somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোট্টবেলার ঈদের স্মৃতি

২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


অপ্সরার পোস্টে স্মৃতিটুকু শেয়ার করলাম, ভাবলাম নিজের ব্লগেও তুলে রাখি।


ছোট্টবেলার ঈদের স্মৃতি আগেও ব্লগে অল্প স্বল্প লিখেছি, কিন্তু আমরা তো ব্লগার হিসেবে এখন পাকাচুল, তাই সেই অনেক আগের লেখা নিজের খুঁজে পেতেও সময় লাগে! তাই ভাবছি, বরঞ্চ এখানেই কিছু লিখি!

আমার একতা লাল পুঁতির কাজ করা পার্স ছিল। ঈদের সালামী সেখানেই রাখতয়াম, কড়কড়ে নোট। আজকাল আমার ছেলেও কড়কড়া নোট জমায়, আমার মেয়েও একসময়ে এরকম জমাতো। তবে ওদের পার্সগুলো/ পকেট ঠিক আমারটার মতো রঙিন নয়!
আমার মেয়েকে একটা এরকম পার্স কিনে দিয়েছিলাম, তেমন একটা তাকে ব্যবহার ক্রতে দেখি না, হয়তো এখন বড় হয়ে গেছে! আজকাল আর আমার সাথে বেড়াতে যেতেও চায় না। নিজের বন্ধু বান্ধব হয়েছে!

আমার ছোটবেলার ঈদের অন্যতম আকর্ষণ ছিল, স্কুল বান্ধবীরা সবাই মিলে আম্মাকে না জানিয়েই সারা শহরের এই মাথা, ওই মাথা সকল বান্ধবীদের বাসায় বেড়াতে যাওয়া। এরকমটা পূজার সময়ও করি। ঈদের দিন আমাদের হিন্দু বান্ধবিরাও আমাদের সাথে বের হতো। তারাও ঈদ উপলক্ষে নতুন জামা কিনতো। আবার তাদের পূজায় আমরাও দল বেঁধে বেড়িয়েছি। সবার বাসা থেকে সন্দেশ ব্যাগ ভরে নিয়ে আসতাম।
আরেকটা আনন্দ ছিল, সন্ধ্যা থেকে ফুফুর বাসায় কাটাতাম, টানা তিনদিন। ইত্যাদি, ঈদ আনন্দমেলা এসব আমি আমার কাজিনসহ একসাথে দেখতাম, সে আবার মাঝে মাঝে তার মাকে কাজে সাহায্য করতো, যেটা আমি একেবারেই না! আমি তো ফুফুর বাসায়, বাসায় আম্মাকে কি কাজের সাহায্য করবো!
আর কুরবান ঈদ আগে প্রতিবছর গ্রামেই করতাম। সেটা আরেক রকমের আনন্দ! সেসময়ে ক্ষেতে ক্ষেতে আখ চাষ হতো। চুরি করে সবাই মিলে অন্যের ক্ষেতের আখ খেতাম! আর নতুন বাড়ি, পুরোন বাড়ির সকল দাদুদের বাড়িতে তো যেতামই। ফুফু, চাচা সবার সাথে দেখা, সবার বাসায় খাওয়া, আমাকে ভাতিজির জেনারেশনে সবাই এক নামে চেনে! বাড়ির এক নম্বর ভাতিজি! সবার প্রিয়!

এবারের ঈদের দিন ঘরে সাধারণভাবে কাটিয়েছি, তবে ঈদের পরদিন হঠাত পরিকল্পনা করে মামাতো কাজিনদের নিয়ে আমাদের বাড়ি বেড়িয়ে এসেছি, মেঘনা তীরেও বেড়াতে গেছি! তবে নৌকায় চড়তে পারিনি বলে আফসুস রয়ে গেল!
অপ্সরার পোস্টে স্মৃতিটুকু শেয়ার করলাম, ভাবলাম নিজের ব্লগেও তুলে রাখি।


ছোট্টবেলার ঈদের স্মৃতি আগেও ব্লগে অল্প স্বল্প লিখেছি, কিন্তু আমরা তো ব্লগার হিসেবে এখন পাকাচুল, তাই সেই অনেক আগের লেখা নিজের খুঁজে পেতেও সময় লাগে! তাই ভাবছি, বরঞ্চ এখানেই কিছু লিখি!

আমার একতা লাল পুঁতির কাজ করা পার্স ছিল। ঈদের সালামী সেখানেই রাখতয়াম, কড়কড়ে নোট। আজকাল আমার ছেলেও কড়কড়া নোট জমায়, আমার মেয়েও একসময়ে এরকম জমাতো। তবে ওদের পার্সগুলো/ পকেট ঠিক আমারটার মতো রঙিন নয়!
আমার মেয়েকে একটা এরকম পার্স কিনে দিয়েছিলাম, তেমন একটা তাকে ব্যবহার ক্রতে দেখি না, হয়তো এখন বড় হয়ে গেছে! আজকাল আর আমার সাথে বেড়াতে যেতেও চায় না। নিজের বন্ধু বান্ধব হয়েছে!

আমার ছোটবেলার ঈদের অন্যতম আকর্ষণ ছিল, স্কুল বান্ধবীরা সবাই মিলে আম্মাকে না জানিয়েই সারা শহরের এই মাথা, ওই মাথা সকল বান্ধবীদের বাসায় বেড়াতে যাওয়া। এরকমটা পূজার সময়ও করি। ঈদের দিন আমাদের হিন্দু বান্ধবিরাও আমাদের সাথে বের হতো। তারাও ঈদ উপলক্ষে নতুন জামা কিনতো। আবার তাদের পূজায় আমরাও দল বেঁধে বেড়িয়েছি। সবার বাসা থেকে সন্দেশ ব্যাগ ভরে নিয়ে আসতাম।
আরেকটা আনন্দ ছিল, সন্ধ্যা থেকে ফুফুর বাসায় কাটাতাম, টানা তিনদিন। ইত্যাদি, ঈদ আনন্দমেলা এসব আমি আমার কাজিনসহ একসাথে দেখতাম, সে আবার মাঝে মাঝে তার মাকে কাজে সাহায্য করতো, যেটা আমি একেবারেই না! আমি তো ফুফুর বাসায়, বাসায় আম্মাকে কি কাজের সাহায্য করবো!
আর কুরবান ঈদ আগে প্রতিবছর গ্রামেই করতাম। সেটা আরেক রকমের আনন্দ! সেসময়ে ক্ষেতে ক্ষেতে আখ চাষ হতো। চুরি করে সবাই মিলে অন্যের ক্ষেতের আখ খেতাম! আর নতুন বাড়ি, পুরোন বাড়ির সকল দাদুদের বাড়িতে তো যেতামই। ফুফু, চাচা সবার সাথে দেখা, সবার বাসায় খাওয়া, আমাকে ভাতিজির জেনারেশনে সবাই এক নামে চেনে! বাড়ির এক নম্বর ভাতিজি! সবার প্রিয়!

এবারের ঈদের দিন ঘরে সাধারণভাবে কাটিয়েছি, তবে ঈদের পরদিন হঠাত পরিকল্পনা করে মামাতো কাজিনদের নিয়ে আমাদের বাড়ি বেড়িয়ে এসেছি, মেঘনা তীরেও বেড়াতে গেছি! তবে নৌকায় চড়তে পারিনি বলে আফসুস রয়ে গেল!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:২৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ট্রাম্প কি ভেবেছিল? "সর্দার খুশ হোগা? সাবাশি দেগা?"

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৫৮

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কিছু বলি।
আমি সাধারণ সত্য যা ঘটছে সেটাই বলি। মিথ্যা প্রোপাগান্ডা, সেটা যে পক্ষেরই হোক, আমার শেয়ার করতে ভাল্লাগে না।
একটা সময়ে আমেরিকা নিজের এয়ারফোর্স এবং নেভি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিত্রের তালাশ ও মিত্রতা তৈরিঃ প্রসঙ্গ আমাদের জাতীয় ও রাজনৈতিক জীবন

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাঙলায় পাওলো কোয়েলহোর সর্বাধিক বইয়ের অনুবাদক হিসেবে দেখেছি তিনি তাঁর প্রায় সকল বইয়ে একটা জিনিসকে খুব গুরুত্ব দিয়েছেন। সেটা হলোঃ মিত্র তালাশ করা বা তৈরি করা। এই জিনিস আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইউনুস সাহেব আমেরিকার কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫০


রমজান মাসের শেষ দিককার কথা। আব্বা-আম্মার সঙ্গে ইউনাইটেড হাসপাতালে গেলাম নানাকে দেখতে। মায়ের দিকের এই আত্মীয়র হার্টে চারটা রিং বসানো হয়েছে, কিন্তু কেবিনে ঢুকে বুঝলাম তার জবান এখনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:০৪



সূরাঃ ১ ফাতিহা, ১ নং থেকে ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। সমস্ত প্রশংসা জগৎ সমূহের প্রতি পালক আল্লাহর।
২। যিনি অনন্ত দয়াময়, অন্তহীন মেহেরবান।

সূরাঃ ১ ফাতিহা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

সর্বনাশ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৫২



আমি কবিতা লিখতে পারি না।
আসলে আমি কোনো কিছুই সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে পারি না। আমার লেখা মানেই এলোমেলো এবং অগোছালো বিশ্রী রকম। মাঝে মাঝে লোভ হয়, কবিতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×