আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কখনই ইসলাম বিরোধী কিছু ছিল না। ইভেন সেসব মুক্তিযোদ্ধারা তৎকালীন সময়ে যুদ্ধ করেছিলেন তারাও ইসলাম বিদ্বেষী ছিলেন না। আমাদের যুদ্ধটা হয়েছিল কিছু উগ্র জাতীয়তাবাদী পাকিস্তানি সরকারের সাথে। ইসলামের সাথে না। এই সিম্পল কথাটা সবাইকে মাথায় রাখতে হবে।
আরো সিম্পল কথা হল যেসব সরকার বাঙলার মানুষদের অধিকার নিশ্চিত না করে পাকিস্তানিদের ডেভেলাপড করেছিল তারা কিন্তু একটাও ইসলামিক আদর্শে পরিচালিত কোন সরকার ছি্ল না। জেলারেল আইয়ুব হতে শুরু করে জুলফিকার আলী ভুট্টো, ইয়াহিয়া সব মাদারফাকার ছিল স্বৌরশাসক। তারা ছিল টোলেটারিয়ান ডিক্টেটর মানে একজনের আদেশে পুরো দেশ নীতিতে বিশ্বাসী যা ইসলামের শাসন ব্যবস্থার কোণ কীনারায়ো যায় না।
মানে ইন এ ওয়ার্ড তখনকার পাকি সরকার ছি্ল অনেকটা অসাম্প্রদায়িক সরকার, এখানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকলেও ইসলামের কোন কার্যত এপ্লাই ছিল না যেমন বর্তমানে হাসিনা খালেদার সরকার। আর তখনকার রাজনৌতিক পরিস্তিতির দিকে দেখলে সবাই দেখবেন ৪৭ এর পরে পাকিস্তানে স্ট্যাবল সরকার কেবল মাত্র আলী জিন্নাই ছিল। আলী জিন্নার আমলে দুই পাকিস্তানই সমান অধিকার ভোগ করেছে। তার চলে যাওয়ার পর আজ পর্যন্ত পাকিস্তানে কোন স্ট্যাবল সরকার আসে নি। পুরো রাজনৌতিক অবস্থা ছিল নাটকে নাটকে ভরপূর।
আমাদের যুদ্ধটা হয়েছিল কিছু মাফা সরকারের মাফাকিং শাসনের বিরুদ্ধে। ইসলামের বিরুদ্ধে না । এমনকি তখন যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিল তাদের অনেকেরই স্বপ্ন ছিল স্বাধীন শক্তিশালী সার্বভৌম মুসলিম রাষ্ট্র। কিন্তু আবার যুদ্ধ পরবর্তীকালীন আন্সট্যাবল সরকার শুরু হল বাংলাদেশে। এ অস্থায়ী সরকারের রদ বদলের সময়ে ইতিহাস তিল থেকে হয়ে গেল তাল। একটা দল জন্ম নিল জাতীয়তাবাদী শক্তি নিয়ে আরেকটা দল জন্ম নিল জিন্নার মুসলিম লীগ এর সন্তান আওয়ামীলীগ, যার নেতা কেবল তাদের দলকেই ঘোষণা দিলেন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শবাদী সরকার। আর পরিবর্তন করে দিলেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ।
হালে এসে এই আদর্শ চেইঞ্জ হইতে হইতে এমন অবস্থা যে মনে হয় ঐ সময় যারা যুদ্ধ করছিল সব ছিল নাস্তিক মুক্তমনা, তারা একটা নাস্তিকবাদী দেশ বানাইতেই ইসলামের ্বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। এরেই বলে ব্যবসারে ভাই ব্যবসা। আর আমাদের আবেগী তরুন রা এখন ইতিহাসের ই এর খবর রাখে না আসে শাহবাগে মোমবাত্তি জালাইতে। আরে এরাম ফ্রী বিনুদুন *ইদ্যা মুক্তিযুদ্ধ হয় নাই ভুদাই। আজকে আর টিভিতে দেখলাম শাহবাগ লাইভ দেখাচ্ছে হাতে গোনা ৩০ জনও অইখানে নাই আর যারা আছে সবার কাধে অফিস ব্যাগ মানে যাওয়ার পথে আগা মোটা গোরা চিকনের মলম বিক্রেতাদের কথা বার্তা মানুষ যেমনে শুনে তেমন আর কি।
কই গেল এখন তোদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। চেতনার ধারক হইলে আই মাঠে কলা দেখাই বাইত পাডাই দিতাম না একদাম।
এখন যারা কথায় কথায় ইসলামী আন্দোলন দেখলেই বলেন দেশটাকে আফগানিস্তান পাকিস্তান বানানোর পায়তারা করছে তাদের কাছে একটাই প্রশ্ন আফগানিস্তান পাকিস্তানে বর্তমানে যে পরিস্তিতি চলছে তার জন্যে দায়ী কে? ইসলাম নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র? আফগানিস্তান পাকিস্তানের পা চাটা সরকার গুলা আমেরিকার কথায় উঠা বসার কারণেই তো আজকে তাদের এই দশা, নাকি তারা ইসলামিক আদর্শে, নবী নীতিতে দেশ চালায় এমন ভরাডুবির মুখে পড়েছে? তাহলে আপনি দোষ দিবেন কারে? ইসলামী আন্দোলনের নাম শুনলেই কেন আপনি আফগানিস্তান পাকিস্তানের উদাহরণ দেখাবেন? কেন আপনি উদাহরণ দেখাতে পারেন না রেনেসার? কেন আপনি উদাহরন দেখাতে পারেন না চার খলিফার শাসনামলের সময়কার? তখন তো মন্দির মসজিদ গির্জাইয় সবাই যার যার ধর্ম সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় মনের মত পালন করতে পারত। তাহলে ইসলামী সরকার ব্যবস্থা বললেই কেন আপনি সাম্প্রদায়িকতা বলে উঠবেন। বরং আপনার এইটা বলা উচিত দুনিয়ায় যদি কোন আসল অসাম্প্রদায়িক শাসন ব্যবস্থা ছিল তা ছিল একমাত্র খিলাফত আমলেই।
আবার সেদিন কলাবাগান এক পোষ্ট দিল (যদিও সে নিজেরে তারপরও মুসলিম দাবী করে), গনতন্ত্র না খলিফাতন্ত্র , সে জানেও না খিলাফত কি পোষ্টাই দিল সামুতে। শালার বালছাল
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



