শাবাহর বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আদালতে গিয়েছিলেন ঐ দম্পতি৷ দুইজনই বিভিন্ন অপমানের কথা বলে জরিমানার কথা তুলে ধরেন। মামলাটি নিম্ন আদালতের এজলাসে উঠলে উভয়কেই দায়ী করেন বিচারক৷ পরে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন তারা। শীর্ষ আদালত জানায়, ঐ ব্যক্তি তার স্ত্রীকে ভালোবাসি না বলে মানসিক আঘাত করেছেন৷ এজন্য ক্ষতিপূরণ দিতে ঐ ব্যক্তিকে নির্দেশ দেয় আদালত।
ঐ নারী জানান, স্বামীর ঐ মন্তব্য তার আবেগকে ক্ষুণ্ন করেছে। এ কারণে তিনি ঘর ছেড়ে চলে যেতেন। অন্যদিকে ঐ ব্যক্তি বলেছেন, তার স্ত্রী তাকে প্রায়ই অভিশাপ দিতেন।
তুরস্কে নারীদের প্রতি সকল ধরণের সহিংসতা বন্ধের জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে আবেগ সংক্রান্ত ও মানসিক নির্যাতনের বিষয়টি প্রমাণ করা কঠিন। ২০১৪ সালে শিক্ষিত নারীদের চাকুরীরত নারীদের ওপর একটি জরিপ চালানো হয়। জরিপের অংশ নেয়া নারীদের মধ্যে ৪০ শতাংশ মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দেখা গেছে।
তথ্যসূত্র: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০১৫ দুপুর ২:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


