন্ধ আগন্তুক

আসুন একটা কবিতা লিখি
বোধহীনতায়, বাস্তবতায় অর্ধচন্দ্র মিলিয়ে
শব্দগুলো আকড়ে ধরুক হাজারখানেক লিখিয়ে।

অংশ: ১২
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩২
শ্রীমান
কবিতায় লেখি সেই রক্তাক্ত কাহিনী।

রক্তাক্ত হই কত বার, বার বার
সেলুলয়েডের মত ঝটিতে চলে যায় দৃশ্যপট
ভাষার দাবিতে জমাট বাধা রক্ত ঐ পিচঢালা রাজপথ
ভেঙ্গে দেয়া শহীদ মিনারে উড়তে থাকে ধূলোর সাথে রক্তবিন্দু
ছেড়া পাজামা আর শাড়ীতে লেগে থাকা রক্ত শুকিয়ে প্যাপিরাস
৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে রঞ্জিত আমার প্রিয় বাংলাদেশ।

রক্তাক্ত হই আবার..কত বার, বার বার
যখন কেউ তেড়ে আসে পাটকাঠির মত ফুটফুটে ছেলেটির দিকে
বোনের আঁচল ধরে যখন টান দেয় বখাটে যুবক
নিঃস্পেষিত সমাজের উপর চাপিয়ে দেয়া কলংকের বোঝা কমাতে,
বারবার পরিবর্তন আর পরবির্ধনের মধ্য দিয়ে
বুক পেতে নেই অসংখ্য বুলেটে
মেধাশূণ্য হয় বিদ্যাপিঠ, অরক্ষিত হয় সীমান্ত,
ভেসে যায় রক্তাক্ত লাশ কত ঐ নর্দমার কালচে পানিতে।

এখন আমার বুকের পাজরায় শুকিয়ে যাওয়া রক্তের চিহ্ন
তলাহীন চটিজুতায় উঠে আসে ইতিহাসের ছেড়া পাতা,
অন্ধাকারে শুনতে পাই শীর্নকায়ার দীর্ঘ নিঃশ্বাষ
ছানি পরা চোখে গড়িয়ে যায় অশ্রু ধারা
আর কি দেখা হবেনা আমার সোনার বাংলা
সবুজ শ্যামলিমায় মিলাবে কবে দৃস্টির সীমানা ।।

অংশ:১৩
. ১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৬
স্বপ্ন সওদাগর

আসুন লিখি একটা খাটি কবিতা
চিৎকারে, চিৎকারে উৎসবমুখর একটা কবিতা।
গালাগালহীন চিৎকার!
যার যে রং আছে তার আছড়ের কবিতা।
হাতে হাত, হাভাতের ভাত, আর রং ছড়ানোর কবিতা।
যদি চাই বলতে, তবে বলতে দেবার কবিতা!
আর যদি বলো, তোমরাই ঠিক আমরা পশ্চাৎপদ;
তবে তোমার কবিয়ানায় 'কিন্চিত' অসহিষ্নুতা প্রকাশের কবিতা!
আর 'রং' সেতো থাকলোই প্রতিবাদের জন্য!

অংশ: ১৪
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৯
ওরাকল

আসুন একটি কবিতা লিখি, যে কবিতা গাইবে সত্যের জয়গান
মিথ্যার কৃষ্ণগহ্বর থেকে মুক্ত হোক সত্যের আলোক ধারা
সত্যের আলোয় আলোকিত হোক আমাদের বসুন্ধরা।
আসুন একটি কবিতা লিখি, মুটে-মজুর কৃষক কামারের ঘাম দিয়ে;
সবুজ শ্যামল বাংলায় পরাজিত হোক শোষকের কাল হাত
স্বাধীন আকাশে মুক্ত বিহঙ্গ হোক শোষিতের গোপন ইচ্ছে।
আসুন একটি কবিতা লিখি, জীবন ও যৌবনের জন্য
সদ্বজাত শিশু কিংবা রাস্তার ধুলায় লুটান বৃদ্ধার মুখ চেয়ে
সপ্নের ঠিকানা গড়তে এক হোক সপ্নবাজ যুবকের কর্মঠ হাত।

অংশ:১৫
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৪২
ইলিয়াস সাগর

যে কবিতা হবে- হৃদয় সোপান
অবঘুমে হারাবে না জীবনের গান
অধরা আরতী ঢেলে ভরাবে জীবন
মানবজমিনে হবে- আলোর বপন...

মনোফোনে ভায়োলেন্স; অযাচিত দ্রোহ
মুছে দিয়ে এনে দেবে মানবিক মোহ ।

অংশ:১৬
১৯ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩১
বাবুল হোসেইন

আসুন একটা কবিতা লিখি
যে কবিতায় থাকবে মানবতার জয়গান,
যে কবিতা মানুষের স্বীকৃতি দিতে পারে
পারে আমাদের অমানবিক সত্তাকে ভেঙ্গে-চুরে একাকার করে দিতে
যার বলিষ্ট হাতের ছোঁয়ায় কদর্যতা রূপ নেবে ভালোবাসায়

আসুন না সেরকম একটা কবিতা লিখি?

যে কবিতা হবে জীবনের মানচিত্র !!

অংশ:১৭
৩. ১৯ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৪৫
কোয়ানটাম সায়েনস

পারবে আমার সাথে যেতে বন্ধু কবিবর?
যদি পার তবে আমি লিখব
আনন্তকাল ধরে লিখব।
সেই কবিতা...তুমিও লেখো আমিও লিখি।

অংশ:১৮
৪. ১৯ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮
শাওন ইমতিয়াজ

লিখতে চাই...
চিনতে চাই কবিতা ,কবিতার মাঝে কবি,
ভাবনাগুলোকে করে দেব একাকার।
ছড়িয়ে যাক আলো-আঁধারের খেলা
এই চলমান যাপিত বিশ্বের।

কবিতার এপিঠকে বগলে নিয়ে
হেঁটে যাব অনন্তের পথে।
আর ওপিঠকে ছেঁড়ে দিব অন্তহীন মহাশূন্যে
তারপর হবো বাংলাদেশ।

অংশ:১৯
৫. ১৯ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:০৯
জাফর বায়েজীদ

কখনই কবিতা লিখিনি তুবও আসুন লিখি,
তারপরও ইচ্ছে করছে সাহস করে
প্রথম কোন অস্পৃর্শকে ছুয়ে দিতে।

হয়তো এই কবিতাটাই আমার কথা বলবে ...
হয়তো এই কবিতাটাই তোমার কথা বলবে ...
হয়তো এই কবিতাটাই তোমাদের কথা বলবে ...
হয়তো এই কবিতাটাই আমার ভালবাসার মানুষের কথা বলবে ...

আমি জানি, একটা কবিতা পারে না অনেক কিছুই;
কিন্তু যা পারে, তাতে হয়তো এই কবিতাটাই
তোমাকে, আমাকে, আমাদের সবাইকে
কিছুক্ষনের জন্য হলেও ভুলিয়ে রাখতে পারে।
চিনিয়ে দিতে পারে সোদা মাটির গন্ধ।

অংশ:২০
৬. ১৯ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:১০
মনপবন

আসুন লিখি সেই কবিতা
যার জন্য করেছি কত প্রতীক্ষা,
সেই নব ঘন বর্ষায়,সেই অতৃপ্ত চাহনীর পরে
সেই ধুলী ওড়া বাউল বাতাসের তোড়ে
পীচ ঢালা কালো রাস্তায় হারিয়ে
তবু তুমি ধরা দাওনি আমায়।
অথচ আজ কার আহবানে এসেছ!
সে কী এই ভাংগা মন বলে,
সে কী না পাওয়ার বেদনা বলে,
সে কী ব্যার্থতার গ্লানী বলে!
জানি আসে চাদ ভাংগা ঘরেই
আলেয়ার দেবী হয়ে,
তুমি ও এলে শেষে
সব হারার সব হয়ে
যেমন আসো।
তবু এসো লিখি একটি কবিতা দুজনে
বাংলার প্রান্তরে...........

অংশ:২১
এরং অথবা আমি

আগন্তুক আমন্ত্রন..........
আসুন এখানে, দেখুন এই অসময়ে আমরা জেগে আছি
আপনার দেখা সেই বিকেলটা এখন আর নেই
নিভে গেছে অন্ধকারের সাথে সাথে
দক্ষিনা হওয়ার মিছিল আর নেই।

এখন রাস্তা ঘাট পুকুর পার বাড়ীর উঠোন
বদলে দিয়েছে নিছক সচেতনতার বিজ্ঞাপণ
বদলে গিয়েছে কতকাল গতকাল আর নেই
এই চোখে ঠিকই সব গেথে আছে কাল হয়ে
আবারো সকাল হবে, আকাশে নীল জাগবেই।

আসুন এখানে নানা রঙের বর্ষা ভেজানো তরী
আর ভড়া নদীর বাঁকা পার সাজানো জলে
আর কিছুক্ষন না হয় জেগে দেখি কি হয়
কতটা বদলে যেতে পারে মানুষ নাকি সময়?
আসুন এখানে, দেখুন এই অসময়ে আমরা জেগে আছি

অংশ:২২
০২ রা মে, ২০১২ রাত ৯:০৯
মনিরুল হাসান

দলে দলে যত আছে সংঘাত, আছে যত দ্বিধা দন্দ্ব,
একই মমমতার চাদর বিছিয়ে করে দেবো সব বন্ধ।
জনজীবনের অসুবিধা যত চাপা দেবো সব কবরে,
হাসবে মায়েরা ছেলের নতুন চাকরি পাওয়ার খবরে।
হবে উন্নতি, যত দূর্গতি একসাথে দূরে ঠেলবো,
দারিদ্র্যতার আছে যত গ্লানি সবটুকু মুছে ফেলবো।
ভালবেসে মোরা বাড়িয়ে দেবো যে সহযোগিতার হাত;
'ঝলসানো রুটি' হয়ে নেমে আসে যেন আকাশের ঐ চাঁদ।
পরিবার হয়ে মিলেমিশে সবে লিখবো এমন কবিতা,
ফুটিয়ে সেখানে তুলবো মোদের মাতৃভূমির ছবিটা।
দূর্নীতি যাবে দূর দিকে সরে, হবে খাবারের যোগান,
'উঁচু থেকে দেশ উঠবে উঁচুতে' হবে কবিতার শ্লোগান।

অংশ: ২৩
২০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৮
নিভৃতচারী

আসুন একটি কবিতা লিখি, যার স্বপ্ন দেখেছিলাম এক নতুন প্রহরে
কোন এক নাম-না-জানা শিশুর আধো আধো বোলে,
হয়তবা কোন এক চঞ্চলা-চপলা কিশোরীর নিষ্পলক চোখে
অথবা এক জ্যৈষ্ঠের দুপুরে ঘর্মাক্ত কুলির কঠোর বাহুতে,
কিম্বা ছেলেহারা কোন এক দুঃখিনী মায়ের অশ্রুসজল বিলাপে
লেখনি আমার আজ দুর্বার, গাইছে শুধু তাদেরই জয়গান ।
হিংস্র হায়েনারা চেয়েছিল মোদের কন্ঠ স্তব্ধ করতে, পেরেছে কি?
পারেনি, পারবেও না কোনদিন, সদা জাগ্রত মোদের প্রাণ
রয়েছি চিরশ্বাশত, চির অক্ষয় হয়ে, শত বাঁধা পেরিয়ে
একটি স্বপ্ন দেখব বলে, একটি কবিতা লিখব বলে ।

অংশ: ২৪
২১ শে মে, ২০১০ রাত ১২:২৩
অদ্ভুত শূন্যতা

আসুন একটা কবিতা লিখি
একটা স্বপ্নের ছবি আঁকি
সমবেত ইচ্ছের অক্ষর বুনে দিই
আকাঙ্খার পাললিক মৃত্তিকায়,
দামাল কৃষকের মত
তারপর, পিঠে রোদ মেখে
পরিচর্যা করি সমূহ মাঙ্গলিক ফসল।
ঐশ্বরীক ধ্যানের মত গভীর মমতায়
লালিত হবে আমাদের কবিতা,
খরা ও ব্ন্যার অবহেলায়
যতই আহত হোক
আমাদের যুথবদ্ধ শুশ্রূষায়
আমারা পৌছবোই নবান্নের উৎসবে।

অংশ:২৫
২১ শে মে, ২০১০ রাত ২:২৩
অসময়ের আমি

আসুন একটা কবিতা লিখি
যে কবিতা হবে স্বপ্নহীনতায় স্বপ্নের ফেরিওয়ালা......
যে কবিতার ছন্দে থাকবে বিদ্রোহের ডাক
সকল অন্যায় আর অনাচার জ্বলে পুঁড়ে যাক।

চলো কবি না হয়েও একটা কবিতা লিখি
যে কবিতায় থাকবে আন্দোলনের আহবান
যে কবিতা পড়ে থমকে যাবে খুনীর পিস্তল,
আর মানবতাবিরোধিরা গাইবে মানবতার গান।

আসুন একটা কবিতা লিখার স্বপ্ন দেখি
বুকের পাজর নিংরিয়ে একটা কবিতা লিখি
কবিতায় থাকবে ঘৃণা , মান অভিমান, আর ভালবাসা,
মৃত্যুর পথযাত্রীরাও দেখবে বাচার আশা

এমন একটা কবিতা লিখতেই হবে
যে কবিতা আমাদের স্বপ্ন দেখার স্বপ্নে রবে।

অংশ:২৬
২১ শে মে, ২০১০ সকাল ৮:৫১
নুরুন নেসা বেগম

আমরা যে কবিতা লিখবো
থাকবে না বিষন্নতার ছাপ, জীবন কে ঘিরবো
ভালবাসায়, ত্যাগে, নিষ্ঠায়, সততায়,
কর্মে উজ্জীবিত হবে আগামী প্রজন্ম মমতায়।

অংশ:২৭
২১ শে মে, ২০১০ ভোর ৬:৪৬
আদনান ফারাদী
আসুন একটা কবিতা লিখি...
কবি -কবিতা লিখি কত সময় অসময়
নেশাখোরের খরস্রোতা নেশায় কত কলম ভাঙ্গে
কত রজনী জেগেছি ছিঁচকে চোরের মতন
রাতের স্নিগ্ধ সমীরণের কোল থেকে ছেঁকে নিতে দুটো চরণ

ওরা কত আপন ছিল কবির
দ্বিতীয় হৃদয় যেন ধুকপুক করত তুফানমেলের বেগে
ছাড়িয়ে যেত মানবীর হিমালয় কোমল
কবির মুচকি হাসি, ওরাও মিটিমিটি হাসে

তারপর......
বহুদিন মন কষে গিয়েছে
মরেছে সে বারবার-ওরাও
বিরহের বেদনায় কবি গুমরেছে। ভেঙেছে।
দ্বিতীয় পুনরুত্থানের অপেক্ষায়!
বাংলাদেশ শিরনামে নতুন কবিতা লেখার অপেক্ষায়....
আসুন বন্ধুরা সবাই মিলে সেই কবিতা লিখি।

অংশ:২৮
২১ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১৯
মুহসিন

আসুন একটা কবিতা লিখি তেমনই
তাবৎ বাংলার জনগণ অংশ নিবে তাতে
পৃথিবী অবাক চোখে তাকিয়ে রবে
কিনা পারে বাংলার দামাল সন্তানেরা?

এদেশের মানুষ হাতে হাত মিলিয়ে পারে
রচনা করতে সুন্দর ভবিষ্যৎ
ভালোবাসায় ভরিয়ে দিতে দিতে
গড়ে এক নতুন জগত।

কি আসে যায়, কবিতার মর্মার্থ কি,
যখন কবিতা লিখবো বলো আমরা সবাই একত্রিত হয়েছি!

আজ বাংলার সাহসী সন্তানেরা
গর্বভরে তাকিয়ে দেখো
শত সহস্র কবি অকবি মিলে
বিনেসুতার কি অপূর্ব মালা আমরা তৈরী করে রেখেছি।

আসুন আজ তেমনই এক কবিতা লিখি,
আমাদের হৃদয়পটে, বাংলার এই মনভূমে।

অংশ:২৯
২১ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৯
নীল ভোমরা

আসুন হে কবি
সবাই মিলে আঁকি সেই ছবি
সততা শ্রম আর মেধার রঙে
একটু একটু করে গাঁথি
সবুজ জমিনে লাল সুতোয়
যেমন বেনারসি বোনে তাঁতী।

অংশ:৩০
২১ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৪৩
তানভীর চৌধুরী পিয়েল

আসুন একটা কবিতা লিখি
যে কবিতা পূর্ণ হবে অসীমে পৌছে।

অংশ:৩১
২১ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:২৬
নাঈম

আসুন সবাই একটি কবিতা লিখি
যে কবিতায় আঁকা হবে
সুখ, দুঃখ আর জীবনেরই ছবি।
কবিতা দিয়েই দেখব মোরা
জগত-সংসার
কবিতা নিয়েই হাসব মোরা
খুলব স্বপ্নদুয়ার।

অংশ:৩২
২১ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৪৬
জলকমল

আসুন একটা কবিতা লেখি তেমনই.........
প্রতিবাদ আর প্রতিরোধ গড়ার হাতিয়ার হবে যেটি.....


একটি কবিতা নয়, একটি হাতিয়ার
একাত্তুরের চেয়েও ভয়াবহ যার গতি
শত্রুর বুক ভেঙ্গে করে চুরমার
কোটি যোদ্ধা মেরে ফেলে করে নিরস্ত্র নৃপতি।

প্রতিবাদ নয় প্রতিরোধ হবে সে কবিতার প্রান,
অন্যায় আর জুলুমশাহীর মসনদে দেবে হানা,
মিথ্যাকে ছুড়ে ফেলে গাবে সত্যের জয়গান
প্রতিবাদী হবে একা হলেও শুনবে না কারো মানা....।

আসুন একটি কবিতা লেখি তেমনই.....

অংশ:৩৩
২১ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৪
নিস্সঙ্গ যোদ্ধা

আসুন একটা কবিতা লিখি ...

যে কবিতার ছন্দ না থাকলেও,
পড়তে লাগবে বেশ,
যে কবিতা লিখবো আমরা,
পড়বে বাংলাদেশ।

অংশ:৩৪
২২ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৩০
আর.এইচ.সুমন

আসুন আমরা একটা কবিতা লিখি..
যে কবিতা দেশ মাটি ও মানুষের কথা বলে..
যে কবিতা আমাদের মনুষত্ব্যকে জাগিয়ে তোলে..
আসুন আমারা একসাথে সেই কবিতা লিখি..
যে কবিতায় সবুজের মায়া মাখা..
যে কবিতায় নদীর পাড়ের বটের ছায়া ঢাকা..
যেখানে বসে ক্লান্ত কৃষক একটু প্রশান্তি খোজে..
যেখানে বসে রাখাল বাঁশিতে সুর তোলে..
আসুন আমরা এমন একটা কবিতা লিখি..
যেখানে থাকে মায়ের আদর বাবার শাসন..
ভাইয়ের ভালবাসা আর বোনের খুনসুটির পরশ..
আসুন আমার সেইদিনের কবিতা লিখি..
যেদিন মানুষ অনাহারে থাকবেনা..
একফোটা দুধের জন্য ছোট্ট শিশুটি ..
মায়ের বুকে আচড় কাটবেনা..
প্রচন্ড শীতে কোন বৃদ্ধ-বৃদ্ধা কাঁদবেনা..
একটুকরো গরম কাপড়ের জন্য..
আসুন আমার একটা সুন্দর কবিতা লিখি..
একটা সুন্দর পৃথিবীর কথা ভেবে..
যে পৃথিবীতে মানুষ বাঁচবে মানুষের মত..
যেখানে থাকবেনা কোন দুঃখ কষ্ট..
মারামারি হানাহানি আর যুদ্ধ বিবাদ..
আসুন আমারা বাঁচতে শিখি..
এই কবিতার মত সরল ভাবে..
যেন সবাই মোদের মানুষ ভাবে..

অংশ: ৩৫
২২ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৩৩
প্লাস_মাইনাস

আসুন একটা কবিতা লিখি
মানুষ হয়ে বাঁচার কবিতা
সবার উপর মানুষ সত্য
এই কথাটা বলার কবিতা
আসুন একটা কবিতা লিখি
মানুষের কবিতা...

অংশ:৩৬
২২ শে মে, ২০১০ রাত ১:২১
দুরন্ত স্বপ্নচারী

আসুন একটি কবিতা লেখি
যে কবিতা সীমানা পেরিয়ে যাবে
যে কবিতায় দূর্বাঘাসের গন্ধ রবে।

আসুন একটি কবিতা লেখি
যে কবিতা সবুজের বুকে সিঁদুর রাঙাবে
যে কবিতায় স্বপ্ন রবে।

আসুন একটি কবিতা লেখি
যে কবিতা পদ্মার জল হবে
যে কবিতায় একাত্তরের স্বপ্ন রবে।

অংশ:৩৭
২২ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:০১
ফকির ইলিয়াস

একটা কবিতা লিখে যাবো..
এবং এই শব্দের আঙুল রেখে যাবো তোমাদের জন্য , হে প্রজন্ম
হে ভোরের ফেরিঅলা, দূর্বাঘাসের আলোয় যে গ্রাম ধরে রাখে
আমাদের বুকের ওজন। ভালোবাসায় যে মানুষ হাত ধরে , শক্ত
মাটির। বেয়ে যায় নৌকোর ধ্যান , মাঝি । নেমে আসে কালের
সকাশে প্রেম, ফেরারী নদীর।

অংশ:৩৮
২২ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:০৩
মাসুম আহমদ ১৪

আসুন একটা কবিতা লিখি
যে কবিতা ভাত-মাছের সতিন হবে
ক্ষুধা মিটাবে অন্যদিকে ক্ষুধা বাড়াবে ।

অংশ:৩৯
২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৪৯
কালপুরুষ

জানি-
খুব কষ্টে আছেন, খুব হতাশায় আছেন।
এ'ও জানি পেটে ক্ষুধার জ্বালা আছে, মনে ক্ষোভ আছে।
রুগ্ন দুটি হাতে ভিক্ষার থালা,
ঐ হাতে কলম ধরার কোন বাসনা নেই-
তবুও আসুন একটি কবিতা লিখি।
নাহ্, পয়সার বিনিময়ে নয়- বিবেকের তাড়নায় একটু লিখি।
প্রতিবাদের ভাষা যদি হয় কবিতা-
তবে রাজপথ হয়ে উঠুক কবিতার খাতা
ভাঙ্গা ইটের টুকরো হয়ে উঠুক প্রতিবাদি কলম
আঁচড়ে আঁচড়ে লিখে যাই বুভুক্ষ মানুষের না-পড়া কবিতা।
এই কবিতা কোন বইয়ে ছাপা হবেনা জানি-
এই কবিতার কোন প্রচ্ছদ নেই-
এই কবিতার বিবর্ণ মলাট ওল্টালেই দেখবেন
লাখো মানুষের করুণ মুখের প্রতিচ্ছবি।
আমার দেশ আমার কবিদের দেশ-
আমরা রাজপথে কবিতার পতাকা ওড়াই-
গুলি খাই, রক্তাক্ত হই, তবুও সুযোগ পেলেই
রাজপথে কিংবা দেয়ালের গায়ে কবিতা লিখে যাই।

অংশ:৪০
২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০৮
সৈয়দ নূর কামাল

আসুন একটি কবিতা লিখি
পদ্মা মেঘনা কর্ণফুলির স্রোতে বয়ে চলা
হাজার বছরের ইতিহাস আঁকি
বদ্বীপীয় ঐতিহ্যে লালিত গেরুয়া বসন
বাউল সুরের উড়াল পাখি

আসুন একটি কবিতা লিখি
সবুজ বসনা বাংলা মায়ের শাড়ির তুলি
সোনার হরফে ঝুলিয়ে রাখি
পনের কোটি সন্তানের ভালোবাসা-সিক্ত
মোহময়ী যে মায়ের আঁখি

আসুন একটি কবিতা বলি
মহাকালের প্রতিটি ক্ষণকে বর্ণমালায় গেঁথে
জীবনের ক’টি শব্দ বুনি
ছন্দ-গন্ধে সাজিয়ে তুলি
ঘাম-চিকচিকে শরীরের দেহরেখা
ভাটির ইটের সাথে সাথে তপ্ত-তনু
হনুফা বেগমের দিন-পাঁচালি

অংশ:৪১
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:০৫
রাঙ্গাকলম

আসুন একটি কবিতা লিখি সবাই মিলে
ধ্বংসের কবিতা,
শোষনের রাজ্য ধ্বংসের কবিতা
পায়ের তলায় শোষনের তালিকা ফেলে
আসুন সবুজ ঘাসে মানবতার কবিতা লিখি সবাই মিলে।
কবিতার চাষ হওয়া দরকার
সময়ের প্রয়োজনেই কবিতা।

পায়ের তলায় পড়ে থাকা রক্ত ভেঁজা জমিতে
লাগুক কৃষকের চোখ
লাগুক লাঙ্গল কাঁদা জলের ছোঁয়া।

দক্ষিণা হাওয়ার প্রশান্তি, উত্তরের লু-হাওয়া
পশ্চিমের অন্ধকার ভয় আর পূবের আশার সূর্যোদয়
মোটের উপর যার হাতে যা আছে
সেটাই হোক কবিতার সম্বল।

কবিতা বলুক নিজের ভাষা
তিল না ধরা সোনার তরি হোক বাংলার মাটি
প্রতিটি যুবক, জনগণই হোক
কবিতার এক একটি প্রতিবাদী ধ্বনি,
হয়ে উঠুক তিতুমীরের হাতের লাঠি
প্রতিটি হৃদয় হয়ে উঠুক দুর্গ, কেল্লা।



অংশ:৪২
২২ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:২৭
সাইফ সামির

এখনই সময়...
আসুন শত হাত মিলিয়ে
একটি কবিতা লিখি...
যার অক্ষরগুলো হবে
সত্য, স্বাধীন, সুন্দর!

তোমাকে কবি না হলেও চলবে
একটি মানুষ - হ্যাঁ
ভেতরে-বাইরে একটি মানুষ হলেই
তুমিও লিখে ফেলতে পার
মানুষের জন্য কবিতা!

তোমার সাধারণ ভাষা
অসাধারণ হয়ে উঠবে
যদি পার নুয়ে পড়া মাথাটি
আকাশ পানে ফেরাতে
আকাশের বিশালতা দুচোখে মেখে
বাতাসের গভীরতা ফুসফুসে ভরে
যদি চিৎকার করে উঠতে পার
তোমাকে যারা শোষণ করছে
তাদের চোখে তাকিয়ে
ব্যস, তোমার এই প্রতিবাদী
রূপটি হয়ে উঠবে চমৎকার একটি কবিতা
আর অন্তমিলের জন্য আমরা তো আছিই!

মনে না পুষে আজই লিখে ফেল কবিতাটি
তরতাজা শব্দের শোরগোল উঠুক চারদিকে
আমরা মানুষেরা মানুষের জন্য লিখবো
শত কবিতা মিলিয়ে একটি মহাকবিতা!

অংশ:৪৩
২২ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬
আসাদ /পারেভজ

কবি হওয়ার বাসনায় নয়-
নয় কোন মেকী ফানুষের লোভে
আসুন একটি কবিতা লিখি
এক খাঁটি মানুষের ক্ষোভে । ।

সুকান্তের মত কিংবা নজরুল
প্রেরনা যোগাক অগ্নী শপথ
পর জনমের ভুল । ।

গান্ধীর অহিংসা কিংবা
সূয সেনের রক্তের দামে
আসুন একটি কবিতা লিখি
কোটি মানুষের ঘামে । ।

অংশ:৪৪
২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১:৫৩
আকাশদেখি

আসুন এমন একটা কবিতা লিখি,
যে কবিতা স্বপ্ন দেখায়,
একটা নতুন দিনের...
বাঁচতে শেখায়
নতুন করে।
আমার এই দেশের জন্য
এই কবিতা ছাড়া আর কিবা দিতে পারি?

অংশ:৪৫
২৪ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৩৫
পঙ্খিরাজ

এই দেখুন,
পিঞ্জিরে জমেছে পূর্বজদের হাড়
সবুজ মাটি যারা রাঙিয়েছিলো রক্তে
আকাশের সূর্যটা ছিনিয়ে এনেছিল পরম স্পর্ধায়
দীপ্ত স্টেনগানে খইয়ের মতো ফুটেছিল শব্দরা
কি এক আবেগে উন্মাতাল
আসুন কবিতায় আজ তার কথা লিখি, তাদের কথা লিখি
একটা মেয়ে বিদ্যালয়ের চৌকাট মাড়ায় নি কখনো
অথচ দেখুন
সুইয়ের প্রতিটি নিপুন খোচায় কি অদ্ভুদ
ডলারের মোহ একে দেয়
যাপিত ক্লান্তির যাপনে
তার সুকটিন বাহু যুগল
টেনে নিয়ে চাকা
শতাব্দির ট্রেনে তুলে দিয়েছে বিশ্বাসের গতি
অথবা ভাবুন একবার তার কথা
রক্তে টগবগে বিদ্রোহ নিয়ে
যে ক্লান্ত তরুন সারা রাত,
সারারাত স্বপ্ন বুনেছে নরম হাতে
সিগারেটে সুখটান দিয়ে পিষেছে নির্মম
আসুন কবিতায় আজ তার কথা লিখি, তাদের কথা লিখি

আসুন একটা কবিতা লিখি স্বপ্নের,
স্বপ্নভাঙ্গার আর স্বপ্ন পতনের
পাহাড়ের সেই মেয়েটার কথা মনে আছে
চোখে গাঢ় কাজল আঁকতো সে
মল পায়ে ঝর্নার মতো নেচে যেতো অবিরাম
প্রতিবাদে মাঝে মাঝেই যেন হতো ক্ষুদ্ধ কর্ণফুলী
ভাসিয়ে চারধার কি হিংস্র আবেগে
জড়াতো যেন অজগর প্রায়
গিলে নেবে আমাদের সমস্ত মুখোশ
সে মেয়েটি, আজ ধর্ষিত, মৃত
আসুন কবিতায় আজ ক্রন্দনের উৎসমূখ আঁকি

অংশ:৪৬
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৫৩
সজল হাজারি

একটা কবিতা লিখি
যে চিরকালই গঙ্গার পানি চাইবে
সে ছোট্ট বাচ্চা নয়,টিপাই মুখ বাঁধ বুঝবে
যে রাজনীতিকের ভাসন লেখা পাতা নয়
সে হবে ধারাপাত,
সে একা রাজপথে দাড়িয়ে রুখে দেবে রুক্ষতার জলকামান
যে ছিড়ে দেবে নষ্ট পুলিশের বুকপকেট
যে হবে না কোন সরকারী কেরানীর পেনশন কাটা কলম
যে বলবে শুধু আমাদের ভালবাসা
আমার বাঙালি'র দুখসুখকথা।

যে হবে না কোন ধনী দুলালের তীব্র গতিতে চলা গাড়ীর
কান ফাটা সিডি প্লেয়ারের গান
হবে না সে কোন মেজবানের টেবিল কুড়ানো খাবার
তার থাকবেনা কলিং বেল টিপার দু:সাহস
সে তার স্বভাবের রাজ পুত্র
সে দরজা ভাঙবে।
হৃদয়ে হৃদয় বাঁধবে...এতটুকুন নিশ্চিত।

সে জোছনা দেখবে
হাঁটু পানির জোছনা, বন বাদারের জোছনা
সাগর পাড়ের জোছনা
হিজলের লম্বা ফুলে দোলনা চাপিয়ে, সে জোছনা দেখবে
উদভ্রান্তের মতো ছুটবে, আর বাতাস খাবে
তারে বাধা দিসনে ভাই
সে হবে বাধাহীন বেদুইন।

সে হোঁচট খাবে ছন্দে
রূপে অলংকারে
সে ধরা পড়বে বাসের পুরানো টিকিটে
তার মন পরে রইবে গাঁয়ের সে পুকুর পাড়ে
ভর দুপরে , ভুট্টার কচি মাচাতে হঠাৎ ভারী কামড়ে বসাতে দাঁত দিয়ে রক্ত বের হওয়ার কথা,সাপুরের হাতের ইশারায় গোখরা সাপের নাচন,কাঠের থ্রি নট থ্রি নিয়ে কবর নাটকের রিহার্সেল অথবা ভার্সিটি বাসে চড়তে চড়তে জানলার বাইরে সুন্দরী তটিনীর বাহাসে ...।
তবে সে গঙ্গা ব্যারেজ বানাবে
বৈশাখে ঢোল ফাটাবে
বুকের রক্তাক্ত ব্যালট নিয়ে রাজনিতিক কে বলবে "এবার চোষ"
তবে সময় হলে আমি তোমার মাথা ভাঙ্গবো....এটা নিশ্চিত
চেয়ে দেখ আমাকে..আমি কে!
আমি চিত্রগুপ্তের খাতা।

অংশ:৪৭
২৪ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
রক্ত রঙ

আহবান জানাই একটি কবিতা লেখার
অক্ষরের পরে অক্ষর সাজিয়ে সূনিপূন এক ভাষ্কর্য

জীবনের আশাগুলো এখনো তলানীতে ঠেকেনি
যদিও বেঁচে আছি কাগজ-কলমে
অন্ধকার মুহূর্তগুলো এখনো স্বাধীনতা পায়নি
তবুও ভবিষ্যত ভেবে আঁধারে থাকি কিছুক্ষন
অভূক্ত সময় গননা থামেনা।

অসাড় বোধ গুলো ক্ষনিকের ভালবাসা জন্ম দেয়
মৃত হতেও বেশি সময় নেয় না
অক্ষমতা গুলো মাঝে মাঝে প্রতিবাদ জানায়
কিছুটা সময় অতীতে কাটে শৈশব বেলায়
বেঁচে থাকার আশা গুলো কিছুটা প্রাণ ফিরে পায়।


সময়ের নিষ্পাপ সাক্ষী হয়ে থাকা অক্ষরের মাঝে
যত্ন করে তুলে রাখি বিবেক আর বোধ

অংশ:৪৮
২৪ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৫৪
জুন

আসুন একটা কবিতা লিখি
কিন্ত বিষয়টা কি নিয়ে বলুনতো ?

সেখানে কি বলবো আমার দেশের মাটির কথা!
যেইখানেতে লুকিয়ে আছে কত করুন গাথা
মায়ের চোখের পানি আর বাবার হাহাকার,
সামনে ছেলের লাশ পড়ে রয় সকল অন্ধকার।

সামনে তবু তাকিয়ে থাকি আলোর রেখার আশায়।
নিশ্চয় সব যাবেনা মিশে রাঙা পথের ধুলায়।
সেই আশাতেই বুক বেধে রই সেই আশাতেই বাঁচি
যাইনি মরে আমরা যারা, সেই আশাতেই আছি!

অংশ: ৪৯
২৬ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১১
কাঠফুল

কবি নই তবুও কম্পিত বক্ষে
সামিল হলাম মিছিলে
আসুন আমরা লিখে যাই
অবিরাম সহস্র হাতে
স্রোতস্বিনীর মতো চঞ্চল
একটি কবিতা যা, নিরন্তর
ভাসিয়ে নিয়ে যাবে
সমাজের যতো ক্লেদ ও কলুষ ..

অংশ: ৫০
২৬ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫১
শাহেদ খান

আমি পুবের বাতাস....

শৈলচূড়ার ওপার থেকে মাতাল আবেগে ছুটে আসা
কাপ্তাই হ্রদের শান্ত বুকে সাঝেঁর মায়ায় অবাধ ভাসা
এলোপাথারি সোঁদা মাটির ভেজা-করুণ গন্ধে ঠাসা
এক পশলা বাতাস...

হে উত্তরের উত্তাল সুর
কবি আর কবিতার ডাক শুনে ছুটে আসা মোর এতদূর...

এসে যে স্তব্ধ আমি !
চমকে গিয়ে থমকে যাওয়া দমকা আমি হঠাৎ থামি !

কত যে গল্প বলার ছিল,
তোমার কাছে
তোমাদের কাছে-
কাঁচবালিকা'র করুণ আর্তি, চাপা-কৈশোর-কাহিনী
শেষ বিকেলের সোনাঝরা রোদে ভেসে আসত যে রাগিনী
সবটুকুই যে বলতে এসেছি
তোমাদের এ সভায়...

আরো কত-শত গল্প আমার
পুবের দেশের গল্প !
সবুজ পাহাড়চূড়ার গল্প, নীল সাগরের ঢেউয়ের ফেনা
সাংগুর পাড়ে শেষ প্রহরে ঝরে পড়া শেষ শিশিরটুকুর
সকরুণ কান্না !

কোথায় কি বলব আর,
তোমাদের কাছে, এযে দেখি আছে, ঢের বেশি সম্ভার...

বিষ্ময়ে রই চেয়ে
পুবালী তান মোর হয়না ছড়ানো - তোমাদের ঘ্রাণ পেয়ে

সীমানার কোনও সীমা নাই
জানি; তবু তো থামতে হয় -
কবি তার এই কবিতার তাই
লাগামটা টেনে রয়...

পুবের গল্প শুনতে হলে
আমার দেশেই এসো
তোমাদের মনে এত ভালবাসা
আমায় একটু বেসো?
বাকী অংশ................৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত ২য় অংশে.............
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৩
৮৯টি মন্তব্য ৮৮টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:২৪

দুঃখ কষ্ট যশ খ্যাতির আর এক নাম চার্লি চ্যাপলিন...

চার্লি চ্যাপলিন। পৃথিবীর চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এমন মহান হৃদয়ের মানুষ আর আসেননি। স্বয়ং সত্যজিত রায়ের মতে- "পৃথিবীর চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বকালের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পূর্ণদৈর্ঘ্য মরিয়ম মান্নানের মা (ফান ফটো পোস্ট)

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৫৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় গত কয়েক দিন মরিয়ম মান্নান নামটি খুব দেখা গেছো। আজ তার একটি রফা হলো-


টানা ২৯ দিন আত্মগোপনে থাকা রহিমা বেগমকে অবশেষে ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙলা সাহিত্যের বহুমুখী অনন্য প্রতিভাধর সাহিত্যিক ' আবদুশ শাকুর'

লিখেছেন শেরজা তপন, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩৬


আবদুশ শাকুর
প্রথমে ইংরেজী সাহিত্যে মাস্টার্স করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী সাহিত্যের( প্রথমে ঢাকা কলেজ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েঃ ১৯৬৫-৬৭) শিক্ষকতা দিয়ে শুরু পরে পরে সিভিল সার্ভিসে যোগ দিয়ে সচিব হিসেবে অবসর নেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

'যৌন কর্মীর ছেলে'

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ১১:১০


আমার বয়সে যারা আছেন তারা এই বাক্যটির সাথে পরিচিত। বর্তমান তরুণ প্রজন্ম যে আসলেই প্রশ্নফাঁস জেনারেশন তা পোস্টটি পড়লে আরেকটু নিশ্চিত হওয়া যাবে সম্ভবত। স্টুডেন্ট লাইফে 'ব্যাচেরল' নামক একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অহনাকে যে গানটি অহরহ শোনাতাম

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৩৯

আমার ল্যাপটপ অন থাকা মানে অবিরাম গান বাজতে থাকা। গান বাজে ল্যাপটপে, গান ঝরে কণ্ঠে, একটা কনসার্টেড সুর-মূর্ছনার তালে তালে ল্যাপটপের বাটনগুলোর উপর অনবরত আমার আঙুলগুলো খেলতে থাকে।

অহনার সাথে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×