somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিখ্যাত ব্যক্তিদের অদ্ভুত মৃত্যু

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মৃত্যু নিয়ে মজা চলে না । কিন্তু এই মৃত্যুগুলো এত আলোচ্য এই জন্যই যে, কারণ তারা ছিলেন তাদের সময়ে অত্যন্ত বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। তাছাড়া তাদের মৃত্যুগুলো একটু অদ্ভুতুরে।



১। এটিলা দ্য হুন ( Attila The Hun): এটিলা ছিলেন হুন জাতির একজন শাসক যিনি ইতিহাসের পাতায় ভিলেন হিসেবে কুখ্যাতি কুড়িয়েছেন। ধারণা করা হয় তিনি ৪৫০ খ্রিস্টপূর্বে সম্পূর্ণ এশিয়া তার আর্মি নিয়ে দখল করে ফেলেছিলেন। উরাল নদী হতে রাইন নদী এবং দানিউব নদী হতে বাল্টিক সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয় তার সাম্রাজ্য।
তিনি ছিলেন পশ্চিম ও পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের অন্যতম ভীতির কারণ। তিনি দানিউব নদী দুইবার পার হন এবং বলকান অঞ্চল লুট করেন, কিন্তু কন্সট্যান্টিনোপল দখল করতে ব্যর্থ হন। আতিলা রোমান গল (আধুনিক ফ্রান্স) জয় করারও চেষ্টা চালান। তিনি ৪৫১ সালে রাইন নদী পার হয়ে অরেলিয়ানাম (অরলিন্স) শহর পর্যন্ত মার্চ করে যান। এখানে কাতালোনিয়ান প্লেইন্স এর যুদ্ধে তিনি পরাজিত হন।
এর কিছুদিন পরই তিনি ইতালি আক্রমণ করেন এবং উত্তর প্রদেশসমূহে ধ্বংসযজ্ঞ চালান। কিন্তু রোম দখল করতে অসমর্থ হন। রোমানদের বিরুদ্ধে তার আরও অভিযান চালানোর পরিকল্পনা ছিল কিন্তু তার আগেই ৪৫৩ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আতিলার একটি বিখ্যাত উক্তি, You don’t kill the messenger who brings you the bad news; you kill the messenger who FAILS to bring you the bad news. অর্থাৎ তুমি ঐ বার্তাবাহককে হত্যা করো না যে তোমার জন্য খারাপ খবর নিয়ে আসে, বরং তাকে হত্যা করো যে তোমার খারাপ সংবাদ বের করে আনতে ব্যর্থ হয়।
যেভাবে মারা যান:
এমনিতেই এই বীরের নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সমস্যা ছিলো, তার উপরে বিয়ের দিন রাতে অতিরিক্ত খাওয়া আর মদ্য পান করে নিজের উপর তাল হারিয়ে ফেলেন এবং পরদিন সকালে তার নিজের রক্তে ডুবন্ত অবস্থায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।



২। হ্যান্স স্টেইনিনগার (Austrian Hans Steininger) - তিনি তার সময়ে বিশ্ব বিখ্যাত ছিলেন তার রেকর্ডধারী দাড়ির জন্য। তার দাড়ির দৈর্ঘ্য ছিল সাড়ে তিন ফুট। তিনি অস্ট্রিয়ার ইৎধঁহধঁ নগরীর একজন মেয়র ছিলেন। একবার তার অস্বাভাবিক আকৃতির দাড়ি দেখার জন্য সম্রাট রুডলফ-২ তাকে প্রাগে আমন্ত্রণ জানান। সে যুগে দাড়ি বড় করাটা অনেক কষ্টসাধ্য বিষয় ছিলো।
যেভাবে মারা যান: ১৫৬৭ সালে তার শহরে আগুন লাগে। আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তিনি দিগি¦দিক ভুলে দৌড় শুরু করেন। এ সময় তিনি দাড়ি গোছাতে ভুলে যান। তিনি সে আগুনে পুড়ে মারা না গেলেও চুলের উপর পা লেগে মাটিতে পড়ে ঘাড় ভেঙ্গে ইহধাম ত্যাগ করেন। দিনটি ছিল সে বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর। তার এই মৃত্যুকে স্মরণ করে দিনটিকে বিশ্ব দাড়ি দিবস পালন করা হয়।



৩। হোরাস ওয়েলস (Horace Wells ) : হার্টফোর্ড ভারমন্টে জন্মগ্রহণকারী হোরাস ওয়েলস বোস্টনে দন্ত বিষয়ে শিক্ষা লাভের আগে নিউ হ্যাম্পশায়ারের ওয়ালপোলে প্রথম শিক্ষালাভ করেন। পরে তিনি চিকিৎসার জন্য একটি দপ্তর খোলেন। সেখানে প্রথম তিনিই প্রথম চেতনানাশক ব্যবহার করে দাঁতের চিকিৎসা করেন। তিনি চেতনানাশকের পেটেন্ট এই জন্য নেননি যেন তার কোন স্বত্ব না থাকে এবং মানুষ বাতাসের মত সস্তায় এটি ব্যবহার করতে পারে। একবার তিনি এর কার্যকরিতা প্রকাশে ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে ছাত্রদেরকে দেখাতে যান। কিন্তু যথাযথ প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে তা কাজ করে নি এবং রোগী ব্যথায় চিৎকার করে উঠে। পরে ছাত্ররা তাকে ভূয়া আখ্যায়িত করে হল ত্যাগ করে। এতে তিনি ভীষণ বিব্রত বোধ করেন। এ নিয়ে অন্যদের কাছে তার সম্মানহানী ঘটে। কিন্তু পরে তিনি নিজের দাঁত তুলে এর কার্যকরীতা প্রমাণ করেন।

যেভাবে মারা যান: এনেস্থেসিয়ার উপর রিসার্চ করতে গিয়ে ডেন্টিস্ট ওয়েলস ক্লোরোফরম গ্যাসের প্রেমে পড়ে যান। ১৮৪৮ সালে তাকে এরেস্ট করা হয় সালফিউরিক এসিড দিয়ে দুই মহিলাকে ¯েপ্র করার অপরাধে। এবং তিনি তার একটা পত্রে স্বীকার করেন যে তার এই কাজের জন্য ক্লোরোফরম দায়ী। অত:পর নিজেকে ক্লোরোফরম দিয়ে এনেস্থেটাইজড করে নিজেকে ব্লেড দিয়ে আঘাত করে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।


৪। জেরোমি আরভিং রোডেইল (Jerome Irving Rodale ): জেরোমি আরভিং রোডেইল ছিলেন একাধারে গীতিকার, সম্পাদক, লেখক এবং রোডেইল ইনকর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে টেকসই কৃষি এবং জৈব চাষে সমর্থকদের মধ্যে অন্যতম একজন। তিনি একটি প্রকাশনা সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন এবং স্বাস্থ বিষয়ক অনেক পত্রিকা প্রকাশ করেন যাতে নিজের এবং অন্যদের লেখা প্রকাশ করেন।
তিনি ১৮৯৮ সালে নিউইয়র্কে জন্মলাভ করেন। তার পিতা ছিলেন একজন মুদি দোকানী। তার ছোটবেলার নাম ছিল কোহেন। কিন্তু এ নাম ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর হবে আশঙ্কা করে অইহুদি নাম ধারণ করেন। তিনি জৈবিক খাদ্যের প্রতি আগ্রহী ছিলেন।
যেভাবে মৃত্যু হয়: ১৯৭১ সালের এক টিভি শো (dick cavett show) তে তার সাক্ষাতকার চলাকালীন অর্গানিক ফুডসের প্রয়োজনীয়তার উপর বলতে গিয়ে, তিনি ঘোষণা দিয়ে দিয়েছিলেন যে- তিনি খুব সহজেই ১০০ বছর বাঁচবেন, যদিও তার বয়স তখন ছিলো ৭২। দুভার্গ্যক্রমে ঐ শো রেকর্ডিং এর সময়ই হার্ট এ্যাটাক করে তিনি মারা যান, অতপর সেই শো আর কখনো প্রচার করা হয় নি।




৫। ইস্কিলুস (Aeschylus ): জন্ম ৫২৫ খ্রিস্টপূর্ব। একজন প্রাচীন গ্রিক নাট্যকার। তিনি প্রাচীনতম তিনজন গ্রিক ট্র্যাজেডি রচয়িতাদের মধ্যে একজন, যাদের লেখা সম্পূর্ণ হারিয়ে যায়নি। অন্য দুইজন হলেন সফোক্লেস এবং ইউরিপিদেস। ইস্কিলুস জন্মেছিলেন এথেন্সের কাছাকাছি একটা ছোট্ট জনপদে, খ্রিস্টপূর্ব ৫২৫ অব্দে। তার পিতা ইউফেরিয়ান ছিলেন এথেন্সের প্রাচীন অভিজাতবর্গের সভ্য। ইস্কিলুস প্রথমে ম্যারাথন ও পরবর্তীতে সালামিসে পারস্যবাহিনীর সাথে গ্রীকদের যুদ্ধে গ্রীকদের হয়ে লড়াই করেন বলে মনে করা হয়। যুদ্ধে গ্রীকদের বিপর্যয় ও দুঃখবোধ তাকে ট্র্যাজেডি রচনাতে অনুপ্রাণিত করে। মানব জীবনের দুঃখ, হতাশা তার মনের মধ্যে এক গভীর বেদনাবোধ জাগিয়ে তোলে, যা তিনি তার নাট্যাঙ্গিকের মাধ্যমে উন্মোচিত করেছেন আর পেয়েছেন ট্র্যাজেডির প্রথম স্রষ্টার আসন।
ইস্কিলুস দীর্ঘ ৪০ বছর নাট্য চর্চায় নিমগ্ন ছিলেন। মৃত্যুর ৩ বছর আগে তার সুবিখ্যাত ত্রয়ী নাটক ওরেস্টিয়া (খ্রি.পূ. ৪৫৮) রচনার আগ পর্যন্ত নাটক রচনাতে তিনি ছিলেন ক্ষান্তিহীন। অভিধান লেখক সুইদাদের মতে ইস্কিলুস তার জীবনকালে ৯০ টির মত নাটক রচনা করে গিয়েছেন, যার মধ্যে সাতটি নাটক অখণ্ডিত অবস্থায় আমাদের প্রজন্মের হাতে পৌঁছে। নাট্যজগতে তার প্রবেশের আগেই মূলত প্রোটিনাসের হাতে সূচিত হয়েছিল স্যাটায়ার নাটকের সমৃদ্ধ ধারা। তখনকার নাটক ছিল কোরাস সমৃদ্ধ। কোরাসের কাজ হল নাটকের সূচনা ও কাহিনী দীর্ঘ ভাষণের মাধ্যমে আবৃত্তি করা। ইস্কিলুস প্রথম নাটকে অভিনেতা যুক্ত করেন এবং নাটককে একটা প্রাণবন্ত রূপ উপহার দেন। এছাড়া নাটকে কুশীলবদের সংখ্যা বাড়ানো ও পোশাকে বৈচিত্র আনা তার অনবদ্য অবদান।
তার রচিত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ওরেস্টিয়া’, ‘প্রমিথিউস বাউন্ড’, ‘আনবাউন্ড প্রমিথিউস’, ‘দ্য পার্সিয়ান’, ‘সেভেন এগেনেস্ট থিবস’, ‘দ্য সাপ্লিয়ান্ট’ প্রভৃতি।
যেভাবে মারা যান: সময়টা ৪৫৬ খ্রিস্টপূর্ব। ঈগল পাখী খাদ্য হিসেবে কচ্ছপের খোলস ভাঙ্গার জন্য সাধারণত পাথরের উপর ফেলে। বেচারার টাক মাথাকে পাথর ভেবে ঈগল পাখী ভারী কচ্ছপ ফেলার ভুলের খেসারত তাকে গুনতে হয়েছিলো জীবনের বিনিময়ে।



৬। ট্যুকো ব্রাহে (লাতিনীকৃত নাম: Tycho Brahe , ডেনীয় নাম: Tyge Ottesen Brahe (জন্ম-১৪ই ডিসেম্বর ১৫৪৬, মৃত্যু- ২৪শে অক্টোবর ১৬০১) । তিনি ছিলেন ডেনীয় অভিজাত সম্প্রদায়ের ব্যক্তি যিনি নিখুঁত এবং নির্ভুল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তার আদি বাসস্থান Scania-তে যা তখন ডেনমার্কের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বর্তমানে আধুনিক সুইডেনের একটি প্রদেশ। তিনি জীবদ্দশায় জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং আলকেমিবিদ হিসেবে সুখ্যাত ছিলেন।
১৫৭৩ সালে তার দে নোভা স্তেলা (নতুন তারাটি সম্পর্কে) বইটিতে তিনি এরিস্টটলের সুস্থির এবং অপরিবর্তনীয় খণ্ডগোলকের ধারণাকে ভুল বলে অভিহিত করেন। নিখুঁত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে, নবতারা (বর্তমানে যা অতিনবতারা নামে পরিচিত), বিশেষ করে ১৫৭২ সালের অতিনবতারাটি, পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যে অবস্থিত হলে যে পরিমাণ লম্বন দেখানোর কথা তার থেকে বেশি লম্বন দেখাচ্ছে এবং তথাপি এগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে অবস্থিত লেজবিহীন ধূমকেতু নয়, বরং বায়ুমণ্ডলের বাইরে অবস্থিত। একই ধরণের পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আরও প্রতিষ্ঠিত করেন যে ধূমকেতু বায়ুমণ্ডলের ভেতরকার ঘটনা নয়, এবং যথারীতি তারা সে সময় গৃহীত অপরিবর্তনীয় খণ্ডগোলকের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে।
ট্যুকো ব্রাহেকে Heven দ্বীপে অনেক বড় একটি সম্পত্তি দেয়া হয়েছিল এবং Uraniborg নামে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের অর্থও প্রদাণ করা হয়েছিল। এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে তিনি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের জন্য বড় বড় যন্ত্র নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে Stjerneborg নামে একটি গবেষণাগার নির্মাণ করেন মাটির নিচে। তখন এটিও বুঝতে পারেন যে পূর্বের গবেষণাগারটির যন্ত্রপাতি যথেষ্ট সুস্থির ছিল না। এই দ্বীপে তিনি বেশ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করতেন, এমনকি নিজের গবেষণার ফলাফল প্রকাশের জন্য উপযোগী কাগজ সরবরাহের জন্য সেখানে নিজে কাগজ তৈরির কারখানা করেছিলেন। ১৫৯৭ সালে ডেনমার্কের রাজার সাথে মতানৈক্য হওয়ার পর বোহেমিয়ার রাজা এবং পুণ্য রোমান সম্রাট রুডলফ-২ তাকে প্রাগ শহরে আমন্ত্রণ জানান। এখানে তিনি রাজ-জ্যোতির্বিদ পদ গ্রহণ করেন, নতুন একটি মানমন্দির নির্মাণ করেন প্রাগের নিকটে অবস্থিত Benátky nad Jizerou নামক স্থানে। এখানে ১৬০০ থেকে ১৬০১ সালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তার সহযোগী হিসেবে ছিলেন বিখ্যাত জার্মান জ্যোতির্বিদ ইয়োহানেস কেপলার। কেপলার ট্যুকোর মৃত্যুর পর তার উপাত্ত ব্যবহার করেই গ্রহীয় গতির সূত্র প্রণয়ন করেছিলেন। বলা হয়, ট্যুকোর মত নিখুঁত পর্যবেক্ষণ সে সময় আর কারো পক্ষে করা সম্ভব ছিল না।
জ্যোতির্বিদ হিসেবে ট্যুকোর অবস্থান ছিল নিকোলাউস কোপার্নিকাস এবং টলেমির মাঝামাঝি। তিনি কোপার্নিকুসীয় জগতের জ্যামিতিক সুবিধা এবং টলেমীয় জগতের দার্শনিক সুবিধা একত্রিত করে নতুন একটি বিশ্ব ব্যবস্থা তৈরি করতে চেয়েছিলেন যার নাম ট্যুকোনীয় জগৎ। উপরন্তু, তিনি ছিলেন শেষ জ্যোতির্বিদদের একজন যারা কোন দুরবিন ছাড়া কেবল খালি চোখে সকল পর্যবেক্ষণ করেছেন।
যেভাবে মারা যান:
অতিরিক্ত মদ্যপান করে তিনি এক বিশাল ডিনারে বসেন। তখনকার যুগে খাওয়া না শেষ করে খাওয়ার সময় টেবিল ছেড়ে যাওয়া ছিলো একটা অভদ্রতা। এদিকে প্রকৃতির ডাক পড়লে তিনি ভদ্রতার খাতিরে যথাসময়ে উঠতে পারেন নি। ফলে প্রচণ্ড চাপে ব্লাডার ফেটে যায়। অতঃপর তাতে পরবর্তি ১১ দিনের মধ্যেই মৃত্যুমুখে পতিত হন।
(আইডিয়া: ইন্টারনেটের কোথাও যার লিংক এই মুহূর্তে হাতের কাছে নেই। তবে খাটা-খাটনি করতে হয়েছে মেলা...)
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১১:০০
২১টি মন্তব্য ২৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...

তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×