দ্যা জেনেটিক কোড!!
এইযুগে "জিন" বা "জেনেটিকস" বা "ডিএনএ" এই শব্দ-গুলো শুনেননি এমন মানুষ হ্য়ত খুজে পাওয়া একটু দুস্কর হবে। বিজ্ঞানের ছাত্র-ছাত্রী হলেত অবশ্যই শুনে বা পড়ে থাকবেন আর না হলেও কোন না কোন ভাবে কারও না কারও কাছে সেটা শুনে বা পড়ে থাকবেন।
আসলে এই শব্দগুলো কি? মানে এর দ্বারা কি বুঝায় যা নিয়ে সারা দুনিয়ায় তোলপাড় চলছে, হাজার হাজার কোটি ডলারের গবেষণা হচ্ছে পৃথিবীর এই প্রান্ত থেকে ঐ প্রান্তে। কেনই বা মানুষ, গরু, ইদুর, মাছ, ডরসোফিলা (এক প্রজাতির ক্ষুদ্র মাছি), ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসের পুরো জেনম সিকুয়েন্স করা হচ্ছে।
এই লেখার শিরোনামের ব্যাপারে আলোচনা শুরুর আগে একটু ভূমিকার দরকার আছে। আজকে সেই ভূমিকাতেই থাকছি। ভবিষ্যতে সিরিজ চলতে পারে। চলুন দেখা যাক কি দাড়ায় এই সর্ম্পকে একটু জানলে।
নীচের এই অংশটুকু এবং ছবি ইংরেজী উইকিপিডিয়ার থেকে নেয়া। সেজন্য উইকিকে ধন্যবাদ।
-------------
জেনেটিকস হচ্ছে সেই বিষয় সর্ম্পকে জানা বা বুঝা যার দ্বারা আমরা জানতে পারি কি করে জীব (সেটা এককোষী ব্যাকটেরিয়া হোক আর মানুষ) তার পূর্ব-পুরুষের বৈশিষ্ট্যগুলো তার নিজের মধ্যে গ্রহণ করে। ছোট্ট একটা উদাহরণ দিলে হয়ত বুঝা যাবে বিষয়টা। ধরুন আপনার বাবা-মা দুজনেরই চোখের রঙ কালো। তাহলে ৯০% ভাবে ধরে নেয়া যায় যে আপনার চোখের রঙও কালো। ঠিকই একই ভাবে, আপনার চোখের রঙ দেখেও ধারণা করা যায় যে, আপনার বাব-মা অথবা আপনার পূর্ব-পুরুষের চোখের রঙ ছিল কালো। তাই বলে সব সময়ই যে তাই হবে এটা কিন্তু বলা যাবে না। তবে এরকম হবার সম্ভবনাই বেশি। এর ব্যতিক্রমও হয় এবং হতে পারে। যেমন আপনার আশে-পাশেই হয়ত কাউকে দেখবেন যার চোখের রঙ বাদামী কিন্তু তার বাব অথবা তার মার চোখের রঙ কালো। কেন এটা হতে পারে সেটা নিয়া পরে একসময় আলোচনা করা যাবে।
এই বৈশিষ্ট্যগুলোকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় "জেনেটিক ইনফরমেশন" যা একটা জেনারেশন থেকে আর একটা জেনারেশনে সঞ্চালিত হয় একটি "মলিকিউল" বা রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা যাকে বলা হয় "ডিঅকক্সি-রাইবো-নিউক্লিক-এসিড" সংক্ষেপে "ডিএনএ"।
এই ডিএনএ-র মধ্যেই থাকে সকল তথ্য কিভাবে এবং কি করে একটা জীব গঠিত বা পরিচালিত হবে। এই দুনিয়ার যত প্রাণী আছে অর্থাৎ: জীব-জন্তু, গাছ-পালা, মাছ, শ্যাওলা, ব্যাকটেরিয়া-ভাইরাস যা আমরা খালি চোখে দেখতে পাই বা না পাই সকলেরই ডিএনএ আছে তাদের প্রতিটা কোষে।
তাহলে সহজ ভাষায় আমরা "জিন" কে বলতে পারি আমাদের পূর্ব-পুরুষের বৈশিষ্ট্য বহনকারী একটা খাম, যেই খামে থাকে একটা চিঠি অর্থাৎ "ডিএনএ" যেখানে আমার এবং আমার পূর্ব-পুরুষের সকল তথ্যই লেখা আছে পুন্খানপুন্খ ভাবে। আর এই খাম আর চিঠি অর্থাৎ জিন আর ডিএনএ র ব্যাপারটাকেই একসাথে বলা যায় ক্রোমোজম।
এই জিনগুলোই আমাদের বাবা-মার কাছ থেকে আমরা পাই এবং এই জিনের মাধ্যমেই আমরা আমাদের পিতা-মাতার শারীরিক এবং মানসিক বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের মধ্যে গ্রহণ করি একই সাথে আমাদের পুর্ব-পুরুষদেরও।
(চলবে)
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।