সাংবিদকতার সুত্রে তার সাথে পরিচয় আমার। ছোট বেলায় মনের এক কোনে খায়েস ছিলো আর্মি অফিসার হওয়ার কিন্তু পারিনি। তাই সেনাবাহিনীর সদস্যের দেখলেই মনে সেই বাসনার কথাটা উঁিক দেয়। হাসান মশহুদ চৌধুরীর স্যালুট দেয়ার স্টাইলটাও তাই আমার বিশেষ পছন্দের। সবকিছু মিলিয়ে আমার ছোট্ট সাংবাদিকতা জীবনে দেখা সবচেয়ে সৎ মানুষ তিনি।
গত সপ্তাহেও স্যারের বাসায় গিয়েছিলাম একটা অ্যাসাইনমেন্টের বিষয়ে কথা বলতে। স্যার সর্বোচ্চ সহায়তা করলেন। গুরুত্বপুর্ন পরামর্শ দিলেন। আমি আবারো মুগ্ধ হলাম তার আচরনে।
গত কয়েকদিন ধরে হট নিউজ ছিলো হাসান মশহুদ চৌধুরী দুনর্ীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান হচ্ছেন। অনেকের মতো আমার মধ্যেও কিছুটা কনফিউশন ছিলো। একজন উপদেষ্টা ছিলেন, সেখান থেকে দুদক চেয়ারম্যান হবেন তো? বার কয়েক তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলাম।
সর্বশেষ গতকালের খবর সবার জানা। তিনি এখন দুদক এর চেয়ারম্যান। অভিনন্দন তাকে। নিজের জীবনকে যেভাবে সততা দিয়ে সাজিয়েছেন, দেশকেও সেভাবে সাজানোর চেষ্টা করবেন হাসান মশহুদ চৌধুরী। এই আশাই করছি . . .
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



