আমাদের জাতীয় সঙ্গীত , যেখানে দেশের প্রতি মমতা, ভালোবাসা, শ্রদ্ধায় পরিপূর্ণতার এক অপূর্ব মিশ্রণ। তবে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ঘটে যাওয়া ইতিহাস গুলো তার সাথে স্থান পাওয়ার যোগ্য। ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৭১-এর মুক্তি যুদ্ধ।

৫২- এর যন্য আজ আমরা বাংলা বলছি, বাংলায় গাইছি। আমার বাংলা মা তার বাকশক্তি পায়। আজ আমরা ২১-শে আসলেই তাঁদের স্বরন করছি যারা আমাদের মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করেছেন নিজের বুকের রক্ত দিয়ে।

৭১, যার ফলে আজ আমরা গর্বিত জাতী হিসেবে বেঁচে আছি, স্বাধীন ভূখণ্ড পেয়েছি, লাল সবুজ পতাকা পেয়েছি। ২৬-শে মার্চ, ১৬- ডিসেম্বর আসলেই তাঁদের স্বরন করছি যারা আমাদের দেশকে পরাধীনতার হাত থেকে বাঁচাল। যাদের রক্তে আজও বাংলার মাটি লাল হয়ে আছে, যাদের সাহসীকতায় আজ বাংলা সবুজে আবৃত।

আমরা মুখে দেশপ্রেমের কথার ফুলঝুরি ছাড়ি, কাজের বেলায় ফাঁকি। ৭১-এর গল্গ শুনেছি, গান গেয়েছি । সাড়া দিচ্ছে মন, চলছল করে চোখ, চেতনায় ভরেউঠে বুক।
৭১-এর চেতনায় সমাজ গড়তে এমন একটি পদক্ষেপ প্রয়োজন , যা আমাদের ঘুমন্ত বিবেককে জাগাবে, যা আমাদের মনকে আর সৎসাহস যোগাবে, যা আমাদেরকে চেতনাদ্বিপ্ত সমাজ গড়তে সহায়তা করবে। আজকের সমাজ- ৫২ ভুলছে, ৭১ ভুলছে । যার ফলে নিজের অস্তিত্য ভুলে আছে। ভুলে আছে গর্বিত বাংলার সোনালী অধ্যায়।

আমি বলতে চাইনা জাতীয় সঙ্গীতের সংযোজন বা পরিবর্তন। জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি দৈনিক একটি বার ৭১-এর গান বা স্বাধীনতার গান গাইলে দেশপ্রেম জাগবেই জাগবে, বাংলায় আমূল পরিবর্তন আসবে ,ইনশাআল্লাহ্
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



