নানান কারণে মানুষ গুম হয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ব্যক্তিগত বিরোধ অন্যতম কারণ। ইদানীং একটা ট্রেন্ড চালু হয়েছে আত্মগোপন। গতবছর ত্বহা হুজুরের আত্মগোপন মিডিয়ায় সাড়া ফেলেছিল। এক বউয়ের জ্বালায় অন্য বউয়ের কাছে গেছিলেন। ২য় বউ জানত না ওনি একাধিক বিয়ে করেছেন। বেচারি জামা্ইয়ের চিন্তায় দিশেহারা। সংবাদ সম্মেলেন করছেন। যাহোক, একসময় মিডিয়ায় ফাঁস হয় ত্বহা আত্মগোপনে ছিলেন।
কয়েকদিন আগে ৬ হুজুর গুম। শেষে দেখা গেল তারা হিজরত করতে গেছিল। শেষে পুলিশের কাছে ধরা।
অতি সম্প্রতি রহিমা খাতুন নামে এক মহিলা নিরুদ্দেশ। তার মেয়ে সম্মেলেন করছে। প্রশাসনকে বলছে তার মাকে দিতে। তার কান্নায় জাতি বিহ্বল।
ময়মনসিংহে এক মহিলার লাশ পাওয়া গেল। মরিয়ম জানাল এটা তার মায়ের লাশ। সে তার লাশ কাপড় দেখে চিনেছে। সে না কি তার মায়ের ছায়াও চেনে। ও দিকে পুলিশ বলছে মরিয়মের মায়ের আর এই লাশের বয়সের ব্যবধান ২০।
দাফন শেষ। হঠাৎ মরিয়মের মা রহিমাকে ফরিদপুরে পাওয়া গেল। আত্মগোপনে ছিলেন। হয়ত পারিবারিক সমস্যা। তা থাকুক। কিন্তু মানুষের আবেগ নিয়ে খেলার মানে কী? আর যাকে দাফন করা হলো সেই বা কে?
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৩ সকাল ৯:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


