কাশ্মীর, ফিলিস্তিন, বসনিয়া, চেচনিয়া
ও মরো মুসলমানদের ন্যায় আরাকানের
মুসলমানরাও মজলুম মুসলমান।
ধর্মনিরপেক্ষতা ও প্রগতির বুলি আওড়ানো
হিন্দু-ইহুদী, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী
কর্তৃক এসব মসুলমানরা শুধমুাত্র ধর্মীয়
কারণেই যুগ যুগ ধরে নির্যাতনে নিঃশেষ
হতে চলেছে। স্বতন্ত্র মুসলিম
জাতিসত্ত্বার কারণেই এরা আজ
নির্যাতিত, নিপীড়িত, উদ্বাস্তু এবং
নিজদেশে পরবাসী হিসেবে জুলুমের
শিকার হচ্ছে। আমরা যারা ইসলামে
বিশ্বাসী অথবা যারা বিশ্বাসে মসুলিম
হয়েও কর্মে মুসলিম বিদ্বেষী তাদেরও দায়
রয়েছে এসব নির্যাতিত মুসলমানদের
সহযোগিতা করা। কেননা এসব দেশের
ঈমানদার মসুলমানদের সাথে
নামকাওয়াস্তে মসুলমান বা তথাকথিত
ধর্মনিরপেক্ষ ইসলাম বিদ্বেষী মসুলমানরাও
বিধর্মীদের নির্যাতন থেকে রেহাই পাচ্ছে
না। তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল
মুসলমান(!) হওয়া সত্ত্বেও ইয়াসির
আরাফাতকে জীবন দিতে হয়েছে স্লো
পয়ঃজনিংয়ের দ্বারা, সাদ্দাম হোসেন ও
ময়ুাম্মার গাদ্দাফিকে ও লাঞ্ছনার
মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে এবং বামপন্থী
কমিউনিস্টি বাশার-আল আসাদকেও মৃত্যু
গহ্বরের দিকে নিয়ে যাচ্ছে প্রগতিশীল
নামক বিধর্মী ক্রুসেডাররা। উপরোক্ত
নির্যাতিত মুসলমানদের মধ্যে সবচেয়ে
দর্ভুাগ্যবান হলো বার্মার মুসলমানরা।
কেননা অন্যদের নাগরিকত্বের পরিচয় আছে
কিন্তু রোহিঙ্গা মুসলমানরা হাজার বছর
ধরে আরাকানে বাস করে ও সেদেশের
নাগরিক হিসেবে স্বীকতৃ নয়। তারা এখন
বিশ্বের দেশে দেশে এবং নিজদেশে
নাগরিকত্বহীন, নাগরিক অধিকারবিহীন
উদ্বাস্তুর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।
আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুন, এবং
আমাদেরকে তাদের সহযোগিতা করার
তাওফিক দান করুন।আমিন ছুম্মা আমিন
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে নভেম্বর, ২০১৬ ভোর ৬:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



