somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আপডেট-৩। বৈরি আবহাওয়ার শিকার সিমান্তে অবস্থানকারিরা।

০৯ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

৯/৩/২০১১।(লোকাল টাইম সকাল ৮টা)কেমন আছেন সবাই, আশাকরি ভাল আছেন, দোয়া করি ভাল থাকবেন। তবে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে আসা সিমান্তবর্তি অন্চলে অবস্থান নেয়া আমাদের ভাইগুলো কিন্তু ভাল নেই। গতকাল সকাল থেকে বিকেল পাচটা পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশিদের সাথে পার করি।
বিকেল পাঁচটার দিকে আমরা পাহার থেকে নেমে কাছেই বাজারে এক সাইবার ক্যাফেতে যাই, মুন্নিসাহা ও কেরামত উল্লাহ ভাই তাদের অফিসে ভিডিও গুলো আপলোড করে পাঠিয়ে দেন, আমি সামুতে আপডেট লিখি। আমরা ঐ অন্চলে রাত ১০টা পর্যন্ত অবস্থান করি।
সন্ধা থেকেই ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি হচ্ছিল। আমরা ডিনার সেরে হোটেলের দিকে রওনা হই। তখন শুরু হয় প্রচন্ড বৃষ্টি। আমরা চিন্তায় পরে যাই পাহারের উপর খোলা আকাশের নিচে অবস্থানকারি ভাইদের নিয়ে।
বৃষ্টি এতটাই তিব্রহয়ে পরে যে আমরা গাড়ি আস্তে আস্তে চালাতে বাধ্য হই।
ঘন্টা খানেক ধরে চলতে থাকে এই বৃষ্টি।

এবার আপনারাই চিন্তা করুন খোলা আকাশের নিচে অবস্থানকারি আমাদের ঐ ভাইদের পরিস্থিতির কথা। যাদের ছাদ হচ্ছে রিলিফে পাওয়া সস্তার কম্বল আর দেয়াল হলো প্লাস্টিকের পাটি।
এটা বুঝতে দেশবাসি ও সরকারে কষ্ট হবার কথা নয় যে এই কম্বল ও পাটি কতটা সময় এই বৃষ্টির হাত থেকে ঐ নিরাপরাধ মানুষদের বাঁচাতে সক্ষম হবে।
এই চড়ম থেকে চড়মতর পরিস্থিতিতে ঐ বাংলাদেশীদের চোখ থেকে যদি এক ফোটা পানিও বের হয়, তাহলে সেটা কিসের পানি? এটা কি বাংলাদেশী হিসেবে জন্ম হওয়ার আক্ষেপের পানি???? কারন, তাদের একটি কথা এখনো আমার কানে ভাসছে, ''আমরা যদি সোদান কিংবা সোমালিয়ারও হতাম তাহলে এতদিন আমাদের এই অবস্থায় থাকতে হতো না''।
গতরাতে তামমাত্রা ছিল ৬ ডিগ্রি সে.।



আমার রিকোয়েষ্ট, যারা যেখান থেকে পারেন সেখান থেকেই সরকারের উপর চাপ চ্রিষ্টি করুন যেন দ্রুত তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। এটি আমাদের একটি জাতীয়তার প্রশ্ন।

আমদের দেশে কি বিজনেসম্যান নেই, যারা নিজ দায়িত্বে ২০/৫০ জন লোককে ফিরিয়ে আনতে পারে? যদি না থাকে তাহলে গুলশান, বারিধারা, উত্তরা আর ধানমন্ডিতে ঐ বাড়িগোলো কাদের?? যাদের বারিতে কুকুর পালা হয় লাখটাকা খরচা করে।

আপনারা মানব বন্ধন করুন,,, পত্রপত্রিকায় বেশি বেশি লিখার ব্যাবস্থা করুন,,, সরকারের জবাব দিহিতা করুন।

এখানে হোটেলে নেট খুবই স্লো, কাজেই অনেকর কমেন্টের জবাব দিতে পারছি না।

আমরা আজ লিবিয়ায় ঢুকার পারমিশনের ব্যাপারে চেষ্টা করব, দোয়া করবেন যদি পারমিশন পেয়ে যাই তা হলে আগামি কাল/পরশুর মাঝে লিবিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হব।

সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন,, আটকে পরা বাংলাদেশিদের জন্য দোয়া করবেন। আমরা এখন হোটেল থেকে বের হচ্ছি... আল্লাহই ভাল জানেন কেমন দেখব আজ আমাদের ভাইদের।

Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৫০
১৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

লাভ কার হলো?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৪ শে মে, ২০২৬ ভোর ৬:১৮


দীর্ঘদিন একটি দল রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলে, সরকারের ভেতর এক ধরনের সুবিধাভোগী শ্রেণি তৈরি হয়। তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় দেশের প্রকৃত অবস্থা আড়াল করতে ব্যস্ত থাকে। বাংলাদেশেও সেই বাস্তবতা ছিল।
২০২৪ সালের আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন

হায়রে জীবন!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

হায়রে জীবন!

যারা বছরের পর বছর রাষ্ট্রক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে মানুষ গুম করেছে, নির্যাতন করেছে, পরিবার ধ্বংস করেছে, রাষ্ট্রকে ভয় ও আতঙ্কের কারখানায় পরিণত করেছে- তাদের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন আজ “ভিআইপি আসামি”।
কারাগারেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

রসময় গালগল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৪ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



প্রতিদিন ভাবি তুমি এলে বেশ জমিয়ে করবো-
রসকষহীন কাঠখোট্টা গল্প!
আমার সঞ্চয়ে নেই কোনো রসময় গালগল্প-
যা থেকে পেতে পারো যৎকিঞ্চিত উষ্ণতা।

আমি ঠিক নিশ্চিত নই আদৌ তুমি আসো কিনা!... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদযাত্রায় সচেতন হোন, নিরাপদ থাকুন

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৪ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২১



ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে সারা বছরের কর্মব্যস্ততা পেছনে ফেলে শেকড়ের টানে নীড়ে ফেরার চিরন্তন আকুলতা। প্রিয় মুখগুলোকে বুকে জড়িয়ে অপার্থিব শান্তি অনুভব করা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রতি বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেঝ দা

লিখেছেন শেরজা তপন, ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৩৩

লেখালেখি ভীষন বিরক্তিকর লাগে এখন। গাইতে গাইতে গায়েনের মত আমি লিখতে লিখতে লেখক হয়েছি। লেখালেখি নি কোন আশাবাদ বা প্যাশন আমার কস্মিনকালে ছিল না- এটা আমার নেহায়েত শখের বিষয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×