somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অনিশ্চয়তার এক খেলা

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জীবনের মজাটাই তো এখানে যে কালকে কি হবে সেটা জানিনা। নাহ একটু ভুল বলে ফেল্লাম। কালকে কেন, এক মিনিট পরে কি হবে সেটাই তো জানিনা। বা আরো সূক্ষভাবে বললে বলতে হবে এক সেকেন্ড পরের ঘটনা আমাদের অজানা। এই যে লেখা, এটা শেষ করতে পারবো কি না অথবা জেভাবে শেষ করবো ভাবছি, তা করতে করতে কি কি ঘটতে পারে তা বলতে পারবো না। আব্বুর মৃত্যু সংবাদ পাবার এক মিনিট আগে আমি বন্ধুদের সাথে কোথায় কতক্ষন আড্ডা দেয়া যায় সেটা ভাবছিলাম। আমি জানতামই না একটা মিনিট, মাত্র একটা মিনিট পরেই আমার জন্য কি খবর অপেক্ষা করছে।
এটাই তো জীবনের মজা। আপনাকে ক্ষনে ক্ষনে অবাক করে দিবে জীননের সব ঘটনা। জীবনে একঘেয়েমি আসার কোনো সুযোগই নেই। জদিনা আমরা নিজেরা যোর করে একঘেয়েমি তৈরী করি।
আমরা অনেকেই ভিডিও গেমস খেলি। ভার্চুয়াল রিয়ালেটিতে বসে থাকি। অথচ আমাদের জীবনটাই তো একটা খেলা। ভিডিও গেমসে যেমন জানেন না কোথায় কি ধরনের বিপদ অপেক্ষা করে আছে, বা হুটকরে কখন কোথায় থেকে বোনাস পয়েন্ট চলে আসবে, জীবনটাও তো বলতে গেলে তেমনি। বলা যায় জীবনটা অনেক বড় পরিসররের একটা "ভিডিও গেমস"। কিন্তু দেখা যায় গেমস খেলতে চরম মজা লাগে আর জীবনটাকে লাগে বড় পানসে।
এর একটা কারন হতে পারে যে হয়ত জীবনের আসল খেলায় এখনো "Enter" করা হয়নি। এবং এই খেলায় Enter করতে হলে প্রথমে চার দেয়ালের বাইরে বেরোতে হবে। আর এই দেয়াল যে শুধু ইট কাঠের দেয়াল তা না, অনেক সময় আমরা আমাদের মনের দেয়ালেও আটকে যাই। এবং এই মনের দেয়াল কংক্রিটের দেয়ালের চেয়েও আরো বেশি মজবুত। তবে এতটাও মজবুত না যে ভাঙ্গা যাবে না।
তা যা বলছিলাম। অনিশ্চয়তা। জীবনের চরম অনিশ্চয়তাটাই বেঁচে থাকার আসল মজা। অনেকটা তরকারির লবনের মত। আপনাকে শুধু ঠিকমত লবনটা ব্যবহার করতে হবে।
আচ্ছা ভেবে নেন না যে, আপনি ভিডিও গেম খেলছেন। কালকের প্রজেন্টেশনটা জাস্ট খেলার একটা জটিল স্টেজ। বা অফিসের বসের সাথে মিটিংটা অত্যন্ত স্ট্রাটেজিক আর উত্তেজনার লেভেল। অথবা চরম ভীড়ের মধ্য বাসে ওঠাটা গেমে নতুন স্টেজে যাবার কিছুটা জটিল করিডোরটা। আর কাজ শেষে বন্ধুদের সাথে হুট করে আড্ডাটা বোনাস পয়েন্ট। মাত্র কয়েক ঘন্টার ভিডিও গেম খেলে যদি এত মজা পান, তাহলে এতটা বিস্তৃত পটভূমির জীবটা থেকে আরেকটু বেশি আনন্দ নিংরে নিতে পারবেন না?
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:১৬
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রধানমন্ত্রী বিদেশে, আইনও কি সঙ্গে নিয়ে গেছেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০৬


প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে গেলেই দেশ অশান্ত হয়ে ওঠে । সালাহউদ্দিন আহমেদের মতো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে কেন? প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকলেই কিছু নেতাকর্মী যেন নিজেদের দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ আগস্টের সেই ভিডিও, কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন এবং ইতিহাসের নির্মম পরিণতি

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৪


৫ আগস্টের সেই ভিডিও, কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন এবং ইতিহাসের নির্মম পরিণতি

ক্ষমতার পালাবদল হয়, কিন্তু ইতিহাসের কাঠগড়া কখনো খালি থাকে না
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক নাটকীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তখন

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬

তখন
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

তখন আলিফ লায়লা হতো
দেখতাম বিটিভিতে বাংলা মুভি
মিনা কাটুন, হারকিউলিস, রবিন হুড
নাটক, ইত্যাদি, বেশ আনন্দ পেতাম।
খেলাধুলা করতাম বন্ধুদের সাথে
বিবিধ রকম, সবসময় থাকতাম প্রাণবন্ত!
যে বাড়িতে ভাড়া থাকতাম তাদের
একটি সাদা-কালো টিভি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওকে নিয়ে চীনের আবেগ, শেখ মুজিবকে নিয়ে আমাদের বিদ্বেষ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২২


ফরাসি ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তাঁকে নিয়ে কোন মিমটি দেখে সবচেয়ে বেশি হাসি পেয়েছিল। ফরাসি অনুষ্ঠান The Bridge এর ব্যাকস্টেজ ভিডিওতে তিনি বলেন, একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোটগল্প - চক্ষুহীন লোকটি

লিখেছেন ফাহমিদা বারী, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩




মি পারসনস যখন হোটেল থেকে বের হলেন, ভিক্ষুকটি তখন রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছে।

সে ছিল একজন অন্ধ ভিক্ষুক। অন্ধদের চিরাচরিত সাদা ছড়ি ছিল তার হাতে। সেটা দিয়ে সামনের পথটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×