somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট : ২০২৬ ইং ।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট : ২০২৬ ইং
(বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে স্হানীয় পর্যবেক্ষণ)




আমরা সবাই অনেক উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা নিয়ে আগত নির্বাচন নিয়ে উন্মুখ হয়ে আছি,
প্রতিটি মর্হুতে বিভিন্ন ফ্যাক্টর নির্বাচনী প্রেডিকসন বদলে দিচ্ছে , প্রচার অপপ্রচার, অভিযোগ
এবং সংঘর্ষ সবাই অস্হিরতার মধ্যে নিয়ে যাচ্ছে, এদিকে নির্বাচনী দল সমূহের মধ্যে
একটি ডানপন্থী দল ও অপরটি মধ্যপন্থী দলের মধ্য প্রতিযোগিতা প্রতিদিনই তীব্র হচ্ছে । এই প্রজন্মর
প্রদর্শিত আশাবাদ হঠাৎ করে বিলীন হবার কারনে অনেকেই হতাশ হয়েছে ।



দেশ একটি আধুনিক প্রজন্মর , উন্নতভাবনার মধ্যদিয়ে দেশ এগিয়ে যাবে এমন আশাভঙ্গ হবার পর
অনেকে বলছেন ৪/৫ দিন ছুটি পাচ্ছি , সুতরাং বাড়ী চলে যাবো, অর্থাৎ বর্তমান পরিস্হিতির কারনে
জনগণের একটি অংশ ভোটের দ্বায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয়তা বোধ করছেনা । এছাড়াও আওয়ামী লীগের একটি
বড় অংশ ভোটে আসবেনা বলে ঘোষনা করেছে , ফলে রাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার বড় একটি ভাগ ভোট প্রদানে বিরত থাকছে।



বর্তমান ভোটের তথ্য :

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ,নিবন্ধনকৃত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দলকে ভোটে অংশগ্রহন করতে পারছে।
প্রার্থিত প্রত্যাহারের পর ২৯৮ আসনে সব মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন ১৯৮১ জন প্রার্থী।
তাদের মধ্যে ১৭৩২ জন দলীয় মার্কা নিয়ে লড়বেন, আর ২৪৯ জন স্বতন্ত্র।
স্হগিত আসন পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা যোগ হবে ২৭ জানুয়ারির পর।
একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারনে শেরপুর-৩ আসনের ভোট বন্ধ থাকবে ।



* বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সর্বোচ্চ : ২৮৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, দলটির প্রার্থী সংখ্যা : ২৫৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ........ : ২২৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে ......................... . : ১৯২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকে ..................... : ৯০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ....... ................... : ৬৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকে ......................... : ৩২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পাটি) ঈগল প্রতীকে : ৩০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি ছাতা প্রতীকে : ১২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* জাতীয় পার্টি জেপি ..........বাইসাইকেল প্রতীকে : ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
* স্বতন্ত্রভাবে বিভিন্ন প্রতীকে ......................... ... : ২৪৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

এছাড়াও আরও অনেক দল আছে যাদের কোন নাম-ধাম জনসাধারন জানেনা তাই লিষ্টে আনার প্রয়োজন
বোধ করিনা , তবে সেই সব দল থেকে কেউ যদি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দতিার মধ্যে আসে, তা উল্লেখ করব ।



এবার আসুন ভোটের কিছু হিসাব নিকাশ করি :

যেহেতু একটি বড় দল এই খেলায় নাই, তাই ভোটের হিসাব অনেক ওলট পালট হতে বাধ্য,
এই প্রেক্ষিতে অনেক থিওরী ঘোরপাক খাচ্ছে, তবে তারেক রহমানের নির্বাচণী ঝড় এবং
পাশাপাশি সরকারের প্রচ্ছন্ন সহায়তা নির্বাচনের ভোট ব্যাংক ইঙ্গিত বহন করছে ।
বাস্তব উপলব্ধি হলো যে, ক্ষমতায় গিয়ে , দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে বা দলের তৃণমূলের
কথা না শুনলে বিগত পতিত সরকারের অবস্হা বরন করতে হবে ।
এমতাবস্হায় নির্বাচনী ফলাফলে কি রেজাল্ট আসবে তা বলা অত্যন্ত দূরহ ব্যাপার তবে চলমান
পরিস্হিতিতে কিছু বিবেচনায় আনা যায় ।



বিভিন্ন সার্ভে ও আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় :

১। বি.এন.পি ..... ..................: প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে : ১৬০ থেকে ১৮০ জন ।
২। জামাতে ইসলামী বাংলাদেশ : প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে .........: ৫৫ থেকে ৭৫ জন ।
৩। জাতীয় পার্টি ....: প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে ..........................: ১৫ থেকে ২০ জন ।
৪। এন.সি. পি.......: প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে ..........................: ০৩ থেকে ০৫ জন ।
৫। গণঅধিকার পরিষদ : প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে ....................: ০১ থেকে ০৩ জন ।
৬। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ : প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে ..... : ০১ থেকে ০৩ জন ।
৭। আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পাটি) : প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে : ০১ থেকে ০২ জন ।
৮। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কাস্তে প্রতীক :প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্য হতে পারে : ০১ থেকে ০২ জন ।
৯। স্বতন্ত্রভাবে বিভিন্ন প্রতীকে সদস্য......: প্রাপ্ত সংসদীয় সদস্যর সংখ্যা হতে পারে : ৩০ থেকে ৪৫ জন ।
....................................................................................................................................
এই আলোচনায় ১০% সংসদীয় সদস্যর ৩০টি পদ নানান আপসেট এর মাঝে আসতে পারে ।

এবারের ভোটে : সর্বমোট ভোটার 127,711,793
পুরুষ ভোটার : ৬ কোটি ৪৮,১৪,৯০৭ জন
নারী ভোটার : ৬ কোটি ২৮,৭৯,০৪২ জন
নুতন ভোটার হয়েছেন : ৪৫ লক্ষ প্রায়
মৃত ভোটার বাদ পড়েছে : ২১ লক্ষ অধিক
মোট ভোট কেন্দ্র : ৪২,৬১৮ টি
ঝুকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্র : ৮৭৭০ টি
নির্বাচন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন : ৭৮৫,২২৫ জন ।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন : ৫০,৪৫৪ জন জাতীয় এবং ৫০০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ।


ডাক ভোটে অংশগ্রহণ (মূল পরিসংখ্যান)
মোট নিবন্ধিত : পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপ ব্যবহার করার জন্য ১.৫২ মিলিয়নেরও বেশি ভোটার
(প্রবাসী এবং দেশীয় উভয়) নিবন্ধিত হয়েছেন ।
ব্যালট প্রাপ্তি : আজ দুপুর ২:০০ টা পর্যন্ত, প্রায় ৬,৫০,০০০ পোস্টাল ব্যালট রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পৌঁছেছে।
দেশ-বিদেশের (ICPV) : দেশের ভেতর থেকে প্রায় ৬,৪৮,০০০ পোস্টাল ব্যালট গৃহীত হয়েছে।
প্রবাসী (OCV) : প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেওয়া ৪,৯৮,০০০ এরও বেশি ভোটার এখন পর্যন্ত দেশে পৌঁছেছে।


১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট আজ, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।
শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।দেশব্যাপী নিরাপত্তা মোতায়েন
মোট কর্মী : সারা দেশে প্রায় ৯,০০,০০০ নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ বাহিনী : ১,৮৭,৬০৩ জন পুলিশ কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি "নিরাপত্তা বলয়" দেশব্যাপী সক্রিয় রয়েছে।
বিশেষায়িত বাহিনী :
আনসার ভিডিপি : প্রায় ৫,৫০,০০০ কর্মী নির্বাচনী সরবরাহ ব্যবস্থাপনা করছেন, যাদের অনেকেই বডি ক্যামেরা দিয়ে সজ্জিত।
বিজিবি ও কোস্টগার্ড : ৩৫,০০০ এরও বেশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সদস্য এবং কয়েক হাজার নৌ/কোস্টগার্ড
সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
র‍্যাব ও সেনাবাহিনী : প্রায় ৮,০০০ র‍্যাব সদস্য এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সহায়ক এবং আক্রমণাত্মক ভূমিকায় নিয়োজিত।
গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা
উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র : উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত কেন্দ্রগুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা এবং শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।
নজরদারি : দেশব্যাপী প্রায় ৯০% ভোটকেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয় ।
ঢাকায় উপস্থিতি : রাজধানীতে ঘোড়ার পিঠে পুলিশ টহল এবং কড়া চেকপয়েন্ট দেখা গেছে।
জরুরি প্রতিক্রিয়া : ৯৯৯ জরুরি পরিষেবার অধীনে একটি বিশেষ দল নির্বাচন-সম্পর্কিত অভিযোগের জন্য
সার্বক্ষণিক সহায়তা প্রদান করছে।
স্ট্রাইক ফোর্স : যেকোনো তাৎক্ষণিক ঝামেলা মোকাবেলায় মোবাইল স্ট্রাইকিং টিম প্রস্তুত রয়েছে।



নির্বাচন হয়ে যাবার পরও কিছু কথা থেকে যায়, যা জনগণের আকাঙ্খা বলা চলে :

১) নির্বাচনী প্রচারনায় বড় দুটি দলের কথা বা প্রতিশ্রুতি নিয়ে বেশী আলোচনা হয়েছে ।
যার মধ্যে বি.এন.পি : কর্মসংস্হান , শিক্ষা , দারিদ্র কার্ড ও নারীর অধিকার নিয়ে জোরালো প্রচার করেছে ।
জামাতে ইসলামী : বলছে দূর্ণীতি দূর করা , কোয়ালিশন সরকার আর নারীদের মাথার তাজ করার কথা ।
কিন্ত আর্থিক বিবেচনায় সময়কালের ভিত্তিতে,অর্থনীতির আলোকে কিভাবে তা বাস্তবায়ন হবে তা যাচাই করা যায় নাই ।
২) উন্নয়ন ঐক্যমতের চাহিদা ও সমস্যাগুলো কিভাবে চিহ্নিত করা হবে তার কোন দিক নির্দেশনা নাই ।
৩) আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের বিবেচনায়, প্রাতিষ্ঠানিক রুপ বা দূর্ণীতি ও আমলাতান্ত্রিক আচরন কিভাবে পূর্ণগঠন,
প্রতিরোধ করা যাবে তার কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায় নাই ।
৪) নির্বাচনের প্রসঙ্গ আসার পর থেকে শুনা যাচ্ছে , ইনক্লুসিভ হতে হবে, কিন্ত অসহিস্ঞু আচরনের কারনে
তা ঘটে নাই । এই অন্তুুুর্ভূক্তিমূলক নির্বাচনকে বলা চলে, ১) সংকীর্ণ অর্থে ২) সর্ব সাধারণের অংশগ্রহন
যা, পরবর্তীতে কি ভাবে সমাধান হবে তার কোন ইঙ্গিত নেই ।
৫) অর্ন্তভূক্তিমূলক ইন্ট্রিম সরকারের অবশ্যই জবাবদিহিতা থাকতে হবে,যা না থাকায় অনেক প্রশ্নের জন্ম দেখা দিয়েছে ।
৬) নির্বাচনে নাগরিক অধিকার বিশেষ ভাবে , নারী,ধর্মীয় বা পার্বত্য জনগনের ভোটাধিকার নির্ভয়ে প্রয়োগ করা
এবং তার মুক্তমনের প্রকাশকে বাধা দিবেনা ।যার নিশ্চয়তার রুপরেখা দেয়া হয় নাই ।
৭) শিক্ষা ব্যবস্হা ঠিক করার জন্য,শিক্ষকও ছাত্র অঙ্গসংগঠন সমূহ রাজনীতি বন্ধ করার সম্মতি ছিলো
কিন্ত এই নির্বাচনে তার কোন আলোচনা নেই ।
৮) রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কথা বলে ১৫ মাস অতিবাহিত করে ফলাফল জনগন কি পেল? এর জন্য আমাদের প্রস্তুতি কি ???
৯) নির্বাচনী ফলাফলের পর রাজনৈতিক দলগুলোর আচরন কি হবে ? এতে কি জনসাধারন ক্ষতিগ্রস্হ হবে ?
১০) এই নির্বাচনের মাধ্যমে , জনগণের সম্মতির শাসন এবং গনতন্ত্রর উত্তরন কতটুকু হবে তা পর্যালোচনার
বিষয় হয়ে থাকল !!!



** গণভোটের ব্যাপারে বলার কিছুই নাই, সরকার এই বিষয়টি যুক্ত করেছেন আবার হ্যাঁ ভোট দিতে বলেছেন ।
ফলে সরকার যেসব গোপন চুক্তি করেছে তার বৈধতা দেয়া । তাতে দেখা যায়, আমেরিকার কাছে নাকে খত
দিয়ে চলতে হবে এবং আমেরিকার অনুমতি ব্যতীত সংবেদনশীল কোন সিদ্বান্ত নিতে পারবেনা ।
এক দেশের মাধ্যমে পারমানবিক চুল্লী করে আরেক দেশ থেকে জ্বালানী নিতে হবে, কেমন মব আগ্রাসন ?
সুতরাং আগত নূতন সরকার এই কান্ডকারখানা কিভাবে সামলাবে এবং ১৫ বৎসরের মেয়াদী চুক্তির কি ঘটবে ???
একজন নাগরিক হিসাবে আমি আতংকিত ও বিভ্রান্ত !!!

*** ফিরে দেখা : বেলা ১০.৩০ মি : এ ভোট কেন্দ্রে গেলাম, খুব সুন্দর পরিবেশ ।
: বাহিরে ভীড় থাকলেও কেন্দ্রে সবাই নিয়ম মেনে চলছে, বুথ নম্বর মিলায়ে সবাই
ভোট দিচ্ছে । আমার বুথ পড়েছে ৩য় তলায়, আমার জন্য সিঁড়ি দিয়ে উঠা কষ্টকর তাও ধীরে ধীরে উঠলাম
এবং মজা করে আলাপ করতে করতে ভোট দিলাম । নীচে এসে দেখি আমার স্ত্রী এখনো লাইনে, বুঝলাম এখানে
বিশৃঙ্খলা চলছে , লাইন ভেঙ্গে অনেকে ভোট দিচ্ছে তাই লাইন আর চলেনা । দুই একজন আনসার সদস্যকে বলতে
চাইলাম , দেখি তাদের গরজ নাই, তখন আর্মির এক তরুন সেনাকে জানালাম, এভাবে হলে আমার স্ত্রী ভোট দিতে পারবেনা
অসুস্হতার কারনে চলে যেতে হবে । তাছাড়া যেহেতু মহিলা ভোটার বেশী তাই সিনিয়র সিটিজেনদের আলাদা বুথ
করা উচিৎ ছিল । ফলে তিনি কেন্দ্রে ঢুকে অবস্হা পর্যালোচনা করেন এবং দ্রুত ভোটের ব্যবস্হা করে দেন ।
এক ঘন্টার মধ্যে ভোট দিয়ে বাসায় চলে আসি ।
নির্বাচন কমিশন চলমান তথ্যে জানাচ্ছেন যে , এখন পর্যন্ত প্রায় ৩২.৮৮% ভোট প্রদান চলছে ( বেলা : ১২.০০মি:)
নির্বাচন কমিশন চলমান তথ্যে জানাচ্ছেন যে , এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৭.৯১% ভোট প্রদান হয়েছে ( বেলা : ০৪.৩০মি:)



সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪০
১৩টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক: একটি প্রগতিশীল (?) অগ্রযাত্রা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:০৮


আমি আসলে জন্মগতভাবেই খুব আশাবাদী মানুষ। সত্যি বলছি। ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে যখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন নীতিমালা জারি করল, আমি মনে মনে বললাম , অবশেষে কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মানুষের জন্যে আপনি কি করতে পারেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫



পৃথিবীতে অনবরত বিভিন্ন ধরণের কাণ্ড ঘটে চলেছে, যা একজন মানুষের মনকে ভারাক্রান্ত করতে বাধ্য। হামে কাছের মানু্ষ মারা যাচ্ছে, দুর্ঘটনায় বন্ধুর মৃত্যু কিংবা ইরান - যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতে প্রাণহানি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×