কুয়াশার চাঁদরে মোরা পরিবেশ।
বেশি মানুষ চলাচল নেই। আমি আসতে আসতে হাটছি।
পাশে আমার স্বপ্নে দেখা শুভ্রপরী ।
সেঃ _কিছু বলছো না যে?
আমিঃ এমনিতেই।
_মন খারাপ তোমার?
না, আমি ঠিক আছি।
_কি হয়েছে বলবে তো, নাকি?
কত দিন পর আমাদের দেখা হল তোমার হিসাব আছে?
_কি করবো বলো? আমি বিজি থাকিতো।
তাই বলে, একটুও সময় হয় না আমার জন্য?
_সরি, এই কানে ধরছি। আর এমন হবে না।
আমি কয় দিন এসে ঘুরে গেছি জানো? ওরা আমাকে ঢুকতেই দেয় না।
_আমি না বলেছি, আমি না বললে আসবে না।
কি করবো? তোমাকে দেখার খুব ইচ্ছা করছিলো তাই এসেছিলাম।
_চল ওখানে বসি।
চল।
(আমরা দুজন পাশাপাশি বসলাম। তার হাত দুটো আমার হাতে নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছি)
_তুমি কেন বোঝনা? আমি তোমারি আছি, সারাজীবন তোমার হয়েই থাকবো। মৃত্যু ছাড়া আমাদের আর কেউ আলাদা করতে পারবেনা।
(তার ডান হাত টা আমার গালে লাগিয়ে, বলতেছি...)
তোমায় অনেক ভালোবাসি। তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবোনা।
_আমিও তোমায় অনেক ভালোবাসি।
(আমি তার চোখে আমার জন্য লুকিয়ে থাকা ভালোবাসার অনুভূতি গুলো খুঁজতে চেষ্টা করছি...)
এবার সে আমার হাত দুটো ধরে বলতে লাগলো,
_ এখন আমায় যেতে হবে।
আর একটু থাকো না?
_আবার কোন এক কাক ডাকা ভোরে রক্তিম গোধূলি হয়ে আসবো। এখন যাই?
তোমায় ছাড়তে ইচ্ছা হচ্ছে না।
(সে আর কিছু না বলে উঠে হাট তে লাগলো। আমি বাধা দিতে পারলাম না। আমার মুখে যেনো কোন কথা নেই)
যতক্ষণ তাকে দেখা যাচ্ছিলো, আমি তার দিকেই তাকিয়ে থাকলাম। একটু পথ হাটতেই সে হারিয়ে গেলো কুয়াসায়।
আমি এখনও বসে আছি। ভাবনায় শুধু একটা নাম, একটা চেহারা, একটা চরিত্র বার বার ফিরে আসছে। শুভ্রপরী!!
চোখের পলক বার বার পরছে আমার।
ফোনের ডিসপ্লে তে থাকা পিকচার টা উজ্জ্বল আভা দিয়ে চোখে লাগছে।
আমি সামনে তাকালাম।
পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা খেঁজুর গাছ দুটো মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
একজন লোক গাছের নিচে কি যেন করছে!
মনে হয় খেঁজুরের রস বের করার জন্য খেঁজুর গাছে কলস লাগাবে।
আমি উঠে দাঁড়ালাম।
উপরে তাকিয়ে দেখি মাথার উপরের বিশাল আকাশ টা অনেক দূরে।
আমি হাটতে লাগলাম.......
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




