somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তথ্য প্রযুক্তি খাতে বৈদেশিক উপার্জনের উপর কর প্রসঙ্গ।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ৭:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দিনকয় আগে আমার একাউন্টে ব্যাংক ওয়্যারএ কিছু টাকা আসার পর ব্যাংকার প্রথম দাবী করল এখানে ১০-১৫% ইনকাম ট্যাক্স কেটে রাখতে হবে।

আমি তাকে ইনকাম ট্যাক্স এক্ট এর সেকশন ৬ (৩৩) প্রিন্ট করা পেজটি দিলাম। ব্যাংকার এটা দেখে তার কলিগকে দেখাল। কলিগ বলল, তাহলে বেচে গেলেন নয়ত ১০-১৫% আয়কর দেয়া লাগত। তারপর ঐ কলিগটিই বলল আমাদের কিছু ইন্টারনাল ফী রেখে টাকা দিয়ে দেন। ব্যাংকার তাদের সিডিউল অব চার্জেজ খুজে কোন চার্জ না পেয়ে বলল পেলামনাতো। এই বলে সে আমার প্রয়োজনীয় সই রেখে ছেড়ে দিল আর বলল সে এটা কনফার্ম হয়ে আমার একউন্টে টাকা দিয়ে দিবে।

পরবর্তী কর্মদিবসে ফোন দিলাম, সে আমাকে জানাল সে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি। তাই বাধ্য হয়ে আমি তাদের হেড অফিসএ ফোন দিলাম, তারা আমাকে নিশ্চিত করল তাদের কোন ইন্টারনাল ফী নেই।

আমি আমার ব্যাংকারকে আবার ফোন দিলাম, তাকে হেড অফিস এর কথা বললাম, সে হেড অফিস এ কথা বলে আমাকে নতুন তথ্য বলল, "আমাদের ইন্টারনাল ফী নেই তবে ১০-১৫% ইনকাম ট্যাক্স আছে"। সে বলল তাদের কাছে একটা সার্কুলার আছে এবং সেই অনুযায়ী আমাকে ১০-১৫% ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে। আমি বললাম তাহলে আমাকে কিন্তু ইনকাম ট্যাস্ট সার্টিফিকেট দিতে হবে। ব্যাংকার বলল, আমি গেলেই তারা এটা দিতে পারবে। আমি তাকে বললাম তাহলে এটা হোল্ড করে রাখেন আমি ব্যাংক এ আসি তারপর যেটা হয় দেখব।

ইতিমধ্যে আমি এই বিষয়ে যথেষ্ট খোজ খবর নিয়ে পরবর্তী দ্বিতীয় কর্মদিবসে আবার ব্যাংক গিয়ে বৈদেশিক লেনদেন এর ইনচার্জকে ইনকাম ট্যাক্স ২০০১৪-২০১৫ অর্থবছরের পরপত্র ৫০(চ) দেখালাম যেখানে উল্লেক আছে- "তথ্য প্রযুক্তি খাতে অর্জিত আয়কে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত কর অব্যাহতি প্রদান"। তিনি তার বেশ কয়েকজন কলিগএর সাথে কথা বললেন কিন্তু তিনিও নিশ্চিত হতে পারলেন না। তিনি আমার কাছে আরেকদিন সময় চাইলেন। আমি তখন যে সার্কুলাল-বলে তারা ইনকাম ট্যাক্স দাবী করছে তার একটা কপি নিয়ে আসলাম। এটা হল সেকশন ৫২(২) এবং ৫২(৩)।

তারা টেকনিক্যাল (প্রযুক্তগত) সেকশনটাকে ইনফরমেশন টেকনোলজি (তথ্য প্রযুক্তি) এর সাথে গুলিয়ে ফেলছে। তথ্য প্রযুক্তি'র জন্য যেখানে ইনকাম ট্যাক্স এক্ট এ আলাদা সেকশন আছে সেখানে অন্যান্য প্রযুক্তিগত বিষয এর জন্য প্রযোজ্য সেকশন আমার উপর প্রয়োগ করতে চাওয়ার কি মানে আছে?

এই বিষয়ে পূর্ববর্তী পোস্ট- Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ১:৫৫
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালো শিক্ষার্থী কখনো পরীক্ষা পেছাতে চায় না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

কারণ একজন প্রস্তুত শিক্ষার্থী জানে, পরীক্ষা যত দ্রুত শেষ হবে, সে তত দ্রুত জীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবে। অনিশ্চয়তা, বারবার সময়সূচি পরিবর্তন কিংবা দীর্ঘ অপেক্ষা—এসব কারও জন্যই কল্যাণকর নয়।

বৃষ্টি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারত কোন ভাবেই স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশে সৈন্য পাঠায়নি!!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৬


ভারত কোন ভাবেই বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য সৈন্য পাঠায়নি! সৈন্য পাঠিয়েছিল পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে ও তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানকে লুটপাট করার উদ্দেশ্যে। প্রতিবেশি দূর্বল হলে দাদাগিরি করতে পারবে এটাই ছিল ইন্দ্রিরাগান্ধির ভিষন... ...বাকিটুকু পড়ুন

উপপোকায় খাওয়াচ্ছ

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮


তোমার ফসলী মাঠের ফসল.
কেন উইপোকায় খাওয়াচ্ছ
কিছুদিন পর করবেটা কি
পাগল পাগল হবেই. শুনি!
পড়ালেখা করে একদিন বড় হবে
এটাই তো স্বপ্ন দেখি ওগো সোনাধন
তোমার সুনাম ভরে যাবে পাড়ায় পাড়ায়
গর্ভে ভরে ওঠবে বাবা মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত- এই বিশ্বাসকে নিজের সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে রেখেছি সারাজীবন। কতবার ব্যক্তিগত ইচ্ছা, সুযোগ, এমনকি ন্যায্য অভিমানও গিলে ফেলেছি। কতবার চুপ থেকেছি, শুধু এই বিশ্বাসে যে ব্যক্তির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

লিখেছেন এমএলজি, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×