somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

প্রথম বাংলা
((((এক দিন আমি চলে গেলে- ছেড়ে এ গ্রহ,যদি আর কোন দিন কোন খানে নাহয় জনম, কেমনে ভাবিব আমি এইখানে শতেক বছর, একশত কোটিবার নিয়েছিনু দম!! ছিলো ঝিনুকের মত গোল নদীটার তিরে মোর ঘর।)))) **ধর্ম বিশ্বাস মানুষকে সুখ দেয়, কারণ ধর্ম মানুষকে আশাবাদী করে, মানুষ বুঝতে পারে

গাজা বনাম নির্লজ্জ পৃথিবী/

১০ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


গাজায় নতুন করে শুরু হওয়া সহিংসতায় ইসরায়েলি হামলায় আরো অনেক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এই নিয়ে প্রায় চার সপ্তাহের হামলায় প্রায় ২ হাজার জন ফিলিস্তিনির প্রাণ ঝরে গেছে। তাদের অধিকাংশই বেসামরিক মানুষ। এর মধ্যে ৪৪৮ জন শিশু ও ২৩৫ নারী। ৭২ ঘণ্টার মেয়াদ শেষ যুদ্ধ আবার শুরু।
নতুন করে যুদ্ধ বিরতিতে রাজী নয় কোন পক্ষ।
এই ছোট্ট গাজা ইদুরের প্রাণ নিয়ে কেন ইসরাইলের মত কেউটের সাথে লড়ে যাচ্ছে?
উত্তর সহজঃ
এটি বুঝতে হলে আমাদের একটু পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। ১৯৪৬-৪৭ সালে পশ্চিমা বিশ্ব প্রথম সাারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা ইহুদেরকে এনে ফিলিস্তিনে স্থাপন করে। মহাত্বা গান্দি তখন বলেছিলেন "ভবিষ্যত পৃথিবির জন্য একটি সমস্যার বীজ রূপন করা হলো। কেবল গান্দীজী নয়, অনেক বিশ্ব নেতাই তখন এমনটি বলেছিলেন। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্ব তখন দূর্দান্ত অবস্থানে। স্বদ্য যুদ্ধজয়ী বিশ্ব দখলকারী সামরিক গুষ্টি তখন তারা। বসিয়ে দিলো ইয়াহুদিদের আরব ভূমিতে, সম্পুর্ণই গায়ে র জোড়ে। এর পর ধিরে ধিরে তারা দখন করে নিলো ৮০ ভাগ ফিলিস্তিনি ভূমি, গাজা রইলো ঠিক কিন্তু অবশিষ্ঠ সামাান্য ফিলিস্তিন থেকে হয়ে গেলো বিচ্ছিন্ন। এক দিকে মিশর দুই দিকে ইসরাইল এবং এক দিকে সাগর। এই সাগরটিও নিয়ন্ত্রন করে ইসরাইল। মাত্র ৩০০ (+-) বর্গমাইলের গাজা এলাকার নিজস্ব কোন উৎপাদন নাই। উৎপাদন করার যায়গাও নাই এর মাঝে বসত করে প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ। জীবন তাদের এমনি বাচেনা। তার উপর তাদের উপর ইসরাইল এবং মিশর গায়ের জোড়ে ৮ বছর যাবত জারি করে রেখেছ পরিবহন এবং বানিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা। নাই বহিঃবিশ্বের সাখে কোন যোগাযোগ। এমন কি তাদের নিজের দেশে ফিলিস্তিনের সাথে যোগাযোগ করতেও ইসরাইলের দয়ার উপর র্নিভর করতে হয়। দয়াও দইবাত মেলে। এমন কি জাতিসংঘের ত্রান পরিবহকারি জাহাজ পর্যন্ত সেখানে যেতে দেয়া হয়না। জীবণ তাদের বাচেনা। এখন কেবল মৃত্যুর অপেক্ষা। নিরব মৃত্যু। এমনি এক সময়ে ইসরাইল হঠাতই বলে বসলো তাদের ৩ সেনাকে অপহরণ করেছে হামাস। সেই অযুহাতে আক্রমন করা হলো গাজার উপর।

যুক্ত রাষ্ট ইরাক আক্রামন করেছিলো জীবানু অস্ত্রের ধূয়া তুলে। যুদ্ধ শেষে নাটকিয় ভাবে বলে গেলো ইরাকে কোন জীবানু অস্ত ছিলোনা। আসলে তত্বের ভুল। যে কারনে তারা যার পর নাই দুঃখিত।তবে যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি।

ইসরাইল ও কয়েক দিন আগে জানালো সেনা অপহরনের সাথে হামাস জড়িত নয়। বাহঃ কি দারুন মিল। তাদেরও যুদ্ধ থামলোনা। নির্বিচারে নারী ও শিশু হত্যা করছে, গন হত্যা। নিরব সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে মিশর এবং সৌদি, আর কাতার। এখন গাজার সামনে পথ একটিই, হয়তো লড়ো নয়তো মরো। আর এক কারণেই গাজা লড়ছে।

আর ইসরাইল এর লক্ষ হলো সম্পুর্ণ ফিলিস্তিন। কিভাবে ধাপে ধাপে ফিলিস্তিন রাষ্ট হয়েগেলো ইসরাইল তা উপরের ছিবিটিতে দেখানো হয়েছে। আর মিডেল ইস্ট কাতরাচ্ছে বিষফোড়ার ব্যাথায়।

ইরাকের কুর্দিস্থানে ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের কয়েক হাজার মানুষের একটা বসতি রয়েছে. যেখানে ইরাকের সরকারের কোন নিয়ন্ত্রন নাই। এলাকাটা নিয়ন্ত্রন করে ইসলামি মিলিশিয়ারা। আমেরিকার ভাষায় যারা জঙ্গি। আমেরিকার ধারণা সেখানে সু্ন্নি জঙ্গিরা গনহত্যা চালাতে পারে। সুতরাং বিশ্ব মোড়ল হিসাবে তাদের একটা দায়ীত্ব রয়েছে বিধায় সেখানে সামরিক অভিযান চালানো পেন্টাগনের দায়ীত্ব। গতকাল তারা সেই দায়ীত্ব নিবিড় ভাবে পালন করেছে, চমৎকার।
সেখানে গণহত্যা হতে পারে, মানে হতে পারে। গাজায়তো আর গণ হত্যা হচ্ছেনা, সেখানে ইসরাইল তাদের নিরাপত্যার জন্য জাতিসংঘ নিয়ন্ত্রিত সামরিক স্থাপনায় হামলা করেছে মাত্র। এটা তাদের অধিকার।যেসকল শিশু মরেছে তারা ভবিষ্যতে হামাস হইবার সম্ভাবনা রয়েছে যে।
রক্তাক্ত গাজার ভিডিও ফুটেজ বিভিন্ন পশ্চিমায় মেডিয়া প্রচার করছে হামাসের রকেট হামলায় ইসরাইলের বিধ্যস্ত ঘরবাড়ি এবং ফিলিস্তিনি মানুষের মরদেহকে দেখাচ্ছে ইসরাইলি হিসাবে। তার পর আবার র্নিলজ্জের মত ক্ষামাও চাচ্ছে । ক্ষামা চাওয়ার তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে (এবিসি নিউজ-অস্ট্রেলিয়া) আর আমাদের দেশের ভার্চুয়াল জগতে মানে ফেসবুকে এবং ব্লগে ঘাসেরমত গজাচ্ছে কুশিক্ষিত নাস্তিক। আপনি যদি ফিলিস্তিন নিয়ে কিছু লিখেন তবে তারা স্বাধিনতা যুদ্ধ পর্যন্ত টানবে। এমন বেকুব, কোন খবর যানেওনা রাখেওনা পড়েওনা।
এখন গাজার দাবি, তাদের উপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়া হোক। তাদের ভূমি ত তাদের কাছে থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছেই বেঁচেথাকার মত যোগাযোগ ব্যবস্থাটাও যদি থাকে অবরুদ্ধ তাহলে গাজার সামনে একটাই পথ, হয় নিজে মরো নাহয় ইসরাইলিদের হাতে মরো।
গাজা তাদের একটি স্বাধীন জীবন একটি স্বাধীন ভূমি চায়। যা এই নির্লজ্জ পৃথিবী দিতে পারছেনা!!!
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×