ধরা যাক, মায়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক অমানবিক নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গাদের জন্য বর্ডার খুলে দেওয়া হলো। কাগজ-কলমের হিসাব অনুযায়ী ১১ লাখ রোহিঙ্গা আর বাচ্চাকাচ্চা ও নাবালক ছেলে-মেয়ে সহ মোট ১৫ লাখেরও বেশী এদেশে ঢুকে পড়লো। এখন প্রশ্ন হলো - এই ১৫ লাখ মানুষ কোথায় থাকবে, কোথায় ঘুমাবে, কি খাবে? বর্ডার খুলে দাও বলে চিৎকার করার আগে তা ই ভাবুন! আর কক্সবাজার অঞ্চলে যদি কারও পরিচিত পুলিশ বা প্রশাসনের উচ্চ স্তরের কর্মকর্তার সাথে পরিচয় থাকে তবে তাকে জিজ্ঞেস করেন রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে। এই অঞ্চলের সব অপকর্মের মূল ভূমিকায় রোহিঙ্গারা, যারা চামে-চিকনে এইখানে বসবাস করে। আবদুর রহমান বদির নাম শুনেছেন? উখিয়া-টেকনাফের সংসদ সদস্য, বদি'র কথা বলছি। সে কয়েক হাজার রোহিঙ্গাদের তার এলাকায় আশ্রয় ও নাগরিকত্ব দিয়ে অলরেডি ঐ এলাকার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। ইয়াবা ব্যবসা, চোরাচালান, খুন, নাশকতা সব কিছুতেই রোহিঙ্গারা দুই পা এগিয়ে। রামু বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার কথা মনে আছে? সেই হামলায় ও নাশকতায় রোহিঙ্গা ভাইদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তাই বর্ডার খোলার প্রস্তাব দেওয়ার আগে আপনাকে-আমাকে আগে নিজেদের কথা ভাবতে হবে। মানবতা দেখাতে গিয়ে নিজেদের ধ্বংসের মুখে ফেলে দেওয়া অর্থহীন।
রোহিজ্ঞা নিয়ে আজ আমরা খুবই ব্যথিত। এরা কি চির জীবন এমন ভাবে বেচে থাকবে? এর মধ্যেই কিছু তথাকথিত প্রীতিভাজনেষু ব্যক্তিরা গুজব-ভুয়া কথা বলায় ব্যস্ত। ওরা আজ চিনের এতই ভক্ত যে এই সর্ব বৃহৎ নাস্তিক দেশটাকে আজ তারা আস্তিকে পরিণত করছে। এদের সামান্য ধারনাও নেই মিয়ানমারের কোন দিকটা উত্তর এবং কোন দিকটা দক্ষিন।সুতরাং বুঝাই যায় কেন এই দেশে গুজব- ভুয়া কথা ছড়িয়ে এতও দাঙ্গা-হাঙ্গামা করা সম্ভব।অনুরোধ রইল, এদের থেকে দূরে থাকুন...
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




