গতকাল রংপুরের জাবেদ আলী তার যজম দুই শিশুকে বিষ খাইয়ে মারে এবং নিজেও আত্নহত্যা করে। শিশুদে একজন এখনো হাসপাতালে আশংকাজনক। কয় দিন আগে সুমাইয়া নামক তিন বছরের এক শিশুকে তার বাবা এবং মা নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করে। কেনো?
তার ও আগে মানে প্রায় তিন মাস হবে মনেহয়, চিটাগং এর এক বাবা তার দুই শিশু কে কুপিয়ে হত্যা করে।
এক মা তার দুই সন্তান নিয়ে এক সাথে গলায ফাঁস দিযে আত্ন হত্যা করে।
আমার মাথায় কিছু কাজ করছেনা। আমরাকি হতাসাগ্রস্থ জাতিতে পরিনত হয়েছি?
যদি তাই হয় তবে কী তার কারণ? কেনো আমরা এমন নারিছেড়া ধন যাদের আমরা এত ভালোবেসে জন্ম দিলাম তাদের আবার আমরাই হত্যা করি!!। আমি কিছুতেই ঘটনা গুলো ছোট করে দেখছিনা। প্রত্যেকটা ঘটনার পেছনেই তাকে অর্থনৈতিক অভাব এবং আত্নজৈবনিক হতাসা। আমি ভাসাহীন,
বেদনার সোনালি যমজ
========
অনা” আজ পরকালে বসতি গড়েছে
বেদনা সহিতে আজো ইহকালে রয়েছে ”আপন”
কাপুরুষ পৃথিবীর আমরা মানব নামী প্রাণী
নিজেরে নিয়েই বাঁচি ষোল আনা পৃথিবীর স্বার্থপর জনগ।
জাবেদ আলী, মরে গিয়ে মুখে মুখে সাজা পায় মরনোত্তর,
নিশ্চয় ভালোবেসে এনেছিলো পৃথিবীতে সোনালি যমজ
ভাতের বদলে কেনো বিষ দিলো সন্ততিদের মুখে তবে?
এক কথা ভাবিনি কভু, খুঁজিনি জবাব, আমরা এমনি স্বার্থপর।
কোন এক জননী, কোন এক নিশিথের প্রেমে
তিলে তিলে দশমাস সোনালি বেদনা জমা করে
বুকের রক্ত দিয়ে দেহ যার তোলেছিলো গড়ে
সেও কেনো একদিন বিষ দেয় তাহাদের মুখে,
সেও কেনো মরে গেলো? সুখে নাকি দুখে?
অথবা পিটায়ে কেনো সুমায়াকে মেরে ফেলে তার বাবা-মা,
ঋণ কেনো ক্ষমা হয়নাকো!! কত টাকা পেলে তবে
সুমায়ার দেহ থেকে মুছে যাবে চাবুকে ক্ষত?
কত কান্নার পরে মুছে যাবে আমাদের হৃদয়ে বেদনারা যত!!!?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৫ রাত ১০:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



