অবসরের সঙ্গী হিসেবে কিংবা নেহাত সখ মেটাতে অথবা নিরাপত্তা প্রহরী হিসাবে আমরা অনেকেই বাড়িতে অথবা বাসায় কুকুর, বেড়াল ইত্যাদি পোষি। আর প্রিয় পোষা প্রাণিটার প্রতি আমাদের মমতা যতœআত্তি পরিবারের একজন সদস্যের চেয়ে কোন অংশেই কম নয়। তার শরীর -স্বাস্থ্য, ভাল- মন্দের প্রতি আমাদের থাকে নিপুন খেয়াল। সে কখনো অসুস্থ্য হয়ে পরলে আমাদের চিন্তার অন্ত থাকে না। তড়িঘড়ি করে আমাদের ছুটতে হয় পশু ডাক্তারের কাছে। আবার হাতের কাছে ডাক্তারও সব সময় পাওয়া যায় না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, আপনার হাতের কাছে এমন কিছু বইপত্র আছে যেখানে কুকুর বা বেড়ালের যাবতীয় রোগ বালাইয়ের বি¯তারিত বর্ণনার সাথে সাথে চিকিৎসা এবং প্রতিরোধের উপায় খুব সহজ ভাষায় বর্ণনা করা আছে এমন কিছু পাওয়া গেলে নিশ্চয় খুব ভাল হয়। এমনি দু‘টি বই লিখেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান। বই দুটির নাম Canine and Feline Medicine, Volume 1 & 2। মূলত বই দুটি পেশাজীবি পশু চিকিৎসক যারা পোষা প্রাণির চিকিৎসার সাথে জড়িত তাদের ল্য করে প্রণীত হলেও সাধারণ পশু প্রেমিক বা পোষা প্রাণি রাখেন এমন যে কেউ বইটি সংগ্রহে রাখতে পারেন। বই দুটো সহজ ভাষায় লেখা এবং সচারচর রোগ বালাই গুলোর সঠিক চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা এবং বাজারে প্রাপ্ত সাধারণ ঔষধ গুলোর সঠিক ব্যবহার সম্পর্কেও সঠিক দিক নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রি সহ অন্যান্য গুর“ত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও স্থাপনার নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ও র্যাবের ডগ স্কোয়াডের যে সকল সদস্য নিয়োজিত বইটি তাদেরও উপকারে আসতে পারে।
বইটি প্রকাশ করেছেন প্রিথুল এন্ড প্রিয়া পাবলিকেশন এবং বইটি পাওয়া যাবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগ, ময়মনসিংহে। বইটির লেখক প্রফেসর ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে ডিস্টিংসন সহ প্রথম শ্রেণীতে প্রথম এবং মহামান্য রাস্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক লাভ করে এম.এস. এবং প্রথম শ্রেণীতে সম্মিলিত মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি স¤প্রতি জাপানের ওসাকা ইউনিভার্সিটি মেডিক্যাল স্কুল থেকে পোষ্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন। এর পূর্বে তিনি দণি কোরিয়ার চুনবুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মেডিক্যাল স্কুল থেকে ইন্টারন্যাশনাল ফেলোশিপ রিসার্চ কোর্স এবং কলেজ অব ভেটেরিনারি মেডিসিন থেকে পিএইচডি ও পোষ্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া তিনি লন্ডনে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ব্র“সিলোসিস কনফারেন্স ও আমেরিকার শিকাগো শহরে অনুষ্ঠিত এনুয়াল ব্র“সিলোসিস কনফারেন্সে যোগদান করেন। প্রফেসর ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের ফেলোশিপ; বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির স্বর্ণপদক; দক্ষিণ কোরিয়া থেকে রোটারী ইন্টারন্যাশনাল স্কলারশিপ ও লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কলারশিপ ও চুনবুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপ; বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে তার ৭০ টি গবেষণা প্রবন্ধ ও ২৬ টি সেমিনার পেপার এবং বিভিন্ন পত্রিকা ও মেগাজিনে ২০ টির বেশি পপুলার আর্টিকেল রয়েছে।
প্রফেসর ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান ১৯৭১ সালের আগষ্ট মাসে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়াণী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া ডাকঘরের আওতাধীন বরাশুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি মরহুম ছবেদ আলী বিশ্বাস ও বেগম করিমন নেছার এগার সšতানের ষষ্ঠ সন্তান। তিনি বিবাহিত ও এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।
আলোচিত ব্লগ
এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম
২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন
ভাষণময়

বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন
।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন
=শরত তুই যাস নে ! =

ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস জীবনে কেবল বৃষ্টির হাপিত্যেশ,
মেঘ বলেছে আসবো আসবো আমার উদ্দেশ,
শুভ্র মেঘেদের নাচন
উত্তাপ হাওয়ায় যায় না আর বাঁচন,
তবুও স্নিগ্ধ আবেশ মনজুড়ে,
হঠাৎ হাওয়ার ঝাপটা, বাজে পাতার বাঁশি সুরে।
বিকেলের হাওয়ায় দেহ... ...বাকিটুকু পড়ুন
১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।