''ধর্ম, রাজনীতি নিয়ে কখনই তর্ক-বিতর্ক করবে না তোমরা''
আমার একজন শিক্ষক অধ্যাপক জামিল ফোরকান। বাংলার অধ্যাপক ছিলেন তিনি। শিক্ষকতা করেন সাবেক কঠিন প্রত্যন্ত অঞ্চল ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর মহাবিদ্যালয়ে। আমি উচ্চ মাধ্যমিক সেখানেই পড়ি। কোটেশন দেয়া উক্তিটি স্যারই করেছিলেন।
শুধুমাত্র অভিজিৎ রায়ই নন। মাওলানা নূরুল ইসলাম ফারুকী, গোপীবাগে সাত খুন। প্রতিটি ঘটনার সঙ্গেই জড়িত ধর্ম। কী হয় ধর্ম নিয়ে তর্ক না করলে, প্যাঁচগোচ অর্থাৎ আরেক ধর্মে আঘাত হানে এমন কথা না বললে কী হয়। আমি বুঝি না কেন ধর্ম নিয়ে এতো তর্ক-বিতর্ক। জোরজবস্তি, চাপিয়ে দেয়ার প্রাণন্তকর চেষ্টা। প্রায়শই দেখি এবং শুনি যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলেন, তারাই ধর্মকে কটাক্ষ করে কথাও বলেন। তারা কেমন ধর্মনিরপেক্ষ।
ধর্মীয় বিবাদ যতদিন না কমবে ততদিন আরও অভিজিৎ, ফারুকী লাশ হবেই। কেউ বিশ্বাস করেন আর না-ই করেন।
ধর্ম নিয়ে তর্ক বিতর্ক কখনই পছন্দ করতাম না স্যারের কথা শোনার পর থেকে। কেবল খেয়াল রাখতাম, বোঝার চেষ্টা করতাম, কেন স্যার এমন উক্তি করলেন।
উপলব্ধি বলল- ধর্ম নিয়ে তর্ক-বিতর্ক বিবাদই ডেকে আনে।
আমি ধর্ম নিয়ে তর্ক-বিতর্কের বিরুদ্ধে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


