ধর্মীয় উৎসবের একটা বিরাট প্রভাব আমাদের শিল্প সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে ঘিরে আছে। সেটা যে ধর্মের অনুসারীই হোক না কেন। আমাদের প্রকৃতি ও ইতিহাস নির্ভর কিছু উৎসব রয়েছে। যা আমার পালন করি। কিন্তু তার প্রভাব শুধু একটি দিনই থাকে। কিন্তু ধর্মীয় উৎসব এর প্রভাব আগে ও পড়ে থাকে। একটা উৎসব পালন কে ঘিরে আগে থেকেই থাকে আমাদের মাস ব্যপি পরিকল্পনা। আবার উৎসব শেষে থাকে একে ঘিরে পূর্ন মিলনী সহা নানা অনুষ্ঠান। যেন ছোট গল্পের মত। শেষ হইয়াও হইলনা শেষ। আমাদের এই দেশে ধর্মীয় সম্প্রতির যে সুনাম তা এই উৎসবগুলোকে ঘিরে। কোন সম্প্রদায় সে মেজোর কিংবা মাইনোর যাই হোক কারো ধর্মীয় উৎসবে বিঘ্ন ঘটায় না। সবাই স্বতছফুর্ত ভাবে যার যার উৎসব পালন করে আসছে।
মুসলামান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, নৃগোষ্ঠি সহ অন্যান্য ধর্মাম্বলীরা তাদের স্ব স্ব উৎসব পালন করছেন। কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার। যদিও এটি নিয়ে বিতর্ক আছে। এটা ভিন্নপ্রসঙ্গ । কথা হলো এদেশে সব ধর্মের মানুষ সমান ভাবে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারছে। এদেশের মানুষ আবেগী বেশী। ধর্মীয় সম্প্রতী দেখাতে যেয়ে অনেকে দেখা যায় অন্যধর্মের অনুসারি ঈদগাহে যেয়ে নামাজ পড়ছেন, মন্দিরে যেয়ে পুজা করছেন। নানা ধর্মীয় আরাধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করছেন। তারা নিজেদের অতি মাত্রায় অসম্প্রদায়িক দেখাতে যেয়ে এগুলো করছেন। এগুলো করা কি আদো উচিত হচ্ছে? বরং এতে করে ধর্মীয় গুরু আলেম ওলামা সবার কাছে এ বিষয়গুলো বিতর্কি সৃষ্টি করছে। এতে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
সাধারন ভাবেতো এটাই যে, সকল ধর্মের অনুসরীদের মাঝে পারস্পরিক সু সম্পর্ক রক্ষাই হলো ধর্মীয় সম্প্রীতি। আমার কারনে যাতে অন্যকোন ধর্মের কেউ কষ্ট না পায় বা তার কোন অনুভতি আঘাত প্রাপ্ত না হয় এটাইতো ধর্মীয় সম্প্রিতি। অন্যধর্মাবলম্বীকে আরেকজনের ধর্মীয় আরধনায় অংশগ্রহন করেই ধর্মীয় সম্প্রীতি পালন করত হবে নচেত ধর্মীয় সম্প্রীতি পালন হবে না এমনতো নয়। যার যার মত সে ধর্ম পালন করুক । আমরা প্রত্যেকে অন্যের ধর্ম কে শ্রদ্ধা করব। ধর্ম পালনে একে অন্যকে সহযোগীতা করব যদি এটা নাও পারি বাধার কারণ যাতে না হই এটাইতো প্রকৃত সম্প্রীতি। হ্যা আমার অংশ গ্রহন করব এমন কিছু অনুষ্ঠান যা সা্র্বজনিন। যা সবার জন্য আনন্দের আর উৎসবের। সর্বদা বিতর্ক এরিয়ে চলা উচিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

