প্রতিদিন ঘুমুতে যাবার আগে কিছু মেডিটেশন করি। করি বললে ভুল হবে করার চেষ্টা করি। ভাল ধুমের জন্য এটা একটা খুব ভাল ওষুধ। এটার জন্য নিজের মধ্যে একটা আলাদা জগৎ তৈরি করতে হবে। মজার ব্যাপার হল এই ব্যপারটা আমি কারো কাছে শিখি নাই। কোনো কোয়ান্টাম মেথডের কাছে যাওয়া লাগে নাই। এটা সম্পুর্ন নিজের উপর। নিজের সবচেয়ে সুখের একটা স্বৃতি কে নিয়ে এই জগৎ টা বানানো যাবে।এটা আমার এখন একরকম অভ্যাস হয়ে গেছে।এখানে তার কিছু ছোট ছোট বর্ননা দেয়ার চেস্টা হবে।
ভাবনা এক:- জাহাজটা দুলছে। আর বাইরে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে। কোথায় দুরে প্রচন্ড শব্দে বাজ পরছে। রুমের ছাদে জোরে শব্দ হচ্ছে। জানালা দিয়ে দেখা যাচ্ছে টুপটাপ বৃষ্টি তার পসরা সাজিয়ে বসেছে। বাতাসে লোনা গন্ধ। বড় বড় ঢেউ বার বার জাহাজের গায়ে বারি দিচ্ছে। অচেনা এই সাগরের নিকশ কালো অন্ধকারে আমি একা একা এই জাহাজে অচেনা গন্তব্যের দিকে চলছি। প্রচন্ড অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে আর তাতেই বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে। বাতাস হচ্ছে প্রচন্ড। মনে হচ্ছে দুরে একটা ছোট আলো দেখা যাচ্ছে। বিন্দুর মতো। মাছ ধরার ট্রলার হলেও হতে পারে। আমার ছোট বিছানাটি শুধুই দুলছে আর দুলছে আর দুলছে। এ যেন এক অসিম সিমাহীন সময়ের মধ্যে ঢুকে গেছি আমি। এক চরম অবস্থা যা ভাষায় বোঝানো যাবে না। এ শুধু অনুভব করা যায় নিজের স্পর্সকাতর অনুভুতি গুলো দ্বারা।
বৃষ্টির শব্দ
ভাবনা দু্ই:- যখন ছোট ছিলাম আমাদের গ্রামের বারিতে খাকতাম। আমাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের একবোরে অজপারাগায়। আমাদের একটি দোচালা টিনর ঘর ছিল (এখনো আছে তবে আগের অবস্থায় নেই) তো আমার ঘুমাবার স্থান ছিল দোতালায় যাকে আমরা মাচা বলি। কাঠের পাটাতন তার উপর জাজিম এর ব্যাবস্থা ছিল। টিনের ছাতটা ছিল খুব নিচু আর একরকম মাথা নিচু করে হাটতে হত। ওখানে যেতাম শুধু ঘুমানোর জন্য। সবচেয়ে মজার ছিল বৃষ্টির দিন গুলো। যখন বৃষ্টি শুরু হত মানে বর ফোটার বৃষ্টি শুরু হত খুব ভাল লাগত। মনে হত খুব কাছে এসে ফোটা গুলো বিকট শব্দে টিনের চালের উপর আছরিয়ে পরছে।
ওয়েটিং এ থাকেন।সময় লাগবে পরে আবার লেখব। ঘুম আসছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০১৩ রাত ১১:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



