somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কত নদী...সরোবর

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হুমায়ুন আজাদের এই বইটা আমি পড়িনি,কিন্তু নামটা কেন জানি আমার খুব মনে ধরেছে।আসল বইটার বিষয়বস্তু কি জানিনা কিন্তু আমার লেখার শিরোনাম হিসেবে দিব্বি চালিয়ে দিছ্ছি।
কেন জানিনা নদী কিনিসটা আমাকে খুব টানে।সাতার জানিনা,নদীতে সাতার কাটা তাই হয়ে ওঠেনি,এমনকি নৌকায় চড়তেও ভয় পাই আমি, কিন্তু নদীর কাছে যেয়ে মুগ্ধ হয়ে চেয়ে থাকি।পদ্মা,মেঘনা,যমুনা তো সবাই দেখেছে আমি দেখেছি ছোট্ট নদীগুলোও...কি সুন্দর নাম..চিত্রা,মধুমতি,রুপসা,বলেশ্বর,কী্র্তনখোলা,করতোয়া,তিস্তা,নাগর,সন্ধ্যা,ধরলা আরও কত!!
মনে আছে একবার রাতে পায়রা নদী পার হছ্ছিলাম ফেরীতে।চারপাশে অথৈ পানি,উপরে কাল আকাশের মাঝে ফুটে আছে তারারা..মনে হছ্ছিল আমি হারিয়ে গেছি।বরগুনা শহরে সাপের মত একটা নদী একেবেকে গেছে,নামটা জানিনা।গাড়ী নিয়ে যেদিকেই যাই,একটু পর পর তার সাথে দেখা হয়ে যায়।বেশ মনে আছে গনগনে দুপুরের সন্ধ্যা নদীকে।ভরদুপুরে চারদিকে কোন জনমানুষ নেই, দিগন্ত জুড়ে শুধু ফেরীর ধকধক শব্দ।কনকনে শীতে শীতলক্ষ্যার পারে বসে রুই মাছ খেয়েছিলাম..মুখে লেগে আছে।আর একবার ধরলা ব্রীজের কাছে যেতেই একটা কুকুর আমাদের দেখে দৌড়ানো শুরু করল।আমরা যতই কাছে যাই,সে তত জোরে দৌড়ায়।এক সময় আমাদের গাড়ী তাকে পেছনে ফেলল।সে দৌড় থামিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে ছিল,চোখে রাজ্যের বিস্ময়।সে কেন ভেবেছিল আমরা তার ক্ষতি করব?
নদীর কথা অনেক হল,সরোবর দিয়ে শেষ করি।রাজশাহী থেকে চাপাই নবাবগন্জ যাছ্ছিলাম।পথের বাম পাশে হথাৎ দেখি বিশাল বড় এক পুকুর।পুকরের এক পাশে একটা মাচায় একটা ছেলে ঘুমিয়ে আছে আম গাছের ছায়ায়।দারুন বাতাস,আম গাছের ডালে ডালে পাতায় পাতায় সরসর শব্দ,বাতাসে পুকুরে ওঠা ছোট্ট ঢেউ গুলোও আমি দেখতে পাছ্ছিলাম।খুব ইছ্ছে হছ্ছিল গাড়ী থামিয়ে একবার পুকুর পারে যেয়ে বসি,ঘাসের চাদরে শুয়ে মাটির গন্ধ নেই..কাজের চোখরাঙানিতে সেটা হয়ে ওঠেনি।আজ মনে হয় কি ক্ষতি ছিল একটু থামলে?আর কি কখনো পুকুরের পারে যাওয়া হবে?যদিবা যাই, বাতাস জড়ান,রোদ মেঘে মাখামাখির আশ্বিনের সেই মধ্যাহ্ন কি ফিরে পাব??
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×