হায়দরাবাদের শহর থেকে ১৮০ কিলোমিটার দুরে অবস্তিত মাহবুব নগর জেলায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।
শিশুটিকে এভাবে জীবন্ত কবর দেয়ার প্রচেষ্টায় তার জন্মদাত্রী মায়েরও সম্মতি ছিল। নবজাতক শিশুটির মাতা মহ পুলিশকে বলেছেন, তার পরিবারে ইতিমধ্যেই সাতটি কন্যা রয়েছে। পণ প্রথা ও আনুষাঙ্গিক খরচের জন্য এদের মধ্যে পাঁচ জনের এখনো বিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি পরিবারের জন্য কলঙ্ক জনক বলে সমাজে চিহ্নিত হয়েছে। তাই তার পরিবার আরো একটি কন্যা সন্তানকে বোঝা স্বরূপ মনে করে তাকে জীবন্ত প্রোথিত করার সিদ্ধন্ত নিয়েছে।
ভারতের তামিলানাডু, অন্ধ্রপ্রদেশে,রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, এমন কি বিহারেও হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু গোষ্ঠীর মধ্যে শুধু শিশুকন্যা ভ্রুণ নয়, নবজাতক কন্যা শিশুকে ও হত্যার প্রথা রয়েছে।
অনেক স্থানে প্রতি থানাতেই সরকার কন্যা শিশুদের হত্যা না করে বিশেষ ভাবে নির্মিত ঘরের মধ্যে স্থাপিত দোলনায় শিশুকে রেখে আসার আবেদন জানিয়েছেন।
১৪০০ বছর আগে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ইসলামের আলো দিয়ে এই বর্বর কাজ গুলো দুর করেছেন।
===============================
কৌশিক ভাই, আমি মাওলানা বা কোন ইসলামিক আলেম নই। তার পরও যাহা জানি তাহা বলার চেষ্টা করছি।
স্বামীর কাছ থেকে পাচ্ছে সে জন্য অর্ধেক করা হলো পিতার সম্পদের।
আপনি বলেছেন, স্বামীর ভাগ পাবে মৃত্যুর পরে।
আপনি বলুন, পিতার ভাগ কখন পাওয়া হয়?
পিতা যদি মৃত্যুর আগে ভাগ করে দেন, তাহলে ঐ খানে একজন স্বামীও ভাগ করে দেন।
একজন পিতা ও একজন স্বামী।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ ১৪০০ বছর আগেই বিয়ের সময় নারীকে সম্মানী হিসেবে মোহরানা দেয়ার নির্দেশ দান করেছেন।
পুরুষের কোন কোন কাজ বা দায়িত্ব, নারীকে দেয়া হয়নি। নারী সে গুলো পারবেনা।
ঠিক একই ভাবে , নারীর কোন কোন কাজ বা দায়িত্ব, পুরুষকে দেয়া হয়নি, কারন পুরুষ সে গুলো পারবেনা।
একজন নারীর পক্ষে যেমন সন্তান সম্ভবা অবস্তায় সৈনিক হওয়া সম্ভব নয়।
ঠিক একজন পুরুষের ও সম্ভব নয় সন্তান সম্ভবা হওয়ার।
মহান আল্লাহ মানব জাতীকে নর ও নারী রূপে সৃষ্টি করেছেন। তারা একে অপরের সহায়ক,পরিপূরক এবং একে অন্যের ওপর নির্ভরশীলও বটে। তাই আল্লাহ কুরআনপাকে বলেন, "তোমরা তাদের ভূষণ এবং তারাও তোমাদের ভূষণ" (সুরা বাকারাহ ২৮৭)
কুরআনপাক আরো বলেন, তোমরা নারীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করো, কেন না, তারা তোমাদের মা, বোন,স্ত্রী,ও কন্যা। এবং কুরআনে আল্লাহপাক স্পষ্টই বলেছেন, " মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারী একে অপরের বন্ধু" ( সুরা তাওবাহ ৭১)
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যাক্তিই উত্তম, যে তার স্ত্রীর সাথে উত্তম ব্যবহার করে। এখানে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, দাম্পত্য জীবন চলবে প্রম ভালোবাসার ভিত্তিতে। নারীর সম্মান,মর্যাদা ও অধিকার দিয়েছে একমাত্র ইসলাম বললে তেমন ভুল হবেনা।
নারীর দুঃখ ব্যথায় ব্যথিত হয়ে, আরব সমাজের নির্যাতিত ও নিপীড়িত নারীদের পা থেকে পরাধীনতার শিকলটাকে ভেঙে দিয়ে তাদের মুক্ত করেছেন ইসলাম।
যে কন্যা শিশুকে অকালে প্রান হারাতে হতো, তাদের কে বেছে থাকার ক্ষমতা দিয়েছেন ইসলাম।
যাহা ইসলাম চর্চা না করার কারনে, বর্ত্তমানে আমাদের পাশের দেশেও দেখা যায়।
একজন নারী, মাতা, কন্যা, স্ত্রী, ভগ্নী ও বন্ধু হিসেবে ইসলাম দিয়েছে অধীকার ও সম্মান।
দিয়েছেন শিক্ষা গ্রহনে,ধর্ম পালনে ও সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধীনতা।
একজন "মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেস্ত"
এর পর নারী পুরুষ অধীকার নিয়ে বিতর্ক করার কোন মানে নেই।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


