কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের মাধ্যমিক শাখা কান্দিরপাড় থেকে ডিগ্রী শাখা ধর্মপুর পর্যন্ত এই কলেজ রোডটি সহ কুমিল্লার ১৬ টি উপজেলার ও শহরের সকল ভিক্টোরিয়া কলেজ রোড গুলোতে দিন দিন শিশু,কিশোর শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অভাবের তাড়নায় এলাকার শত শত শিশু বেচেঁ থাকার তাগিদে বিভিন্ন পেশায় নিজেদের নিয়োজিত করছে। ওয়েল্ডিং কারখানায়,বেকারিতে,ইটভাটায়,চা-স্টলে,হোটেল রেস্তোরাসহ বিভিন্ন কঠিন কাজে শিশু কিশোররা শ্রমিকের কাজ করছে। দারিদ্রের কষাগাতে জর্জরিত এসব শিশু স্কুল ছেড়ে বিভিন্নভাবে শ্রম বিক্রি করে রোজগার করছে। টমছমব্রীজ থেকে দৌলতপুর হয়ে কলেজ রোডটি ও উল্লেখযোগ্য। ব্যবসা-বাণিজ্যে মিল কারখানায় সমাদৃত এই কলেজ রোডগুলোর পরিচিতি বিস্তৃত। অনেকের সাথে আমাদের পূর্বাশার এই ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ সংবাদদাতা কথা বলে জানতে পারেন পিতৃ-মাতৃহীন অনাথ শিশুসহ স্বল্পবিত্ত পরিবারের শিশুরা বেচেঁ থাকার তাগিদে বিভিন্ন পেশায় কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নিবার্হ করছে। এসব শিশুদের অধিকাংশ এর বয়স ৭ বছর থেকে ১১ বছর।
যে বয়সে বই,খাতা,কলম নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা,সেসময় শিশুরা জীবনের তাগিদে কঠোর পরিশ্রম করছে। পিতামাতার অভাবের সংসারে সামান্যতম হলেও সাহায্য করছে।কলেজ রোডের রানীর বাজার,রামমালা,টমছমব্রীজ,শাসনগাছা,রেইসকোর্স,ধর্মপুর,দৌলতপুর,কাশিনাথপুর,বলরামপুর,গোবিন্দপুর,দিদার মাকের্ট,কোটবাড়ী রোড সহ আশে পাশে বিভিন্ন কলকারখানা,বিস্কুট ফ্যাক্টরি,মিস্টির দোকান,মোটর সাইকেল মেকারের দোকানে,ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে অল্প দামে শ্রম বিক্রি করছে। অনেক শিশু রিকশা,ভ্যানও চালাচ্ছে।
বাপ্পি মজুমদার ইউনুস
সম্পাদক- আমােদর নাঙ্গলেকাট ডটকম
সভাপিত- সবুজ দিগন্ত ফাউন্ডেশন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


