তো ব্যাপার হইছে যে গিয়া বিগ ব্যাং থিওরীর যে "স্মোলার দেন এন এটম" থেকে শুরু হইছে বলা হয়, আমার কথা হল এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরমাণুতে কিভাবে এত ভর আর এত অসীম উনিভার্স সীমাবদ্ধ থাকতে পারে?
মাগার এই প্রশ্নের উত্তর পাইলাম
এনার্জি ক্যান বি কনভার্টেট টু মেস
মেস ক্যান বি কনভার্টেট টু এনার্জি (পরে আইতাছি এই নিয়া)
তাইলে কথা যেটা দাড়াইল, ঐ বাচ্ছা পরমাণু বা ঈশ্বর কণা যাই হোক ঐ আন্ডাবাচ্চার ভিতর হিউজ পরিমাণ এনার্জি সঞ্চিত ছিল যা বিগ ব্যাঙ্গের পর মেস এ কনভার্টেট হয়।
এখন লেটেস্ট থিওরী বলে ম্যাটিরিয়ালের স্মলেস্ট কণিকা হল স্ট্রিং বা সুতা।
আর এই সুতারে ভাঙলে পাওয়া যায় এনার্জি।
সো পুরা উনিভার্সের যা কিছুই ভৌত-রাসায়নিক, ৃশ্য-অদৃশ্য মূলত সব কিছুই এ্নার্জি। মানে আমি আপনে সব কিছুই এনার্জি। এনার্জি আর ম্যাটিরিয়াল দুইটা দুই মেরুর জিনিস। একটা ভর আছে, আয়তন আছে, স্থান দখল করে আর এনার্জির ভর নাই, আয়তন নাই, স্থানও দখল করে না, কিন্তু একটা আরেকটায় কনভার্ট হতে পারে।
বহুত সাইন্সের কথা বইলা ফেলাম এইবার আসী হাদীস কোরানের কথায়।
জানি আজকের দুনিয়ার ধর্মের লগে সাইন্সের মিলান জোকিং। তয় আমার মতে এইডা খ্রিচ্চিয়ানিটি পর্যন্তই জোকিং, বাট ইসলাম ইজ সামথিং ডিফরেন্ট।
তো কোরানে আছে যে, আকাশ সমূহ আর জমিনসমূহ ওতপ্রোতভাবে( ওতপ্রোতের মানে বুইঝা লন) মিশীয়া ছিল। আমি এদেরকপৃথক করিলাম, অতঃপর প্রাণবন্ত সব কিছু সৃষ্টি করলাম পানি হইতে।
ভালা কথা, বিগ ব্যাঙ্গ আর জীবনের উৎপত্তি যে পানি থেকে এটার সাথে ইসলামের কোন বিরোধ নাই
আবার সেই কোরানেই আছে, আমি আকাশকে গুটিয়ে নিব দুমড়ানো কাগজের মত, তখন আকাশ হবে যাবে রক্তিমাভাভ গোলাপের মত। (সোপারনোভা কি জিনিস জানা থাকলে বুঝবেন লাল গোলাপী এইখানে আইল কেন) অতঃপর আমি পূনরায় উহা সৃষ্টি করিব যেরূপ করিয়াছিলাম পূর্বে। নিশ্চয় ইহা আমার অংগীকার।
তো এইখানে দেখা যায় সৃষ্টি জগতের এন্ডিং(হাদীসী ভাষায় কিয়ামত) নিয়ে একটু হিন্টস আছে, আর এইটা হইল বিগ ব্যাং ২ এর আগের চিত্র আর পরের চিত্র যা বিজ্ঞানের লেটেস্ট একটা থিওরী। নিউ থিওরী বলে হাবলের নীতিতে মহাবিশ্ব যেভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে এভাবে উনিভার্সের দুইটা এন্ডিং থাকতে পারে
ওয়ান ইজ, উনিভার্সের সব কনিকা (মানে বুইঝা লন গ্রহ নক্ষত্র) দূরে সরতে সরতে এমন অবস্থায় আসবে যে কণিকা সমূহের মাঝে আকর্ষণ শূণ্যে পরিণত হবে আর সব কিছু সেপারেট হয়ে উনিভার্সে বিচ্চিন্ন হয়ে যাবে
এনাদার ওয়ান ইজ, সব কিছু দূরে সরে যেতে যেতে আবার কেন্দ্রীয় শক্তির কারণের একটা বিন্দুতে একত্রিত হবে ( কোরনে এইটারে কইছে সব কিছু ধেয়ে চলছে একটা মঞ্জীলের দিকে), মাগার ব্যাপার হইছে গিয়া এই কেন্দ্রীয় শক্তি(মঞ্জিল) কোনখানে এইটা এখনো আধুনিক বিজ্ঞান নির্ণয় করতে পারে নাই।
আবার মহাবিশ্বকে সংকুচিত করার বিষয়ে কোরানে উল্লেখ আছে।
অতঃপর সব কিছু একটা বিন্দুতে পরিণত হলে সেই অসীম ভরের (মানে ইউনিভার্সের সব গ্রহ উপগ্রহের টোটাল ভর) গোলকের আকর্ষণ শক্তি এতই প্রকট হবে এগুলা সঙ্কুচিত হতে হতে আবার একটা অসীম ভর আর ঘণত্বের পরমাণুতে পরিণত হবে। (বোঝ মামা দুমড়ানো কাগজের মিনিং কিতা হইতে পারে)।
সো ব্যাপার এইডা না, আসল ঘটনা হইল ঐ পরমাণু থেকে আবার বিগ ব্যাং হবে (আধুনিক বিজ্ঞানের কথা আমার না) আর সেইম থিঙ্ক আছে কোরানে (আমি পূণরায় সৃষ্টি করব যেমন করিছিলাম প্রথমবার, ইহা আমার অংগীকার, আমার কথা না কোরানের)।
সো ব্যাপার কিন্তু এখনো আসে নাই, ব্যাপার যেটা হইল সেটা হল, সেকেন্ড টাইম বিগ ব্যাং হইয়া কি হবে?
হবে যে..........................................(গেস ডিউড গেস
ইসলাম ইজ সামথিং ডিফরেন্ট
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০১৩ সকাল ১০:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



