somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মার্ক টোয়েন (পর্ব 20)

২৪ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১০:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টম সয়্যার বইটা কয়েক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ টোয়েনের কাছে । প্রথমটা হচ্ছে "গিল্ডেড এজ" কে বাদ দিলে এটা তার প্রথম পুর্ণদৈর্ঘ উপন্যাস, দ্বিতীয় এটা সম্ভবত পৃথিবীর প্রথম টাইপরাইটারে উপন্যাসের পান্ডুলিপি! তৃতীয় টম আর হাককে নিয়ে অনেক গুলো লেখা লিখেছেন তিনি এটা তার সুচনা । এ বইটা মার্ক টোয়েনের সবচেয়ে বিখ্যাত বই । এর আগে তিনি স্রেফ "হিউমারিস্ট" হিসেবে পরিচিত ছিলেন, একজন মজার মানুষ যিনি বেশ কিছু ভ্রমন কাহিনীও লিখেছেন । এখন তিনি শক্তিমান ফিকশন লেখক হিসেবেও নিজের অবস্থান মজবুত করলেন ।

টম সয়্যারের মধ্যেই আমরা মার্ক টোয়েনের একান্ত নিজস্ব ব্র্যান্ডের হিউমারের সাথে পরিচিত হবো। একে বলা যেতে পারে 'পরিমিত ভাঁড়ামি' বা 'রিস্ট্রেইন্ড বার্লেস্ক', সেটা ভ্রমনের স্কেচগুলোতে খানিকটা পাওয়া যায় । তবে বইটার শেষ প্রান্তে গিয়ে একটা ইনজুন জোর মৃত্যু বর্ণনায় আমরা যে একটা প্যারাগ্রাফ পাই সেটা কেমন যেন কোনো "কৈশোরিক' উপন্যাসে পাওয়া দুষ্কর । এই প্যারাটার অনুবাদ অধিকাংশ বাংলা তর্জমায় হয়নি বলেই আমি জানি । একজন অত্যন্ত শক্তিমান লেখকের অন্তর্মুখী দর্শনের একটা ঝলক মাত্র দেখতে পাই আমরা । তারপরেই টোয়েন অন্য প্রসঙ্গে চলে গেছেন । প্যারাটা ছিল-

Injun Joe's bowie-knife lay close by, its blade broken in two. The great foundation-beam of the door had been chipped and hacked through, with tedious labor; useless labor, too, it was, for the native rock formed a sill outside it, and upon that stubborn material the knife had wrought no effect; the only damage done was to the knife itself. But if there had been no stony obstruction there the labor would have been useless still, for if the beam had been wholly cut away Injun Joe could not have squeezed his body under the door, and he knew it. So he had only hacked that place in order to be doing something -- in order to pass the weary time -- in order to employ his tortured faculties. Ordinarily one could find half a dozen bits of candle stuck around in the crevices of this vestibule, left there by tourists; but there were none now. The prisoner had searched them out and eaten them. He had also contrived to catch a few bats, and these, also, he had eaten, leaving only their claws. The poor unfortunate had starved to death. In one place, near at hand, a stalagmite had been slowly growing up from the ground for ages, builded by the water-drip from a stalactite overhead. The captive had broken off the stalagmite, and upon the stump had placed a stone, wherein he had scooped a shallow hollow to catch the precious drop that fell once in every three minutes with the dreary regularity of a clock-tick -- a dessertspoonful once in four and twenty hours. That drop was falling when the Pyramids were new; when Troy fell; when the foundations of Rome were laid when Christ was crucified; when the Conqueror created the British empire; when Columbus sailed; when the massacre at Lexington was "news." It is falling now; it will still be falling when all these things shall have sunk down the afternoon of history, and the twilight of tradition, and been swallowed up in the thick night of oblivion. Has everything a purpose and a mission? Did this drop fall patiently during five thousand years to be ready for this flitting human insect's need? and has it another important object to accomplish ten thousand years to come? No matter. It is many and many a year since the hapless half-breed scooped out the stone to catch the priceless drops, but to this day the tourist stares longest at that pathetic stone and that slow-dropping water when he comes to see the wonders of McDougal's cave. Injun Joe's cup stands first in the list of the cavern's marvels; even "Aladdin's Palace" cannot rival it.

তবে টম স্য়্যার লিখতে গিয়ে নতুন বাধা এলো । খবর পেলেন অনুমতি না নিয়েই "দ্যা গিল্ডেড এজ" কে নাট্যরুপ দিয়ে ফেলেছে সান ফ্রানসিস্কোর একটা থিয়েটার । সেখানে কর্নেল সেলার্স এর চরিত্রে অভিনয় করছেন জন টি. রেমন্ড । মার্ক টোয়েন সান ফ্রানসিস্কোতে গিয়ে সেটা ঠেকালেন । তারপর আবার নাটকটা নিজের মত করে লিখে নিজেই পয়সা দিয়ে আবার নামেল । অভিনেতা সেই রেমন্ডই । দারুন চলেছিল নাটকটা, এমন কী পঞ্চাশ বছরেরও বেশী সময় ধরে চলবে নাটকটা ।

তবে তিনি যা বিক্রি টম সয়্যার আশা করেছিলেন সেটা পুরণ হয় নি । টম সয়্যার বিক্রি হয়েছিল মাত্র ত্রিশ হাজার কপি, ঠিক যে সময়ে ইনোসেন্ট অ্যাব্রডের কাটতি সত্তর হাজার । এবং টম সয়্যারের অল্প বিক্রিতেই হতাশ হয়ে প্রকাশনা জগতে পা রাখেন মার্ক টোয়েন (না রাখলেই ভাল করতেন, তবে সে অন্য গল্প) । তবে মার্ক টোয়েনের জীবদ্দশাতেই দ্যা অ্যাডভেঞ্চার্স অভ টম স্য়্যার একটা ক্লাসিক কিশোর উপন্যাসের মর্যাদা পাবে । সর্বকালের সেরাদের প্রথম সারিতে স্থান পাবার দাবীদার একটা বই ।

টোয়েনের দুই শিশু কন্যা সুজি আর ক্লারাকেই বলা যায় পৃথিবীর প্রথম দুই শিশু যারা মায়ের কোলে বসে টম সয়্যারের অভিযান শুনেছে । অলিভিয়া ক্লিমেন্সের সম্পাদনার কিছুটা ছাপ আছে বইটার মধ্যে ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১০:৫৮
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×