২০০৮ সালের কথা। তখন থেকেই মনের এক কোনে জমিয়ে রেখেছিলাম আমার স্বপ্ন গুলো। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে সামনের দিকে আগানোর চেষ্টা করছি। উচ্চারণের কোর্স, নাটক নিমার্ন কোর্স, ফিল্ম মেকিং কোর্স করলাম কিন্তু কোন ভাবেই কাজ শরু করতে পারছিলাম না। এর মর্ধে পার হয়ে গেল প্রায় দেড় বছর। অবশেষে একুশে টেলিভিশনের এক সাবেক প্রযোজক {মুক্ত খবর}পেলাম। আমার পরিচিত এক বন্ধু তার কাছে নিয়ে গেল। অনেক পরিক্ষা নিরিক্ষা করে রাজি হলেন। তিনি আমাদেরকে নিয়ে একটি প্রোডাকশন হাউজ খুললেন। তার নাম দিলেন {CH, ছদ্দ নাম}। আমরা বেশ কয়েক জন মোট ৯০.০০০ টাকা দিলাম নাটক নির্মানের জন্য। বাকী অধের্ক টাকা উনি দিবেন। এছাড়া আমি আর আমার বন্ধু দিলাম আরো ১,০০,০০০ টাকার কিছু উপরে হাউজের শেয়ার হিসাবে। কলাবাগান-এ একটি অফিস নিলাম। ভালই কাজ শুরা হলো। একটি মেগা কনসার্ট করলাম। সেখানে মাইলস, দলছুট, প্রমিথিউস, ওয়ারফেস, রেডিও একটিভ, মিলা, বিউটি নওশিন, রিংকোরা ছিলেন। মনে হলো আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। সেখান খেকে আমাদের দুজকে একটি টাকার লাভও দেয়া হয়নি।মনে মনে আত্নতৃপ্তি পেলাম কাজটা করার তো সুযোগ পেলাম। সে আমার সাথে বিনা কারণে প্রচন্ড রাগারাগি করা শরু করেন। এর মধে সে একটি গাড়ি কিনলেন। এমন অবস্থা হলো তিনি আমাকে দিয়ে তার ব্যাক্তি গত কাজগুলো করানো শরু কররেন। তিনি নিয়ের উপর অতিরিক্ত আত্যবিশ্বাসী। তিনি আর তার ৭ বছরের ছেলে ও তার বোন বুদ্ধিমান আর সবাই বোকা। আমার কোন ফোন আসলে রিসিভ করা যেত না এবং করতাম না প্রতিদিন সকাল ৭টার সময় বের হতাম রাত ১২টা থেকে ২ টায়র মধ্যে বাসায় ফিরতাম। এভারে চলল অনেক দিন। মাঝে মধ্যে ১০০০ / ৫০০ টাকা দিত চলার জন্য। কিছুদিন পর একটি টেলিফিল্ম করার সুযোগ পেলাম। সেটা করতে গিয়ে অনেক ঘটনা। প্রডাকশন বয়রা আমাকে বলত আপনি কিভাবে কাজ করছেন এখানে। সেখানকার ক্যামেরা ম্যান আমাকে ডেকেনিয়ে অনেক শান্তনা দিল।এর পর ক্রিকেট বিশ্ব কাপ ১১ এর জন্য একটি গান নির্মান করলাম। সেখানে আমার সাথে কি কারণে জানি খুব ভাল ব্যবহার করেছে।এবং এটার জন্য আমাকে টাকাও দিয়েছে। কিন্তু নাটকের জন্য যে টাকা নেওয়া হয়েছিল সেটা করি করি করে কি কারণে যেন করছেন না। আমি বুঝতে পারছি আমার মেধা এমনকি ব্যাক্তিত্ব নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল।একদিন আমার মা আমাকে ফোন করেছে কথা বলা অবস্থা আমাকে প্রচন্ড খারাপ ব্যবহার করা হলো। তারপর একদিন আমার সাথে এমন ব্যবহার কররলন সেদিন আমি চিন্তা করলাম আর না।
এর কয়েকদিন পর একটি বেসবকারী টেলিভেশনে আবেদন করলাম। ভাইবার জন্য ডাকল। ভাইভা দিলাম চাকরিটা কেমন যানি হয়ে গেল। সেখানে কিছুদিন চাকরি করার পর আমাকে দায়িত্ব দেয়া হলো পেজেন্টেশনে। সেটাও ভাল ভাবে করলাম। কিন্তু চ্যানেলের মালিক ও তার ছেলের ব্যবহার ছিল খুব খারাপ। এর পর আমাকে বিজ্ঞাপনের টাকার রিসিভ করার দায়িত্ব ও প্রচারের দায়িত্ব পরল এবং ইনডোর ও আউট ডোর প্রগ্রামের সিডিউলের দায়িত্ব পালন করতে হত। সেখানে আমি দেখলাম মার্কেটিং বিভাগ ও বিজ্ঞাপন প্রচারের মধ্যে অনেক গড়মিল রয়েছে। বর ধরণের শুভকংকরের ফাকি রয়েছে। রিক্স না নিয়ে চাকরি ছেড়ে দিলাম।
নিজেই ফ্রি ল্যান্স কজ করার চিন্তা করার শুরু করলাম। নিজেই তৈরী করার চেষ্টা কররাম একটি প্রডাশন হাউজ। নাম দিলাম Korobi FiLM । এর মধ্যে বেশ কয়েক জন খ্যাতি নাম পরি চালকদের সাথে পরিচয় হলো। সবাই অনেক উৎসাহ দিচ্ছেন। নাটক নির্মানের জন্য প্রডিউসারও পেয়ে গেলাম। চেষ্টা করছি এগিয়ে যেতে। আমার বাবা-মা আমাকে উৎসাহ দিচ্ছেন। আপনাদের দোয়া এর্ব ভালবাসা থাকলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।
ফেসবুক লিংক ঃ- http://www.facebook.com/korobifilm
আলোচিত ব্লগ
সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

সেই মেয়েটিকে খোঁজ....
ফরাসি ভাষায় বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- Cherchez la femme। অর্থাৎ, ‘সেই মেয়েটিকে খোঁজ’।
ফরাসি লেখক আলেকজান্ডার ডুমা (Alexandre Dumas) ১৮৫৪ সালে তাঁর উপন্যাস Les Mohicans de Paris-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন
তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে

তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে-
বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু এখন রহস্যের আরেক নাম। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় জুনিয়র বন্ধু... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইয়াংসান থেকে জুলাইয়ের নতুন বন্দোবস্ত

Youngsan সিউলের ভিতরে আমেরিকান একটি মিলিটারি বেইস। মিলিটারি বেইসের ভিতরে বার্গার কিং, KFC, Macdonald সব আছে। কোরিয়ান ভিতরে সামরিক ঘাঁটি হলে ও মিলিটারি বেইসের ভিতরে প্রধান কারেন্সি ইউএস ডলার।... ...বাকিটুকু পড়ুন
দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন
DNA — ঈশ্বর এবং প্রশ্ন ?

১. ক্ষুধা
পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছিল, বাড়ছিল মানুষের খাদ্যচাহিদা; কিন্তু সীমিত জমিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে উঠছিল।
মানুষ নির্বাচিত প্রজনন ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে এমন ব্রয়লার মুরগির জাত তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।