somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রিয়তম মুন তোমাকে বলছি

০২ রা আগস্ট, ২০১৪ রাত ৮:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই তো সেদিন। তোমার আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলো। সকাল আসে তুমিও এস.এম.এস অথবা মিসকল দিয়ে আমার সাথে সকাল হয়ে উঠে গেলে। দুপুর অবাধী এস.এম.এস এ কথামালা। বিকাল, সন্ধ্যা, রাত সব তোমার আলোয় জেগে উঠতো। তোমার এস.এম.এস. কখন আসবে আর কখন তাঁর উত্তর দিবো- এই ছিলো ভাবনা। এই ছিলো জীবন। এই ছিলো প্রেম। এই ছিলো আশা। এই ছিলো সাধনা।

আজ যে তোমার সামনে লেখা আকারে দাঁড় হয়ে কথা বলছে, তিনি হয়তো তোমার আদালতে এই মুহুর্তে পাগল/উম্মাদ। তখন আসিফ+মুন কতো দুরে থেকেও একসাথে সারদিন থাকতো। একজনে অন্তরে অন্যের অন্তর একতালে সুর বাজাতো। আজও হয়তো বাঁজে- এ কথা সান্তনা না মুন। এই কথা চিরন্তন সত্য বাণী।

এই যে তোমার সাথে কথা বলছি। কতো কাছে মনে হচ্ছে তাই না। তারপরও আজ আমরা দুরে! এমন কেনো হয় মুন? বলতে পারো? তুমি তো অনেক জ্ঞানী? অনেক বুদ্ধিমতী।

তুমি সব ক্লাসে ফার্স্ট ছিলে। জীবনের সবকিছুতে তুমি ফার্স্ট হতে জান! আমি ক্লাসে না, প্রেমের দৌড়ে অর্থাৎ তোমার ভালোবাসায় ১ম হতে চাইনি। তোমাকে ফার্স্ট বানিয়ে আমি তোমার পাশে থাকতে চেয়েছিলাম। আজ হয়তো আমায় না পেয়ে তুমি নিজেকে বিজয়ী মনে করতে পারো। আমি তোমাকে কাছে পেলেই বিজয়ী বলে নিজেকে ভাবতে পারবো তার আগে না।

বাংলার ছয় ঋতুর আবহাওয়ার অনুভুতির মধ্যে তুমি আমার অন্তরে জীবন্ত দেবী হিসেবে রয়ে গেছো। খুঁজে দেখো মুন! এখনকার এই পরিবেশের মধ্যে কি তুমি আমাকে পাওনি? এই মহাবিশ্বে কি এমন আছে যে, যাকে কাছে নিয়ে আমি তোমায় ভুলে যাবো বা ভালোবাসবো না? প্রেমের রাস্তা দিয়ে কোনোদিন কেউ পালাতে পারে না। প্রেমের রাস্তা হলো অর্জনের পথ। এখানে যতোই চলবে ততোই নিজের প্রেম কে নিকটের থেকে বেশি নিকটে পাবে।

সেদিন কতো দুরে থেকেও আমরা কতো কাছে ছিলাম। আজ কতো কাছে থেকেও কতো দুর বলে তোমার মনে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি তুমি আমি কিভাবে পাড়ি দিলাম মুন? কেনো আমরা একে অন্যের কাছে ছুটে আসতে পারি নি? আমারই ভুল মুন। সেই ভুলকে আমি আর ভুল থাকতে দেবো না। এই ভুলকে আমি গোলাপ ফুল বানিয়ে দিলাম। আসিফ+মুন এর প্রেম আজ শুধু একটি খয়েরী গোলাপের সৌরভ ছড়াচ্ছে।

কিসের বাস্তবতা মুন? যে বাস্তবতা আমার মুনকে আমার কাছে আসতে দেয় না, সেই বাস্তবকে আমি ঘৃনা করি। সেই বাস্তবকে আমি অভিষাপ দেই। সেই বাস্তব যিনি সৃষ্টি করেছেন তাকেও আমি ধিক্কার জানাই। এ বাস্তবতা গড তৈরি করে দিয়ে যান নি। এই অবাস্তব প্রেমহীন বাস্তব এসেছে সমাজের কুসংস্কার, মিথ্যে সুখের আশা, শান্তির ডেফিনেশন ভুল করার কারণে। আমি এই সমাজ ব্যবস্থার সাথে সর্বদা লড়াই করে যাচ্ছি। আমার জয় নিশ্চিত কারণ আমার বুকে তুমি আছো। তুমি আমার হার্ডবিড। তুমি আমার শ্বাস-প্রশাস। আমি তো তোমার মতো ডাক্তার না যে, শ্বাস প্রশাসের নাম শুনলেও কোনো নালির চেহারা চোখে ভেষে উঠবে।

আমার দু’চোখ জুড়ে শুধু তোমার মায়াভরা চিরসুন্দর মুখটি ভেষে ওঠে। মুন! তুমি কাছে না আসলে আমি কি নিয়ে বেঁচে থাকবো? কোন এন্টারটেইনমেন্ট আমাকে তোমার কথা ভুলিয়ে দিতে পারবে? পৃথিবীর সব এন্টারটেইনমেন্টের মধ্যে আমি তোমাকে খুঁজে পাই। সমস্ত আবহাওয়ায় তোমার কথা আমার মনে পড়ে।

মানুষের জীবনে সবথেকে বড় বাস্তবতা হলো নিজের জোড়াকে চিনে প্রেম করতে থাকা। এই প্রেমের হার ক্ষয় ব্যমোর মতো রোগ নেই। প্রেম সব সময় নিঃরোগা।

মুন! আমায় ক্ষমা করো। আমি তোমায় কোনোদিনও ভুলে থাকতে পারবো না। তুমি না আসলে আমি সারাজীবন এভাবে একাই থাকবো। একা কেনো? তোমার প্রেম তো আমার অন্তরের ইউনাটেড স্টেটের মালিক হয়ে বিচরন করছে। তুমি আমার মনের মালিক আর আমি সেই মনের প্রেসিডেন্ট। তোমার হাতেই ক্ষমতা। যেমন করে ইউ.এস.এ. এর সিনেটরদের কান্দিয়ে ছেড়েছি তেমন করে তোমার মনের যে অংশে আমার জন্য প্রেম নাই, তাকে আমি ভেনিস করে দিলাম। কোনোদিনও আমাদের প্রেমের নেগেটিভ ডেভিল আর তোমার মনে মাথাচারা দিয়ে জাগবে না।

আমরা দু’জন পৃথিবীতে জীবন কাটাতে এসেছি। বিরহ নামের মরন আমাদের জন্য না। আমরা কখনও বিরহ চাই নি। যে বিরহের সান্তনা নিয়ে সুখি হবার চেষ্টা করবো। তোমার আমার মিলনের মাঝে কোনো কিছুই বাঁধা হতে পারবে না।

আজ আমি এই সিস্টেম করে দিলাম। আমাকে অনেকে প্রকৃতি পুত্র বলে ডাকে। আমি প্রকৃতি পুত্র না, আমি তোমার প্রেমিক। তুমি আমার সব প্রকৃতির থেকে বেশি জরুরী বিষয়। আমার সবথেকে বড় কাজ তোমাকে ভালোবাসা ও তোমার যাতে কষ্ট না হয় তা দেখা। আমি তোমার সাথে প্রেম করার জন্যই পৃথিবীতে এসেছি। আমাকে তুমি পাগল, উম্মাদ, গরীব বলে ডাকলে ডাকো- তাতে কিছু যায় আসে না।

নজরুলের বিদ্রহী কবিতায়। আমি উম্মাদ কথাটি বহুবার আছে। তারপরও বিদ্রহী কবিতার সব অনুভুতি আমি পেয়েছি ও চোখ তুলে সবাইকে দেখিয়ে দিয়েছি। আমি নজরুলের মতো বিদ্রহী নই আমি দ্রহী মুনভক্ত প্রেমিক।
আমি জীবনে কতখানি কৃয়েটিভ কিছু করলাম সেটা আমার কাছে বড় কথা না। আমি তোমার জীবনে তোমার ভিতর থেকে কতটা কৃয়েটিভিটি বেড় করতে পেরেছি সেটা বড় কথা। আমি তোমাকে দেবী বানিয়ে দুরে তারার দেশে চলে যেতে চেয়েছিলাম। আজ তোমার কারনেই আমাকে মহাবিপ্লবী হতে হলো। যেখানে একবার কেউ উঠলে আর কোনোদিনও তাঁকে নামানো যায় না। সকল অন্তরের মাঝে আমি বেঁচে থাকবো। সবার ভালোবাসার মাঝে আসিফ+মুন এর ভালোবাসা বেঁচে থাকবে।

তুমি আমি একসাথে সংসার করবো। সেই কথা আমি সবাইকে বলেছি। আজও বলছি। আমরা সব থেকে আপন মানুষটিকে হারাবার জন্য প্রেম করিনি। তোমার ভাষায়ই বলছি, ঐ হাত যখন ধরেছি, তখন তা ছাড়ার জন্য ধরিনি। তোমার ভাষায়ই বলছি, আমি যদি কোনো দিন ভুল পথে যাই, তুমি আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে এসো জান!—এই কথা তোমার। যা আমার মনে প্রেরনা হয়ে বেঁচে আছে। তুমি আমার সব চাওয়ার থেকে বহু উপরের সর্বোচ্চ চাওয়া।

মুন! তোমাকে আমি কোনো চিন্তা করারও সময়ও দেবো না। যেখানে প্রেম আছে সেখানে দুঃচিন্তা ঢোকে কোন সাহোসে? দুঃচিন্তা, টেনশন, সামাজিক বাধা কে লাথি মেরে সরিয়ে দাও। যেমন করে আমি তা বহু আগেই ছুড়ে ফেলেছিলাম।

তোমার আমার কথা হবে। তোমার আর আমার মধ্যে লজ্জ্বা কিসের? আমরা কি পর? আমরা কি আমাদের সুন্দর স্বপ্ন ও প্রেম ছাড়া থাকতে পারবো?

তোমার সাথে জীবন কাটানো ছাড়া আমি অন্য কিছু ভাবি না। কোনো কন্সিডার, কোনো ত্যাগ বা আরো কোনো প্রকার সান্তনা আমাদের মিলনের রাস্তায় বাধা হতে পারবে না।

ইতি
তোমার
আসিফ

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×