somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুভিকে হার মানানো কিছু বিখ্যাত গেমের কাহিনি-(হ্যালো সিরিজ-১)

১১ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাধারনত মুভি দেখে মনে হয় আসলে কি চমৎকার একটা গল্প। আমাদের চোখের আরালে আছে এর চেয়ে চমৎকার সব গল্প নিয়ে করা কিছু অসাধারন ভিডিও গেম। এখনকার দিনে বাজারে এ ধরনের কিছু গেমের প্লট বা গল্প নিয়ে আমার এই সিরিজ লেখার চিন্তা মাথায় আসে। তো চলেন দেখে নেই আজকের এ সিরিজে কি আছে।


হেলো একটি বিলিয়ন ডলার এর সাইফাই গেম প্রযেক্ট যেটা তৈরি করেছিল বুন্জি আর এখন পরিচালনা করতেছে ৩৪৩ ইন্ডাষ্ট্রি এবং এর মালিক হচ্ছে মাইক্রোসফট।
গেমের মুল কাহিনি হচ্ছে মানুষ এবং এলিয়েনদের একটি শক্ত সামরিক জোট নাম কভনেন্ট এর মধ্যে যুদ্ধ নিয়ে। এই কভনেন্টরা আবার পুজা করে ফোররানার্স নামে এক অতি প্রচিন সভ্যতার যরা ফ্লাড নামক এক ভয়ানক এলিয়েনদের হাতে পুরাপুরি ধংস হয়ে যায়।
এখন পর্যন্ত এই গেমের চারটি পার্ট বের হয়েছে। ২০০১ থেকে এর রিলিজ শুরু হয়। এখন পঞ্চম পার্ট রিলিজ এর অপেক্ষায় আছে।

এটি একটি ফার্সট পারসন সুটিং গেম। এর প্রধান চরিত্র হচ্ছে মাস্টার চিফ


তাকে নিয়ে পুরো কাহিনিটি আবর্তিত। তিনি একজন ল্যাবরটরিতে মোডিফাই করা একজন সুপার সোলজার। যাকে একটি অত্যন্ত কার্যকরি স্যুট প্রদান করা হয়েছে। এই স্যুটটি যে কোন সময় তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অদৃশ্য করতে পারে। এছারা যেকোন গ্রহের আবহাওয়ার সাথে এই স্যুটটি তাকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।
এর পরই আছে মাস্টারচিফকে সাহায্য করার জন্য একটি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজন্স কম্পিউটার চিপ কর্টানা।(লুলরা কঠিন ভাবে সাবধান):D:D


পুরা ৪টা পার্টেই উনাকে আমি বস্ত্র ছারা অবস্থায় দেখছি। উনি সকল কাজে মাস্টার চিফকে সহোযোগিতা করে থাকেন। উনার সবচেয়ে ভাল এবিলিটি হল যে কোন কম্পিউটারে উনাকে এটাচ করে দিলে উনি সেটার নিয়ন্ত্রন নিয়েনিতে পারেন।
বিরোধি পক্ষে মধ্যে আছে কভনেন্টরা। এরা আবার পরিচালিত হয় এদরে ধর্মিয় প্রিস্টদের দারা। যাদেরকে প্রফেট বলা হয়।


তো এই বার মুল কাহিনিতে আসা যাক।
অনেক দুরের কোন অতিতে ফোররানার(একটা খুব বুদ্ধিমান প্রানি) খুব ভয়ানক একটা প্রজাতির সঙ্গে যুদ্ধেনামে।


এই প্রজাতিটার নাম ফ্লাড। এদের বৈশিষ্ট হল এরা যাকে আক্রমন করবে তার পুরো শরিরে নিয়ন্ত্রন নিয়েনেবে। এরা প্রথমে আক্রান্তকে মেরে ফেলে তার পর তার দেহের সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রন নেয় তাকে সম্পুর্নরুপে বিকৃত করে।এই ফ্লাডরা পুরা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে ভ্রমন করতে পারে অতি সহজে।


মানুষকে আক্রমন করার পর আক্রান্ত এবং বিকৃত মানব দেহ


তো এই ফ্লাড কে ধংস করার জন্য ফোররানাররা একটা বিশাল ইনষ্টলেশন আর্ক থেকে একধরনে রিং শেইপ মেগাষ্টারাকচার তৈরি করে যার নাম দেয় তারা হ্যালো। এগুলো বিভিন্ন গ্যালাক্সিতে বসানো থাকে। এটি এক্টিভেট করে পুরো গ্যালাক্সির প্রান ধংস করে দেয়া যাবে। যাতে এই ফ্ল্যাডদের খাদ্যের অভাব পরে। এই রিং গুলো একটা বড়সর গ্রহকে এর মধ্যে আটকায়া ফেলতে পারবে।


একটা রিং এর মধ্যে পাহার, নদি, সমুদ্র, সমতল ভুমি সহ সব কিছু আছে।




হঠাৎ করে ফোররানাররা এই হ্যালো সিস্টেম সেট করে একরকম গায়েব হয়েযায়। কিন্তু ফেলে যায় তাদের ভয়াভহ কিছু মেগাস্ট্রাকচার। প্রায় ১০ হাজার বছর পর ২৫২৫ সালের শুরুর দিকে এই গেমস এর কাহিনি শুরু হয়। মানুষ এখন মহাবিশ্বের বিভিন্ন গ্রহে উপগ্রহে কলোনি স্থাপন করেছে। মানুষ এখন আলোর চেয়ে দ্রুত গতিতে ছোটার যন্ত্র আবিস্কার করেছে। ফলে যোগযোগ ব্যবস্থার ব্যাবক উন্নতি হয়েছে। একটা সেন্ট্রাল কমান্ড সিস্টেম যাকে বলা হয় UNSC এর আন্ডরে আর্মি কন্ট্রোলড হয়। আর এখানেই তৈরি করা হয় এটা স্পেশাল ফোর্স যার নাম দেয়া হয় স্পার্টান।
তো ২৫২৫ সালে একটা কলোনি আক্রমন করে বসে কভনেন্টরা যাদের রয়েছে সুবিশাল সেনাবাহিনি আর খুব উন্নত ধরনে অস্ত্র সস্ত্র।




কিন্তু মানুষের রয়েছে সামান্য কিছু স্পার্টান বাহিনি।


এক সময় আক্রমন করতে করতে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে ঢুকে পরে কভনেন্টরা। ঠিক সে সময় করটানা একটা কুট চাল করে তাদের কে একটা স্পেস শিপের পিছু করিয়ে এদিক সেদিক ঘুরাতে ঘুরাতে এক সময় একটা হ্যালো রিং এর কাছে নিয়ে আসে। এখানে ক্র্যাশ ল্যান্ড করে স্পেস শিপ টা। তো এখানে যুদ্ধের এক সময় কভনেন্টরা দুর্ঘটানবশত ফ্লাড দেরকে মুক্ত করে দেয় যারা এখানে একটা দীর্ঘ সময় ধরে বন্দি অবস্থায় ছিল। তো এখন এই ত্রিপক্ষিয় যুদ্ধের সময় এই রিং এর ডিফেন্স এর দায়িত্বে থাকা কম্পিউটারটি স্পার্টানদের সাহায্য চায় যাতে সে রিং এর ডিফেন্স সিস্টেম এক্টিভেট করতে পারে। কিন্তু করটানা আর মাস্টার চিফ একসময় আবিস্কার করে যে রিং এর ডিফেন্স সিস্টেম এক্টিভেট করা আর নিজেদের ধংস ডেকে আনা একই কথা। তাই তারা সিদ্ধান্ত নেয় তাদের স্পেসশিপ এর নিউক্লিয়ার পাওয়ারড ইন্জিন এর মধ্যে বিস্ফোরন ঘটিয়ে পুরো রিং টাকে ধংস করে দেয়ার। ফার্স্ট পার্ট টা এখানেই শেষ হয়। পুরা রিং টা ধংস হয়ে যায় আর মাস্টার চিফ আর কর্টানা অল্পকিছু বেচে যাওয়া সৈন্যর সাথে পৃথিবীতে ফিরে আসে।

এই পর্বের এখানেই সমাপ্তি। দেখি সেইফ হলে পুরো টা আবার নতুন পর্বে শেষ করব। আরো কিছু আমার খেলা গেইমস নিয়া লেখালেখি করার ইচ্ছা আছে। তবে সেইফ না হওয়া পর্যন্ত আসলে লেখালেখি সম্পর্কে হতাশা জাগে। দেয়া করেন যাতে তারাতারি সেইফ হই।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:১১
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইসলামী মরমী সাধনা সুফীবাদ নিয়ে একটি ধারাবাহিক লেখা***** ১ম পর্ব : এক মহিয়সি সুফী সাধিকা নারী রাবিয়া বসরী (রহ.)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৩৩


রাবিয়া বসরী (রহ,) কে নিয়ে আলোচনার পুর্বে সুফিবাদ কী এবং সুফিবাদের ইতিহাস নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা করে নেয়া হল। (এখানে উল্লেখ্য এ পোস্টে দেয়া রাবিয়া বসরী(র,) সম্পৃক্ত সবগুলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সহজ সরল জীবনযাপন করা ভীষণ জরুরী

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪২



কমনসেন্স বাড়ানো কিচ্ছু নেই।
এটা বয়সের সাথে সাথে অটোমেটিক বাড়তে থাকবে। জন্মের পর থেকেই মানুষ শিখতে থাকে। আমি এটুকু বয়সে এসে বুঝতে পেরেছি, মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের গল্প 'মধ্যবর্তিনী'র রিভিউ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯



স্বামী স্ত্রী একই খাটে শুয়ে আছে।
মাঝখানে অনেকখানি জায়গা খালি পড়ে আছে। অর্থ্যাত দূরত্ব! দুজন মানুষ পাশাপাশি শুয়ে আছে। তাদের মধ্যে ভালোবাসা নেই। এরকমই একটা গল্প 'মধ্যবর্তিনী'। লিখেছেন গ্রেট রবীন্দ্রনাথ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

জেনএক্স ক্রনিকেলস - পুঠিয়া রাজবাড়ি।

লিখেছেন মনিরা সুলতানা, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৮


ঢাকা থেকে রাজশাহী শহর যাচ্ছেন, আপনার হাতে দুই ঘণ্টা সময় আছে আপনি কী করবেন? রাজশাহী সিল্ক শপিং নাকি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এ ডুব দেবেন ? একজন ভ্রমণ পিপাসু হিসেবে আমি আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নূর হোসেন বা ডা. মিলনের যে দেশপ্রেম ও কৃতিত্ব, তার শতভাগের এক ভাগও কি হাদীর আছে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৩৭

নূর হোসেন বা ডা. মিলনের যে দেশপ্রেম ও কৃতিত্ব, তার শতভাগের এক ভাগও কি হাদীর আছে?
নূর হোসেন ও ডা. মিলনের দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ এবং গণতন্ত্রের জন্য তাঁদের অবদান ইতিহাসে অমলিন হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×