
আমি বাঙালি_______
অন্যায়কে কভু দেইনা প্রশ্রয়, হয়ে ওঠি প্রতিবাদী,
ভয় করিনা আমি শত্রুর, গ্রেনেড বোমা গুলি।
কোন শিকল আমায় বাঁধিতে পারেনা, পরিনা পায়ে শৃঙ্খলতার বেড়ী,
নির্যাতিতের অধিকার আদায়ে, আমি সাহসী আজন্ম সংগ্রামী।
ওরা আমার মুখের ভাষা, কেড়ে নিতে চেয়েছিল, পারেনি,
মায়ের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখেছি, বুকের তাজা রক্ত ঢালি।
সেই ৫২ তেই হয়েছিল শুরু, আমার রক্তে ওরা খেলেছিল হলি,
হায়েনাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, ৬৬ তে হই স্পষ্ট প্রতিবাদী।
হাজারো নির্যাতন আর অবহেলা- কতো নির্মম ছিল দিনগুলি,
৬৯ এর গণ অভ্যুত্থানে বুঝেছে বিশ্ব- বাঙালি কতোটা দৃঢ় তেজস্বী।
ভালোবাসায় অটুট ভাতৃত্ববোধ বাংলার- অসাম্প্রদায়িক স্বর্গ ভূমি,
৭০ এর নির্বাচনে জয় ছিনিয়ে বুঝিয়েছি- বাঙালি কতোটা দেশপ্রেমী।
বিশ্বের বুক কেঁপে ওঠেছিল সেদিন- শোনে বাঙালির ক্রোধ ধ্বনি,
কত নির্মম কত দুর্গম বন্ধুর ছিল- ৭১ এর দিনগুলি।
পাক হায়েনা সৈন্যের সাথে মিশেছিল- আলশামস যাদের রাজাকার বলি,
চোখের সামনে মায়ের সম্ভ্রমহানি বোনের নগ্ন দেহ- ভাইকে দিয়েছে নরবলি।
একটি দেশের প্রশিক্ষিত যুদ্ধাস্ত্রে সু-সজ্জিত- সামরিক বাহিনীর সাথে লড়ি,
মাত্র নয়টি মাসেই স্বাধীনতা এনেছিল- নিরস্ত্র অজ্ঞ সংগ্রামী বীর বাঙালি।
কষ্টার্জিত স্বাধীনতার উল্লাসে যেমন- মেতে ছিল বাংলার আকাশ ভূমি,
১৫ আগষ্ট ৭৫- এ শোকাহত হয়ে- পাথর সেজেছিল সমাজ জাতি।
৯০ এর স্বৈর শাসন হঠাতে গিয়ে- কত মায়ের বুক হয়েছিল খালি,
যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবীতে- ১৩ সালে জেগেছিল সেই বাঙালি।
প্রতিবাদ সংগ্রাম অার শোক পাথরে গড়া- আমি গর্বিত বাঙালি,
ভয় করিনা যতদিন দেহে আছে প্রাণ- চোর ভণ্ড আইএস আর জঙ্গি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

