বাংলাদেশ
বার্মার রোহিঙ্গা মুসলমানের
কান্নায় পৃথিবীর আকাশ ভারী হয়ে
উঠছে। মুসলিম নারী-পুরুষ ও শিশুরা
বাচাঁও বাচাঁও বলে আর্তচিৎকার করছে।
মায়ানমারের বর্বর সরকার তাদের উপর
নির্যাতনের স্টীম রোলার চালাচ্ছে।
হত্যা করছে অসংখ্য নিষ্পাপ শিশু,
যুবক, বৃদ্ধাদেরকে। ধর্ষণ করে কলঙ্কিত
করছে অসংখ্য মা-বোনদের। বিধবা
করছে হাজারো নারীদের।
সন্তানহারা করছে অসংখ্য মাকে।
স্বামীহারা করছে অসংখ্য স্ত্রীকে।
ভাইহারা করছে অসংখ্য বোনকে।
রোহিঙ্গা মুসলমানদের আহাজারীতে
পৃথিবীর আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হয়ে
উঠছে। বিশ্ব মুসলমানদের সহযোগীতা
ও ভ্রাতৃত্বের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত
সংস্থা ও.আই.সি নিশ্চুপ। নিশ্চুপ
জাতিসংঘ । কাগজে কলমে দুএকটা
বিবৃতি দিলেও তা আমলে নিচ্ছে না
মায়ানমারের বর্বর সরকার । গণহত্যা,
ধর্ষণ, নির্যাতনের শিকার
বাড়িঘর জ্বালিয়ে
দেয়া হচ্ছে এবং বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ
করা হচ্ছে। এভাবে তাদের
মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। নিজ
দেশে থাকতে না পেরে তারা বাঁচার
আশায় বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও
ইন্দোনেশিয়ায় সমুদ্র পথে নৌযানে
পাড়ি জমাচ্ছে। নৌযান ডুবে তারা
সাগরের পানিতে ভাসছে ও ডুবে
মরছে। সাগরে ভাসতে ভাসতে শুধু
রোহিঙ্গা মুসলমান মরছে না,
মানবতারও মৃত্যু হচ্ছে। তাদের
বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসা সকলের
মানবিক দায়িত্ব।
মুসলিম জনগণের ওপর সামরিক শক্তি
নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে, অমানবিক এবং
অবৈধ, নৃশংস হত্যাকান্ডের মাধ্যমে
মুসলমান শুন্য করার খেলায় মেতে
উঠেছে মায়ান্মার। নিরীহ রোহিঙ্গা
মুসলমানদের ওপর এ নৃশংস বর্বরতার
নিন্দা জানানোর ভাষা অভিধানে
আজ পরাজিত! রোহিঙ্গাদের ওপর
নির্মম নির্যাতন এটা পরিষ্কার করে
দিয়েছে যে গোটা বিশ্বের অমুসলিম
শক্তি আজ মুসলমানদের বিরুদ্ধে
ঐক্যবদ্ধ। মানবিক সংস্থাগুলো এখনও
নিশ্চুপ! রোহিঙ্গা মুসলমানদের কিই
বা দোষ ছিল, যার কারণে তারা আজ
নির্মম-জুলুম নির্যাতন ভোগ করতে
হচ্ছে? কারণ একটাই ওরা যে মুসলমান।
ধর্মীয় পার্থক্য ও বৈপরিত্যের কারণেই
রোহিঙ্গাদের উপর মায়ানমারের
সামরিক জান্তা, প্রশাসন ও বৌদ্ধ
এবং সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠিরা তাদের
উপর সীমাহীন জুলুম চালাচ্ছে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে রোহিঙ্গারা
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভাগ্যাহত
জনগোষ্ঠি। শত শত বছর ধরে তারা
নির্যাতিত ও নিপিড়ীত হচ্ছে।
নির্যাতনের চিত্রগুলো বিশ্বমিডিয়ায়
প্রকাশ পেয়েছে। রোহিঙ্গাদের
বিভৎস চেহারাগুলো দেখে কার চোঁখ
না অশ্রুসিক্ত হবে? চোখের সামনে
ভাই-বোন, মা-বাপ, ছেলে-মেয়েদের
যদি আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে, শরীরের
উপর কামান তুলে মাথার মগজ বের করে
ফেলে, চোঁখের সামনে তাজাদেহ
দ্বিখন্ডিত করে ফেলে তখন কেমন
লাগবে? বার্মার মুসলমানদের সাথে
তাই করা হচ্ছে! জাতিসঙ্ঘ রোহিঙ্গা
সম্প্রদায়কে বিশ্বের সবচেয়ে বর্বর
নির্যাতনের শিকার জনগোষ্ঠী
হিসেবে অভিহিত করেছ।
হায় আল্লাহ তুমি সকল নির্যাতিত মুসলিমদের কে হেফাজত কর, আমিন, ছুম্মা আমিন।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে নভেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



