আজ 13 মার্চ। এই দিনে রাজু জীবন দিয়েছিলো। খুব পরিকল্পিত ভাবেই রাজুর কথা বলতে গিয়ে আমি একটিও আবেগময় শব্দ ব্যবহার করতে চাইনা। 90 এর গণ আন্দোলনে নির্মিত হওয়া স্বপ্নের ফুলঝুরি 92 এ এসে চুপসে গিয়েছিলো। 3 জোটের রূপরেখার অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছেন দু নেত্রীই। ছাত্রদের 10 দফা বাস্তবায়িত হবে এ আশা যারা করেছিলেন তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়ে গেছে। 90 এর সোনার ছেলেরা বড় দু দলে যোগ দিয়ে হালুয়ারুটির কামড়াকামড়ি করছেন। আর মঈন হোসেন রাজুর মতো তরুণ রা প্রতারনার জঞ্জাল কাঁধে নিয়ে দিন বয়ে বেড়ান।
বড় দু ছাত্র সংগঠনের কামড়াকামড়ি! চাঁদাবাজির ভাগ নিয়ে গোলাগুলি, আর গুলির শব্দে কেপে ওঠা ক্যাম্পাস। দ্্বিতীয় বর্ষের উজ্জল ছাত্র রাজু তখনই স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। গোলাগুলির সময়ে টি এস সিতে রাজু এবং তার বন্ধুরা পুলিশকে গোলাগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দাবী জানান। পুলিশের সাথে বাক াবতন্ডাও হয়। এরপরই রাজুর নেতৃত্বে বের হয় সন্ত্রাসবিরোধী মিছিল। বুলেট টা তার কপাল বরাবরই বেঁধে।
রাজু ক্যাম্পাসের প্রমিথিউস, অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর যাত্রায়। তার জল টলটলে মায়াবী চোখের টানে জন্ম নেবে আরো হাজারো প্রমিথিউস।
শুকতারা নিভে গেলে কাঁদে কি আকাশ, এ কবিতাটা তার পকেটেই ছিলো; রক্তমাখা নীল শার্টের বুক পকেটে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


