somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি দ্য ডাইলপুরী খাদক-1

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মোড়ের কাছের ফুয়াদের ডাইলপুরী পাড়ায় বিখ্যাত। সব ধরনের লোকজন সেখানে যায় না। সবার ধারনা বখে যাওয়া পোলারানের আখড়া ওটা। বাসায় ওখানকার খাবার গুলো মোটামুটি নিষিদ্ধ। অবশ্য জানতে না পারলে খেয়েদেয়ে প্রশংসায় সবার পাঁচটা করে মুখ বের হয়। আমাকে বিকালে খাবার কিছু আনতে বলা হলে আমি ওখান থেকেই আনি। সেটা জানার পর সহজে আমাকে কিছু আনতে বলা হয় না।

আজ বাবা-মা বাসায় না থাকায় চান্স পেলাম ওখানে যাবার। আমার বাড়িটা পাড়ার একটু বেশী ভিতরের দিকে হওয়ায় হেঁটে আসতেও কয়েক মিনিট লেগে যায়। মাগরিবের আযানের কিছু পরে গেলাম। মোটামুটি অন্ধকার হলেও চুলার আগুনে বেশ আলোকিত হয়ে থাকে জায়গাটা। আজ চুলায় আগুনটাও কেমন মিইয়ে গেছে। ভেতরে বসার একটাই বেন্চ, তাতে অন্য সময় বসার জায়গা পাওয়া যায় না কিন্তু আজ একদম ফাঁকা বসে সেখানে একটা সিগারেট ধরালাম। এটাই আমার এখানে প্রধান গুলোর একটা। মুরব্বীরা সাধারনত কেউ এখানে আসে না। মনের আনন্দে বিড়ি টানা যায়। রোজকার মত আজকেও ভিতরের কোণার স্ক্রু ঢিলা লিকটা বসে বসে ঝিমুচ্ছে। আমি গিয়ে বসার পর সে একটু নরে চড়ে উঠল। আমার সাথে কোনদিন কথা বলে না। আজ বলল। আমি একটু হকচকিয়ে গেলাম কথা শুনে। বেশ শুদ্ধ ভাষায় কথা বলে। আমাকে বলব, "একটা ডালপুরী দেবেন?" মনটা ভালছিল তাই একটা দিলাম। আমাকে আবার বলল, "ভাই, আমার কাছে একটা ভুত আছে আপনে নেবেন। আপনাকে কোন সমস্যা করবেনা। শুধু খেয়াল রাখবেন। তাকে নিয়মিত গল্প পড়ে শুনাতে হবে। যেকোন রকমের গল্প শুনালেই হবে। তবে গোয়েন্দা টাইপ গল্প শুনতে পছন্দ করে। মরার আগে এমসিক্সটিনে কাজ করত তাই।"
মজা করার জন্য বললাম তাই নাকি।
বলে ভাই বিশ্বাস করেন এতে কোন ভেজাল নাই।
তাকে আর কিছু বললাম না। পেট পূজা সেরে বাসায় চলে আসলাম। বাসার গেটের দরজায় দাড়াতেই আপু দরজা খুলে দিয়ে বলল, এতবার কলিংবেল টিপসিছ কেন?
আমি বললাম কই একবারওতো টিপি নাই।
আমার দিকে শ্যেন দৃষ্টি হেনে আপু ওর ঘরে চলে গেল। আমিও বেশ অবাক হয়ে আমার ঘরে আসলাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন মসজিদের কাজ শুরু করলাম

লিখেছেন প্রামানিক, ২৫ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৬


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

আলহামদুলিল্লাহ্, নতুন মসজিদের কাজ আজ থেকে শুরু হলো। আজ সকাল দশটায় গ্রামের কয়েকজন ধর্মপ্রাণ উদ‍্যোগী মানুষ নিজ উদ‍্যোগেই মাটি কেটে দিয়েছে।

আজ থেকে প্রায় কুড়ি বছর পূর্বে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×