এবারের শহর জার্মানের সাক্সনে সুইজারল্যান্ড !!!
নামটা শুনে হয়তো ভাবছেন এটি সুইজারল্যান্ড এর কোন শহর তাই না??? আসলে তা নয়, এ সেক্সনে জায়গাটি এতো সুন্দর যে সুইজারল্যান্ড এর কান্ট্রি সাইডের মতো তাই জার্মানরা আদর করে নাম দিয়েছে সাক্সন অব সুইজারল্যান্ড। আসলেই অসাধারন......... পাহাড়, নদী, বন, হ্রদ, ফুল, গাছ... সব মিলিয়ে এমন সুন্দর যে আপনার মনে হবে আপনি স্বর্গের কোন জায়গায় এসে পড়েছেন। আমার এ অনুভূতি হয়েছিল আরেকবার সুইজারল্যান্ড এর লুজানে যাওয়ার পর। এটি বর্ডার শহর, চেকের প্রায় কাছে এবং আপনি একই ট্রেনে চেক পর্যন্ত যেতে পারবেন। সাধারনত হাইকিং এর জন্য জার্মানরা এখানে আসে উইকএন্ডে। একই সাথে নদী, পাহাড় বা বনের দেখা সত্যিই অভূতপূর্ব।
যাহোক এবার পর্বে বর্ননা দেয়ার কিছু নেই শুধু ছবি দেখার পালা.......
আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি যে এ পর্বের ছবিগুলো অতোটা ভালো হয়নি কারন মেঘ ছায়া বেশি ছিল তাই ফোকাস ঠিক করতে পারিনি...।
দেখতে শান্ত মনে হলো ও এ নদীটি মারাত্বক খরস্রোতা... বছর দুয়েক আগে বন্যা হয়েছিল এ নদীর পানি দিয়ে..
পাহাড়ের মাঝে রেল স্টেশন.... অপূর্ব যেন ছবির মতো !!
পায়ে হেটে পাহাড়ে না উঠতে চাইলে এ ট্রেন দিয়ে ও শেষ পর্যন্ত যেতে পারেন। এটি টুরিস্ট ট্রেন তবে জানুয়ারী/ফেব্রুয়ারী বন্ধ থাকে।
মাঝে মাঝে চিলড্রেন পার্ক। বাচ্চাদের জন্য যে কত আয়োজন দেশের বাইরে না গেলে বোঝা যায় না।
ফেরির উপর তোলা নদীর ছবি। এমনিতে মারাত্বক ঠান্ডা তার উপর নদীর ধারে.. প্রায় জমে যাচ্ছিলাম। ফেরির রুমের ভিতর ছবি তোলা, বাইরে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার সাহস হয়নি। বাইরে প্রচন্ড ঠান্ডা আর ফেরির হিটার রুমের মাঝে অপার্থিব সৈান্দর্য্য শুধুই উপভোগ করার মতো!!!!
চাইলে ফেরি করে ওপারে যাবেন আবার ফিরে আসবেন। ঘড়ির কাটা ধরে সব কিছু চলে তাই ফেরি বা ট্রেন মিস করার কোন কারন নেই।
রেল স্টেশন!!! তবে কাঠের তৈরী...
সব হাঁসই মনে হয় একই..... যা একটু স্বাস্থ্য ভালো
পাথরের পাহাড়....... অসাধারন!!!
পুরোন রেল স্টেশন..... কিন্তু তারা ধ্বংস করেনি....
আমার আগের পর্ব যদি পড়তে চান........
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



