
কাল মাঝ দুপুরে বেরিয়েছিলাম মেঘ শিকারে। কিন্তু দেখাগেল কিছুক্ষনপরে আমরাই উল্টো রোদের শিকারহয়ে গেলাম। আমরা বলতে আমি আর অমি ভাই। দুপুর বেলায় মেঘ শিকারের ( মেঘের ছবি তোলা আরকি) বুদ্ধি কিসের জন্য যে মাথায় সে কথা ভেবে মাথা ঠুকতে ইচ্ছা করছিল। একেতো চরম রোদ, প্রচুর গরম, তার উপর রোযা।মনে হচ্ছিল যেন ঢাকেয় না, সাহারায় আছি। যাইহোক, প্ল্যান ছিল আমরা চারমূর্তি, তোহিদ, রমজান ভাই, অমি ভাই আর আমি ভাই, থিক্কু আমি যাবো আফতাবনগর। অজানা এক মেঘের খোঁজে। কিন্তু রোদে যা অবস্থা করলো, তাতে কিসের আফতাবনগর আর কিসের মেঘ! আগের সব প্ল্যান বাদ। নতুন টার্গেট এসিওয়ালা শপিং কমপ্লেক্স।পানি তো আর খাওয়া যাবে না, এসির বাতাসটাই খাই। কিন্তু কতক্ষনইবা এই শপিং মল থেকে মলে ঘোরা যায়! অতএব নতুন টার্গেট নিকেতন পার্ক। ওরে কি অবস্থা! গুলশান থেকে নিকেতন যেন পৃথিবীর দীর্ঘতম রাস্তা! যাইহোক, কোনোরকম হাফাতে হাফাতে পৌছা গেল পার্কে। আধাঘন্টা মত বসে মনেহলো একদিনেত জন্য যঠেষ্ট হয়েছে।এবার সুবোধ ছেলের মত বাড়ি ফিরে যাই। তবে পথে যেহেতু হাতিরঝিল পড়বে, আর বিকেল হয়ে এসেছে, দু একটা মেঘ শিকারের চেষ্টা করাই যায়।কিন্তু এবার মেঘের রঙ পাল্টে গেছে।স্তরে স্তরে যেন কালো আর গাঢ় নিল মেঘে আকাশ ছেয়ে গেছে। বৃষ্টির মেঘ। এবং সারাদিনে বেশ অনেকবার আশাহত হলেও এবার আর হতে হলো না ঝুম বৃষ্টি নেমে এলো সেই কালো মেঘ ভেঙে। দু হাত বাড়িয়ে তাকে আলিংগনও করা হলো। ভিজলাম। সারাদিনের যত ক্লান্তি একদম তা এক নিমেষেই দূর। শীতল বৃষ্টি সব ক্লান্তি ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে দিল। এবং অনেক অনেক দিন পর দেখলাম রঙধনু। বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লালের রঙধনু।
[ছবি- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত]
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




