somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেনাবাহিনীর কর্তৃত্ব একটা দেশকে কোনদিকে নেয়!

১২ ই মে, ২০২৩ সকাল ৯:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ভারত বাদে উপমহাদেশের বাকি দু'টি দেশ, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে সেনাবাহিনী বরাবরই কর্তৃত্বস্থানীয় অবস্থানে ছিল। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হঠকারিতায় বিজয়ী দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে পূর্ববঙ্গ বা পূর্বপাকিস্তানে সেনা অভিযান। ফলাফল: পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ। স্বাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তান ফেরত সেনা অফিসার, মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারদের মধ্যে বিরোধ। রক্তারক্তি। দু'জন রাষ্ট্রপতিও হত্যা। তারপরও বহুদিন সেনা শাসন।

এখনও সেনাবাহিনীর আশীর্বাদপুষ্ট দু'টি রাজনৈতিক দল সক্রিয়। দেখা যাচ্ছে, দেশের মানুষও সেনাশাসন খুব একটা অপছন্দ করে না। সেনাবাহিনীর প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন। এটা কি উপনিবেশিক গোলামির অভ্যস্ততা?

পাকিস্তান বিভক্ত হওয়ার পরও সেদেশের সেনাবাহিনীর কর্তৃত্ব খর্ব হয়নি। তারা গায়ের জোরে সব সমস্যার সমাধান করতে চায়। এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলই ক্ষমতা শেষ করে যেতে পারেনি। সেনাবাহিনীর বিরাগভাজন যারা হয়েছে, তাদের কঠোর পরিণতি বয়ে বেড়াতে হয়েছে। জুলফিকার আলী ভুট্টো থেকে শুরু করে হালের ইমরান খান। পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে সেদেশের জনগণেরও।

বলা হয়, সেনাবাহিনীর কাঁধে সওয়ার হয়ে ইমরান খান ক্ষমতায় এসেছিলেন। সেনাবাহিনীর মনমর্জিমতো না থাকায় ধাক্কা খেতে হয়েছে। আবদুল কাদির ট্রাস্ট মামলায় আদালত প্রাঙ্গন থেকে 'অপমানজনকভাবে' গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। যদিও দেশটির আদালত তাকে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। তার মামলাটি অবৈধ ঘোষণা করেছেন।

ইতিমধ্যে পাকিস্তানে হট্টগোল শুরু হয়েছে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জনগণের। গুলিতে ১০ জনের ওপর নিহত হয়েছেন।

পাকিস্তানের মতো একটা অতি রক্ষণশীল দেশে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত ইমরানের টিকে থাকা জরুরি ছিল। কিন্তু সেনাবাহিনীর বিরাগভাজন হয়ে সেটা তো মোটেই সম্ভব নয়। পাকিস্তানের জনগণ নিশ্চয়ই বুঝতে পারছে সেনাবাহিনীর কর্তৃত্বাধীন রাষ্ট্র কত দুর্বহ।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০২৩ সকাল ১১:০৭
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হারানো আকাশে আমার ক্যানভাসে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫

হারানো আকাশে আমার ক্যানভাসে
.........................................................................



সেই জগতে আমার ছিলো আঁকিবুকি চকখড়িতে,
মন ভেসে যেত মেঘের ভেলায় সোনালী সেই দিনগুলিতে।
একটা সকাল, একটা বিকেল গোল্লাছুটের ধুলোবালি,
চিবুড়ি আর লুকোচুরি খেলা, স্মৃতির পাতা নয়কো খালি।

সুনীল... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুটি হাসিখুশি গল্প: ফাজিল কানাডিয়ান ও মহা সিরিয়াস কানাডিয়ান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৩


হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্প ছিল তাদের মাকে নিয়ে। তাদের মেঝ ভাই জাফর ইকবাল তখন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে থাকেন। তাদের মা ছেলের কাছে বেড়াতে গিয়েছেন। বিকেলে তিনি একা একা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রশ্নের আগুন যুক্তির মহাযাত্রা :প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য ২য় পর্ব ।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:০৮


আদিতে ছিল প্রশ্ন
অন্ধকার আকাশের তলে দাঁড়িয়ে মানুষ
চেয়ে দেখেছিল নক্ষত্রের দিকে
মনে তার জেগেছিল বিস্ময়
কে জ্বালালো এই দীপ
কেন ঘোরে পৃথিবী, কেন নামে বৃষ্টি
কেন জন্ম, কেন মৃত্যু
কেন এই অনন্ত চলা?
উত্তর ছিল না হাতে
ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাফপ্যান্ট ফুলপ্যান্টের দেশে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:২৮


বাংলাদেশে যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখতে ভালোবাসেন, তারা সাধারণত খুব নিরীহ বিষয় পছন্দ করেন। এর একটা কারণও আছে। বেশিরভাগ মানুষই অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে চলতে চান। এমন কোনো বিষয় নিয়ে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×