......হিটলারের দাবি ছিলো, শয়তান বৃটিশের সম্রাজ্য ধ্বংশ করার জন্য আবির্ভাব হয়েছে তার। তাই সে জাপানের সাথে সংসার পেতেছিলো। তার ভাষায়, সত্যের ছানাপুনার আশায় সংসার বিস্তৃত করতে হাত বাড়িছে ছিল চার পাশে।
......কিন্তু তত দিনে বৃটিশ-রাশিয়ার সংসারে নতুন ১ শয়তানের জন্ম হয় , সেটি হলো আমেরিকা আর বৃটিশরা দত্তক নেয় আরক শয়তানকে সেটি হলো সৌদি। আামেরিকা ততদিনে যুবক আর সৌদি শিশু।
......রাশিয়ার সাথে বৃটিশের সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়। আমেরিকা থাবা বসায় বিশ্বে আর পালক মায়ের সংসারে বড় হতে থাকে সৌদি। বৃটিশ বৃদ্ধ হযে যায়, রাশিয়ার পতন ঘটে । সংসার সমরাঙ্গনে জার্মানি জাপান দেওলিয়া হয়ে সংসার ভেঙ্গে যায় তাদের।
এখন আমেরিকা সৌদির সংসারে কেবল যুদ্ধ আর দুর্ভিক্ষ জন্ম হচ্ছে, এবং ছড়িয়ে পড়ছে দেশেদেশে।
আমেরিকা দাজ্জাল হলে সৌদি তার প্রথম এবং এক মাত্র অনুসারি। যেখানে তাদের যৌথ হস্তক্ষেপ- মানে সঙ্গম হয়েছে সেখানেই জন্ম নিয়েছে ধ্বংশ। এদের বিশাক্ত সন্তানের সর্বশেষ প্রশব ভূমি ইয়েমেন।
পৃথিবীতের আর একজন হিটলার দরকার, যে ব্যর্থ হবেনা। সফল হবে।
চিরকালই খমতাবাননা অর্থ এবং ক্ষমতার জন্য সংঘাত এবং সহিংসতা ছড়িয়েছে মানব জাতির মাঝে। কিন্তু সাধারণ মানুষকে টুপ দিয়েছে ধর্মের। কুক্ষিগত ধর্মশিক্ষা আমাদের মত সাধারণ মানুষকে পরিনত করেছে ভক্তিদাশে। আমরা এখন নরকের ভয় এবং স্বর্গের সুখেরর আশায় নিজের জ্ঞান দরজা তালা মেরে অন্ধের মত বিশ্বার করছি সেই কুক্ষিওয়ালাদের।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

