অপ্সরার পোস্টে স্মৃতিটুকু শেয়ার করলাম, ভাবলাম নিজের ব্লগেও তুলে রাখি।
ছোট্টবেলার ঈদের স্মৃতি আগেও ব্লগে অল্প স্বল্প লিখেছি, কিন্তু আমরা তো ব্লগার হিসেবে এখন পাকাচুল, তাই সেই অনেক আগের লেখা নিজের খুঁজে পেতেও সময় লাগে! তাই ভাবছি, বরঞ্চ এখানেই কিছু লিখি!
আমার একতা লাল পুঁতির কাজ করা পার্স ছিল। ঈদের সালামী সেখানেই রাখতয়াম, কড়কড়ে নোট। আজকাল আমার ছেলেও কড়কড়া নোট জমায়, আমার মেয়েও একসময়ে এরকম জমাতো। তবে ওদের পার্সগুলো/ পকেট ঠিক আমারটার মতো রঙিন নয়!
আমার মেয়েকে একটা এরকম পার্স কিনে দিয়েছিলাম, তেমন একটা তাকে ব্যবহার ক্রতে দেখি না, হয়তো এখন বড় হয়ে গেছে! আজকাল আর আমার সাথে বেড়াতে যেতেও চায় না। নিজের বন্ধু বান্ধব হয়েছে!
আমার ছোটবেলার ঈদের অন্যতম আকর্ষণ ছিল, স্কুল বান্ধবীরা সবাই মিলে আম্মাকে না জানিয়েই সারা শহরের এই মাথা, ওই মাথা সকল বান্ধবীদের বাসায় বেড়াতে যাওয়া। এরকমটা পূজার সময়ও করি। ঈদের দিন আমাদের হিন্দু বান্ধবিরাও আমাদের সাথে বের হতো। তারাও ঈদ উপলক্ষে নতুন জামা কিনতো। আবার তাদের পূজায় আমরাও দল বেঁধে বেড়িয়েছি। সবার বাসা থেকে সন্দেশ ব্যাগ ভরে নিয়ে আসতাম।
আরেকটা আনন্দ ছিল, সন্ধ্যা থেকে ফুফুর বাসায় কাটাতাম, টানা তিনদিন। ইত্যাদি, ঈদ আনন্দমেলা এসব আমি আমার কাজিনসহ একসাথে দেখতাম, সে আবার মাঝে মাঝে তার মাকে কাজে সাহায্য করতো, যেটা আমি একেবারেই না! আমি তো ফুফুর বাসায়, বাসায় আম্মাকে কি কাজের সাহায্য করবো!
আর কুরবান ঈদ আগে প্রতিবছর গ্রামেই করতাম। সেটা আরেক রকমের আনন্দ! সেসময়ে ক্ষেতে ক্ষেতে আখ চাষ হতো। চুরি করে সবাই মিলে অন্যের ক্ষেতের আখ খেতাম! আর নতুন বাড়ি, পুরোন বাড়ির সকল দাদুদের বাড়িতে তো যেতামই। ফুফু, চাচা সবার সাথে দেখা, সবার বাসায় খাওয়া, আমাকে ভাতিজির জেনারেশনে সবাই এক নামে চেনে! বাড়ির এক নম্বর ভাতিজি! সবার প্রিয়!
এবারের ঈদের দিন ঘরে সাধারণভাবে কাটিয়েছি, তবে ঈদের পরদিন হঠাত পরিকল্পনা করে মামাতো কাজিনদের নিয়ে আমাদের বাড়ি বেড়িয়ে এসেছি, মেঘনা তীরেও বেড়াতে গেছি! তবে নৌকায় চড়তে পারিনি বলে আফসুস রয়ে গেল!
অপ্সরার পোস্টে স্মৃতিটুকু শেয়ার করলাম, ভাবলাম নিজের ব্লগেও তুলে রাখি।
ছোট্টবেলার ঈদের স্মৃতি আগেও ব্লগে অল্প স্বল্প লিখেছি, কিন্তু আমরা তো ব্লগার হিসেবে এখন পাকাচুল, তাই সেই অনেক আগের লেখা নিজের খুঁজে পেতেও সময় লাগে! তাই ভাবছি, বরঞ্চ এখানেই কিছু লিখি!
আমার একতা লাল পুঁতির কাজ করা পার্স ছিল। ঈদের সালামী সেখানেই রাখতয়াম, কড়কড়ে নোট। আজকাল আমার ছেলেও কড়কড়া নোট জমায়, আমার মেয়েও একসময়ে এরকম জমাতো। তবে ওদের পার্সগুলো/ পকেট ঠিক আমারটার মতো রঙিন নয়!
আমার মেয়েকে একটা এরকম পার্স কিনে দিয়েছিলাম, তেমন একটা তাকে ব্যবহার ক্রতে দেখি না, হয়তো এখন বড় হয়ে গেছে! আজকাল আর আমার সাথে বেড়াতে যেতেও চায় না। নিজের বন্ধু বান্ধব হয়েছে!
আমার ছোটবেলার ঈদের অন্যতম আকর্ষণ ছিল, স্কুল বান্ধবীরা সবাই মিলে আম্মাকে না জানিয়েই সারা শহরের এই মাথা, ওই মাথা সকল বান্ধবীদের বাসায় বেড়াতে যাওয়া। এরকমটা পূজার সময়ও করি। ঈদের দিন আমাদের হিন্দু বান্ধবিরাও আমাদের সাথে বের হতো। তারাও ঈদ উপলক্ষে নতুন জামা কিনতো। আবার তাদের পূজায় আমরাও দল বেঁধে বেড়িয়েছি। সবার বাসা থেকে সন্দেশ ব্যাগ ভরে নিয়ে আসতাম।
আরেকটা আনন্দ ছিল, সন্ধ্যা থেকে ফুফুর বাসায় কাটাতাম, টানা তিনদিন। ইত্যাদি, ঈদ আনন্দমেলা এসব আমি আমার কাজিনসহ একসাথে দেখতাম, সে আবার মাঝে মাঝে তার মাকে কাজে সাহায্য করতো, যেটা আমি একেবারেই না! আমি তো ফুফুর বাসায়, বাসায় আম্মাকে কি কাজের সাহায্য করবো!
আর কুরবান ঈদ আগে প্রতিবছর গ্রামেই করতাম। সেটা আরেক রকমের আনন্দ! সেসময়ে ক্ষেতে ক্ষেতে আখ চাষ হতো। চুরি করে সবাই মিলে অন্যের ক্ষেতের আখ খেতাম! আর নতুন বাড়ি, পুরোন বাড়ির সকল দাদুদের বাড়িতে তো যেতামই। ফুফু, চাচা সবার সাথে দেখা, সবার বাসায় খাওয়া, আমাকে ভাতিজির জেনারেশনে সবাই এক নামে চেনে! বাড়ির এক নম্বর ভাতিজি! সবার প্রিয়!
এবারের ঈদের দিন ঘরে সাধারণভাবে কাটিয়েছি, তবে ঈদের পরদিন হঠাত পরিকল্পনা করে মামাতো কাজিনদের নিয়ে আমাদের বাড়ি বেড়িয়ে এসেছি, মেঘনা তীরেও বেড়াতে গেছি! তবে নৌকায় চড়তে পারিনি বলে আফসুস রয়ে গেল!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



