এরই মাঝে কয়েকজন ব্লগার মিলে তার যাওয়া নিয়ে নয়ে তুলকালাম কান্ড বাঁধাবে বলে যে আশা করেছিলেন সেরকম কিছু না হওয়ায় তার মেজাজটা আরো খিঁচে গেল। তিনি যে একজন একনিষ্ঠ ব্লগার এটা প্রমান করার জন্য তিনি কত কিছু করেছেন। যেখানেই মন্তব্য করেছেন সেখানেই তার নিজের ব্লগের এডও করেছেন। আর এটাই তার জীবন এখন দুর্বিষহ করে তুলেছে।
তিনি মেইল চেক করার জন্য লিখলেন mail.yahoo.com। মনে তার গোপন আশা কোন ব্লগার যদি তাকে ব্যক্তিগতভাবে মেইল করে থাকেন। কিন্তু একি এটা কোন পেজ খুলে গেল। এটাতো দেখি somewhereinblog.com. হায় হায় তিনি এটা ছাড়া অন্য কিছু চিন্তা করতে পারছেন না।
বাড়ির পাওয়ার সুইচ অফ করে দিলেন (পিসিই অন হবে না)। আর মনকে সান্তনা দিলেন এই বলে যে, লোডশেডিং। সরকারকে গালাগালি দিলেন। বিদ্যুত অফিস ভাংচুর কিভাবে করবেন তার পরিকল্পনা করলেন কিছুন। সময়তো গেল। টাইম পাস আর কি।
দুর্বিষহ গরমে আর কতন থাক যায়। পাওয়ার সুইচ অন করে ফ্যান ছেড়ে তিনি বিছানায় শুয়ে ভাবতে লাগলেন। আকাশ পাতাল অনেক কিছুই চিন্তা করলেন। একসময় তিনি লক্ষ করলেন যে, তিনি আগামী পোস্টের বিষয় কি হবে তা ভাবছেন। মহা ঝামেলা তো।
মনকে শান্ত করার জন্য তিনি গান শুনতে লাগলেন। ঝাকি মারা গান যাতে গানের মাঝে অন্য কিছু চিন্তা করা যায় না। তখন হায়দার হোসেন গাইতে লাগল,
ফাইস্যা গেছি/ও আমি ফাইস্যা গেছি/ আমি ফাইস্যা গেছি মাইনকার চিপায়/
আমারও দিলের চোট বুজেনা কুন হালায়/ ও আমারও দিলের চোট বুজেনা কুন হালায়/
ফাইস্যা গেছি........................................।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


