একজন সাধারণ মানুষ যখন খুন করে, বা খুন করার চেষ্টা করে তখন রাষ্ট্রীয় দন্ড বিধি অনুযায়ী সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ১০ বছর জেল দেয়া হয়। খুব চাঞ্চল্যকর মামলা না হলে বা বহু খুনের আসামী না হলে 'মৃত্যুদণ্ড' দেয়া হয় না। এটা শুধু রাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের জন্য প্রযোজ্য। তবে আমি আমি রাষ্ট্রীয় বাহিনী গুলোকে এই সাধারণ মানুষের কাতারে ফেলতে রাজী নই। এরা প্রচন্ড মাত্রায় 'অসাধারণ'..........!
একজন পুলিশকে রাস্ট্র যথাযথ প্রশিক্ষণ, ভরন পোষণ, বাসস্থান, চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে তবেই তার হাতে তুলে দেয় অস্ত্র। জনগণ ও রাষ্ট্র আশা করে যেহেতু জনগণ (এমনকি গরিব কৃষক, মেথর, ফকির) তাদের সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছে, সেহেতু তারা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করবে।
কিন্তু ইদানীং আমাদের পুলিশের মাথায় কি আছে আল্লাহ জানে, সরকারের বন্দুক দিয়ে যাকে ইচ্ছে তাকেই গুলি করছে। বাদ যাচ্ছে না- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র আব্দুল কাদের, বা ঝুট ব্যবসায়ী সুজন, কিংবা সর্বশেষ পুলিশের গাড়িচালক শাহ আলম।
যদি একজন সাধারণ মানুষের জন্য হত্যা বা হত্যা চেষ্টার অভিযোগে ৭ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শাস্তি হয়, তবে একজন পুলিশের ক্ষেত্রে তা অবশ্যই এবং অবশ্যই মৃত্যুদণ্ড করতে হবে। মৃত্যুদণ্ডই হবে এর জন্য যথোপযুক্ত শাস্তি।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেছেন- "আইন- শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মানসিক পরীক্ষা করতে হবে'।
স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই- পাগলের ডাক্তার দেখান, বা ফাঁসি দিয়ে জঞ্জাল সরান; তা আপনাদের ব্যাপার। কিন্তু এমনটা এমনটা ঘটতে দেয়া যাবে না..................
লাল সালাম..........................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



