somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন আমরা কিছু না করে বসে থাকার মাধ্যমে শিবির নামের পশুদের সাহায্য করি।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশ আজ স্পষ্টত দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। একদল চায় জামাত তথা সকল ধর্মীয় রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হউক, যদিও এই দলে মুসলমানের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। আবার আরেক দল চায় দল ধর্মকে পুঁজি করে, রাষ্ট্র ক্ষমতার শীর্ষে আরোহণ করে নিজেদের আখের গুছানোর পাশাপাশি জাতিকে অন্ধকারে নিমজ্জিত রেখে ক্ষমতায় থাকার চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করতে। বস্তুত এই পর্যন্ত যত দেশে ইসলামি শাসন ব্যবস্থা কায়েম হয়েছে সর্বত্র একই চিত্র দেখা যায়।
কে হারবে আর কে জিতবে তা সময় এবং দেশের মানুষ নির্ধারণ করবে। কিন্তু যতদিন এই খেলায় এক দল আরেক দলকে নিশ্চিহ্ন না করবে, ততদিন আমাদের মুক্তি মিলবেনা। বিশ্বজিতরা চাপাতির আঘাতে কিমা হতে থাকবেই, ফারুকদের প্রাণহীন দেহ ডাস্টবিনে স্থান পেতে থাকবেই, হাতের-পায়ের রগ হারিয়ে সচল মানুষ পঙ্গু হতে থাকবেই, উপাশনালয়ে আগুন জলতে থাকবেই, দেশ মাতাকে বিদেশি ধর্ষকদের দিয়ে ধর্ষণ করিয়ে হলেও নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চলতে থাকবেই। আজ এই যে খেলা জমে উঠেছে তার কারন, এক দল দুর্বলতা কাটিয়ে উঠে শক্তি সঞ্চয় করেছে আর অন্য দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্যেও উদারনৈতিক ওর নিরলিপ্ত হওয়ার কারনে শক্তিমত্যায় পিছিয়ে পড়েছে। এক দলের প্রেরনা যেখানে জাগতিক সুবিধার পাশাপাশি পরকালের পরম পাওয়ার হাতছানি, অন্য দলের সামনে তখন পরকালের জুজুর ভয় অথবা নিজের গাঁ বাঁচিয়ে চলার প্রবণতা।
তাই আজ সংখ্যায় এতটা হেরফের থাকা সত্যেও শক্তিমত্তায় তফাৎ কতটুকু অথবা তা কোন দিকে হেলানো তা নির্ধারণ করা আমার কর্ম নয়, বরং পাঠক কিছু আঁচ করতে পারলে আমাকে জানাবেন। তবে এটুকু বলতে পারি, আজ এটা একটা গবেষণার বিষয় হলেও, অদূর ভবিষ্যতে এটা নিয়ে এতটা চিন্তা করা লাগবেনা। কোন গ্রাফটা বেশি খাড়া, এবং তার ঢাল (tangent) কি অবস্থায় আছে সেদিকে তাকালেই বলে দেয়া যায় আমরা এক সাম্প্রদায়িক উগ্র দলের কাছে হেরে যাচ্ছি। যায়গা ছেরে দিচ্ছি ওদের, পিছিয়ে যাচ্ছি মাঠ ফাকা করে দিয়ে।
আমরা নিষ্ক্রিয়। ওরা সক্রিয়। ওরা আঘাত করে দল বেধে। আমাদের যে আঘাত প্রাপ্ত হয়, সে শেষ হয়ে যায় অথবা পঙ্গু হয়ে যায়, বাকিরা চুপ থাকে তাদের কিছু তো হয়নি। আর ওরা এই সুযোগ নেয়। আমরা প্রতিবাদ করি না।
The only thing necessary for the triumph of evil is that good men do nothing.
আসুন আমরা কিছু না করে বসে থাকার মাধ্যমে শিবির নামের পশুদের সাহায্য করি।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৫২
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাঁশি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৪



হিম শীতল মাঘ মাসের রাত। ঘন কুয়াশার কারণে পাঁচ হাত সামনেও কিছু দেখা যায় না আর খালপাড়ের বাঁশঝাড়টা তো অনেক দূরে, বাতাস নেই তারপরও বিচিত্র কারণে বাঁশপাতার শব্দ শোনা যাচ্ছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুলো বেড়াল

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২৮


গ্রামের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কোথাও মানুষের কোনো সাড়া-শব্দ নেই। মাঝেমধ্যে অবশ্য ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে যাচ্ছে। শব্দে কান ঝালাপালা। এত ঝিঁঝিঁ পোকা কোথা থেকে এলো?

দুটো জঙ্গল পেরিয়ে মূল সড়কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের এই দিনে ১৯৭৫-এর শোকাবহ আগস্ট/ রক্তাক্ত দিবস॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:১১



“আজ থেকে অনেকদিন পরে হয়ত কোন পিতা তার শিশুপুত্রকে বলবেন, জানো খোকা! আমাদের দেশে একজন মানুষ জন্ম নিয়েছিল যাঁর দৃঢ়তা ছিল, তেজ ছিল আর ছিল অসংখ্য দুর্বলতা। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ঘাটতি : ভারসাম্যের লক্ষ্যে বাংলাদেশে উৎপাদন ও রপ্তানি কৌশল

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:০২


ভারত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও নিকটতম বাণিজ্য অংশীদার। ভৌগোলিক নৈকট্য, দীর্ঘ সীমান্ত, পরিবহন সুবিধা এবং পরস্পর-নির্ভরশীল উৎপাদনব্যবস্থার কারণে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর কারা মিষ্টি বিতরণ করেছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬


যদি কোনোদিন টাইম ট্রাভেল মেশিন আবিষ্কার হয়, পঁচাত্তরের ঘটনা নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করতাম। সে সময় কিছু মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেছিল বলে শোনা যায় । আমি তাদের কাছ থেকে মিষ্টি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×