কঠিন ব্যাপার। অল্প জায়গায় গাদাগাদি করে লাখ লাখ মানুষ কি করে থাকছে আমার বুঝে আসে না। তারপরও থাকছে সবাই। কারো কোন অভিযোগ নেই। মুল সমস্যা হয় গোছল আর প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে। আম-জনতার জন্যে যে ব্যবস্থা আছে তাতে ডাকে সাড়া দেওয়া কঠিন।
গতকাল শনিবার মাগরিবের নামাজ পড়লাম ইজতেমার মাঠে। দেশী-বিদেশী বড় মেহমানদের জন্যে ভলান্টিয়ারদের তাবুতে আস্তানা পেলাম। রাজকীয় না হলেও মোটামুটি আমীর-ওমরাহদের মতো ব্যবস্থা। সামনেই ছিলো বোবাদের জন্যে তাবু। দেশবিদেশের প্রায় 500 বোবা শরীক হয়েছেন এই ইজতেমায়। তাদের জন্যে আছেনঅনুবাদক। আমি দুইজনকে দেখেছি- একজন বাংলা থেকে আরেকজন উর্দ্দু থেকে বোবা-সাইনে বক্তব্য অনুবাদ করে দিচ্ছেন।
শায়খুল হাদীস আল্লামা আজীজুল হক সাহেব, বসুন্ধরার মুফতী আব্দুর রহমান সাহেব সহ কওমী লাইনের প্রায় সকল মুরুব্বী হাজিরা দিয়েছেন/দিচ্ছেন , বয়ান শুনছেন এখানে। কয়েক বছর থেকে এ সমস্ত প্রবীন মুরুব্বীদের থাকার জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গত বছর ইজতেমায় প্রায় 3500 বিদেশী মেহমান এসেছিলেন। এবার তা 7000 ছাপিয়ে গিয়েছে। বিদেশী মেহমানদের মধ্যে আছেন মধ্যপ্রাচ্যের এক বাদশাহর ভাই, আছেন আরেক দেশের আমীর। আরও অনেক গন্যমান্য ভিআইপি এবার অংশ নিয়েছেন। মুরুব্বীরা আশা করছেন এবার ইজতেমা থেকে সব মিলিয়ে প্রায় 5000 জামাত বের হবে চিল্লায় সারাদেশে। প্রতি জামাতে 10 থেকে 20জন অংশ নেন। সেই সুত্রে 50000 হাজারেরও অধিক লোক চিল্লায় অংশগ্রহন করবেন।
তাবলীগে খুব কমই অংশ নিয়েছি। 3 দিন করে 7/8 বার গিয়েছি। মনে হচ্ছে আরও বেশী অংশগ্রহন প্রয়োজন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



