somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শাবাস সর্বোচ্চ বিদ্যাপীটের স্নাতক ডিগ্রিধারীরা-স্যাররা কি শিখিয়েছে না শিখিয়েছে ভুলে যাও

২৮ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬তম সমাবর্তনের উপহার সামগ্রী নিতে এসে আজ বুধবার চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছেন স্নাতক ডিগ্রিধারীরা। এ সময় তাঁরা লাইন ভেঙে উপহার-সামগ্রী দেওয়ার স্থানে ঢুকে একটি ব্যাগের বদলে অনেকগুলো ব্যাগ নিয়ে চলে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও উপাচার্য সেখানে ছুটে যান। বেলা দুইটার দিকে স্নাতক ক্যাপ ও উপহার-সামগ্রী দেওয়া আজকের মতো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজকে থেকে সমাবর্তনের গাউন, ক্যাপ ও উপহার-সামগ্রী দেওয়ার কাজ শুরু হয়। এ জন্য সকাল থেকেই টিএসসিতে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী জড়ো হন।
সমাবর্তনের জন্য ব্যাংকে জমা দেওয়া টাকার রসিদ শিক্ষার্থীদের কাছে থাকে। সেই রসিদ দেখিয়ে বিষয় ও বিভাগ অনুসারে ব্যবস্থা করা ডেস্কে ফরম পূরণ করতে হয়। সেই ফরমের তিনটি ভাগ থাকে, যা দেখিয়ে গাউন, ক্যাপ ও উপহার-সামগ্রী নিতে হয়।
টিএসসির ইনডোর গেমস রুম থেকে স্নাতকদের ক্যাপ ও উপহার-সামগ্রী দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু দুপুর ১২টার দিকে লাইন ভেঙে যে যার মতো ওই কক্ষে ঢুকে উপহার-সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে যান। একজনের জন্য উপহার-সামগ্রীর একটি ব্যাগ নির্ধারিত থাকলেও তাঁরা অনেকগুলো করে ব্যাগ নিয়ে যান। বাইরে বেরিয়ে তাঁরা কয়েকটি ব্যাগের সামগ্রী একটি ব্যাগে ভরে বাকি ব্যাগগুলো খালি অবস্থায় বাইরে ফেলে দিয়ে চলে যান। পুরো এলাকায় চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা। দেড়টার দিকে সেখানে যান উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। তিনি একাধিক উপহার-সামগ্রীর ব্যাগসহ কয়েকজনকে হাতে-নাতে ধরেন। শিক্ষার্থীদের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন, ‘তোমাদের আমরা এ-ই শিখিয়েছি, এই শিক্ষা দিয়েছি?’ বেলা দুইটার দিকে তিনি আজকের মতো এ কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেন।
তবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। যেখান থেকে গাউন দেওয়া হচ্ছে, সেখান থেকেই ক্যাপ ও উপহার-সামগ্রী দিলে এ ধরনের ঘটনা ঘটত না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা এ কাজ করেছেন বলে অনেকেই দাবি করেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৯:২২
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চাপ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১



রাজধানী ঢাকা সহ দেশের নানা অঞ্চলে টমটম, অটোরিক্সা, নসিমন, করিমন চলাচল করে। বেশ মানুষজন পরিবহন সহ মালামালের বস্তাও টানাটানি করতে দেখা যায়। কিন্তু এইগুলোর দেশ হচ্ছে গ্রাম গঞ্জের বাজার আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার সমাধিতে কোনো ফলক রেখো না

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৪


আমার সমাধিতে কোনো ফলক রেখো না
আমার ডক্টর উপাধিটি মুছে দিও
জ্ঞানী, কবি, দরবেশ, সাধক, সফল, ব্যর্থ
এসব কোনো শব্দই যেন
মাটির ওপর দাঁড়িয়ে আমাকে আলাদা না করে।

কারণ আমি দেখেছি
অহংকার খুব সূক্ষ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর পর্যন্ত সবাই শিশু!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

১৮ বছর পর্যন্ত সবাই শিশু!

শিশুর অধিকার রক্ষা অবশ্যই সভ্য সমাজের দায়িত্ব। কিন্তু প্রশ্নটা তখনই কঠিন হয়ে ওঠে, যখন ১৭ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী কেউ ধর্ষণ বা হত্যার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস: ঢাকার রাজপথ, ধারণক্ষমতার সংকট এবং গণপরিবহনের বাস্তবতা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩



আজ ২২ সেপ্টেম্বর—বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস। কল্পনা করুন তো, কর্মব্যস্ত এক মঙ্গলবারের সকালে ঢাকার রাজপথে কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি নেই! কানে তালা লাগানো অহেতুক হর্নের গর্জন নেই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফুনফুনা ফুন

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩



ছয় হাজার হাজার আগে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলো মাত্র দশ লাখ।
হ্যা দশ লাখ। পুরো পৃথিবীর সব জায়গায় মানুষ থাকতো না। বনজঙ্গল ছিলো। আর সমুদ্র এবং নদী। পাহাড় পর্বত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×