somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লেডি গোডিভা : কিংবদন্তীর সত্যমিথ্যা

১৩ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লেডি গোডিভা। একাদশ শতকের ইংল্যান্ডের অভিজাত অ্যাংলো-স্যাক্সন এই নারী তাঁর স্বামী কর্তৃক প্রজাদের ওপর নির্ধারিত কর মওকুফের জন্য নগ্ন হয়ে কভানট্রি শহরের রাস্তায় ঘোড়ার পিঠে চেপে ঘুরেছিলেন- এ রকমই একটি উপাখ্যান ইংল্যান্ডে প্রচলিত রয়েছে। তবে এই বিষয়ে ইতিহাস বিদের মত হল লেডি গোডিভা বাস্তব চরিত্র হলেও ওই নগ্ন হয়ে ঘোড়ায় চড়ার বিষয়টি সম্পূর্ণই বানোয়াট। যে কারণে ইংল্যান্ডের ডেইলি মেইল- এর একজন সাংবাদিক লিখেছেন:The story of Lady Godiva riding through the streets naked sadly does not ring true....
Click This Link




ইংল্যান্ডের মানচিত্রে কভানট্রি শহরের অবস্থান। শহরটি অবস্থিত ওয়াররিকশায়ার- এ। শহরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১০৪৩ খ্রিষ্টাব্দে। কাজেই লেডি গোডিভা নগ্ন হয়ে কভানট্রি শহরের রাস্তায় ঘোড়ায় চেপে ঘোরার সময়কাল ১০৫৬ খ্রিস্টাব্দ ধরে নিলেও ওই সময়ে ওই শহরে অত লোকের সমাগম বাস্তব সম্মত বলে মনে হয় না ...


লেডি গোডিভা-র সময়কাল ১০৪০-১০৭০ খ্রিস্টাব্দ। স্বামী ছিলেন কভানট্রি শহরের লর্ড; নাম- লিওফ্রিক। ইনি ইংল্যান্ডের ইতিহাসে ‘গ্রিম’ আর্ল অভ মেরসার নামেও পরিচিত। লর্ড লিওফ্রিক
ছিলেন বিচক্ষণ এবং সদাশয়। সমকালীন ঐতিহাসিকদের মতে, দ্য কাপল ওয়াজ ভেরি জেনেরাস অ্যান্ড রিলিজিয়াস। গ্রেট বেনিফ্যাক্টরস অভ কভানট্রি, দে ফান্ডেড এন অ্যাবি (ধর্মশালা) ইন দ্য সেন্টার অভ টাউন অ্যান্ড ওয়্যার অ্যাক্টিভলি ইনভলভ ইন লোকাল অ্যাফেয়াস ...



লর্ড লিওফ্রিক (অশ্বারোহী)


এবার উপাখ্যানটির প্রেক্ষপট খুলে বলি। লেডি গোডিভা ছিলেন শিল্প-সংস্কৃতির সমঝদার । তিনি চাইতেন যে কভানট্রি শহরের জনসাধারণও তাঁর মতোই ছবি আঁকুক; নাচগান করুক। কিন্তু,কভানট্রি শহরের দরিদ্র লোকেদের দিন আনতে পানতা ফুরোয়। তাদের ঋণ-জর্জর কাঁধের ওপর ভারী করের বোঝা। করারোপ করেছেন লেডি গোডিভার স্বামী কভানট্রি শহরের লর্ড স্বয়ং লিওফ্রিক । লেডি গোডিভা স্বামীকে কর মওকুফের অনুরোধ করেন এবং প্রত্যাখ্যাত হন। তা সত্ত্বেও বারবার অনুরোধ করেন; তা সত্ত্বেও ব্যর্থ হন। প্রজারা কর না দিলে কে সৈন্যবাহিনীর খরচ মেটাবে? শহরের প্রশাসনিক ব্যয়-ই বা কে মেটাবে?

As the town of Coventry grew, so Leofric began assuming a greater role in its public affairs. He began handling the town's financial matters and initiated grand public works.
Click This Link



স্বামীর সঙ্গে লেডি গোডিভার সংলাপের এই ছবিটি এঁকেছেন ব্রিটিশ চিত্রকর এডমন্ড লিটন।


স্ত্রীকে অসঙ্গত আবদার থেকে বিরত করতে লর্ড লিওফ্রিক এক বুদ্ধি আঁটলেন। তিনি বললেন, ঠিক আছে। কর মওকুফ করব। তবে এক শর্তে।
কী শুনি শুনি। লেডি গোডিভা কেঁপে উঠলেন। তার ইচ্ছে কভানট্রি শহরের জনসাধারণ ছবি আঁকবে, নাচগান করবে। জীবনটা ছবির মতন সুন্দর করে তুলবে। শিল্পসংস্কৃতির চর্চা না করলে মানবজীবন সুন্দর হয় না, সার্থক হয় না।
লর্ড লিওফ্রিক গম্ভীরকন্ঠে বললেন, তোমাকে নগ্ন হয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে কভানট্রি শহরের রাস্তায় ঘোড়ায় চেপে ঘুরতে হবে।
কী বলছেন এসব! লেডি গোডিভা প্রচন্ড ধাক্কা খেলেন। তিনি ধর্মপরায়ণা নারী, সুশীলা। তা ছাড়া এক পুত্র সন্তানের মা। তিনি একম গর্হিত কাজ কীভাবে করেন!
লর্ড লিওফ্রিক মুচকি হেসে বললেন, নিরাভরণ হতে এত লাজ কেন প্রিয়ে? কেন, গ্রিকরা তো নগ্নতাকে ঈশ্বর ও প্রকৃতির বিশুদ্ধ প্রতীক মনে করত।
তাই বলে ...আমি ... লেডি গোডিভা কথা শেষ করতে পারলেন না।
আচ্ছা লোকজন যাতে শহরের রাস্তায় না বেরয় সে আদেশ আমি দেব। আর তোমার চুল তো অনেক লম্বা । তোমার অপরূপ নগ্নতা ঢাকতে সমস্যা হবে না। কী বলো?
এই কারণে কুড়ি শতকের এক ইংরেজ গীতিকার লিখেছিলেন:

Her long blonde hair
Falling down across her arms
Hiding all the lady's charms




এই ছবির লোকজনও মিথটিকে মিথ্যে প্রমাণ করে।

অবশেষে লেডি গোডিভা রাজি হলেন। গরিব লোকের কাঁধ থেকে করের বোঝা নামানোর জন্য একটি ঘোড়ায় চড়ে কভানট্রি শহরের রাস্তায়-রাস্তায় ঘুরলেন । তবে একজন দর্জি নাকি চিকের আড়াল থেকে লুকিয়ে নগ্ন গোডিভাকে দেখেছিল । সেই দর্জির নাম ছিল- টম। আর এই ঘটনা থেকেই ইংরেজি ‘পিপিং টম’ কথার উদ্ভব। A person who gets pleasure, especially sexual pleasure, from secretly watching others; a voyeur.



‘পিপিং টম’। তবে ঐতিহাসিকদের মতে লেডি গোডিভার উপখ্যানে ‘পিপিং টম’ এর সংযুক্তি সপ্তদশ শতকের ঘটনা। তার মানে প্রায় ৬০০ বছরের ব্যবধান!


লেডি গোডিভার নগ্নদেহে অশ্বারোহনের পর কভানট্রি শহরের লর্ড লিওফ্রিক নাকি জনগনের কর মওকুফ করেছিলেন। আর তাতে কভানট্রি শহরের লোকজন শিল্পকলা চর্চায় বুঁদ হয়েছিল কিনা তা জানা যায়নি। তবে এটুকু জানা গেছে যে লর্ড লিওফ্রিক ঘোড়ার ওপর কর প্রত্যাহার করেননি। তবে একজন গবেষক লিখেছেন, এলাস, দ্য এভিডেন্স সাজেস্টস আ টেল অভ ফেন্সি অ্যান্ড ইমাজিনেশন রাদার দ্যান ফ্যাক্ট! ক্রনিসেলারস অভ দি ইলেভেন্থ অ্যান্ড টুয়েলভ সেঞ্চুরিজ রাইট অভ গোডিভা, বাট নেগলেক্ট টু মেনশন হার অলট্র্রুইস্টিক এক্সিবিশনিজম!



চলচ্চিত্র নির্মাতারা কভানট্রি শহরের লেডি গোডিভার বানোয়াট উপাখ্যানটি ঠিকই লুফে নিয়েছেন। এ যুগের রুচির সঙ্গে মিল রেখে ২০০৭ সালে নির্মিত ‘লেডি গোডিভা ব্যাক ইন দ্য স্যাডেল’ ছবির একটি দৃশ্য


লেডি গোডিভার ওই গল্পটি তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ডালপালা ছড়াতে শুরু করেছিল । আর এমন একজন লেখকের মাধ্যমে যিনি ঘটনা অতিরঞ্জিত করার ক্ষেত্রে ছিলেন উস্তাদ আর রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্টও ছিলেন । ঐতিহাসিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওই সময়ে কভানট্রি শহরে কেবলমাত্র ঘোড়ার ওপরেই কর আরোপ করা হত । সুতরাং কভানট্রি শহরের দরিদ্র নাগরিকদের ওপর করারোপ করার তথ্যটি একেবারেই সঠিক নয়।



কভানট্রি শহরের পৌরসভার লোগো তেও লেডি গোডিভার স্মৃতি ...

সতি হোক বা মিথ্যাই হোক। কভানট্রি শহরে গত ৯০০ বছর ধরে লেডি গোডিভার উপাখ্যানটি কেবল ডালপালাই মেলেনি, সেটি ক্রমশ সংহতও হয়েছে। কভানট্রি শহরে প্রতি বছর জুন মাসে লেডি গোডিভার বার্ষিক উৎসব পালন করা হয়। ঐতিহাসিকদের অনুমান: এককালে ইংল্যান্ডে যে উর্বরতার কৃত্য (ফার্টিলিটি রাইটস ) অনুষ্ঠিত হত, যে কৃত্যানুষ্ঠানে নারীরা ঘোড়ার পিঠে চড়তেন, পরবর্তীকালে গির্জাপিতারা লেডি গোডিভার উপাখ্যান নির্মান করার সময় প্রাচীন উপাখ্যানের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তা ছাড়া, লেডি গোডিভা কে মহিমান্বিত করে তোলার বিশেষ কারণ ছিল। তখন আমি লিখেছি, দে (লর্ড লিওফ্রিক + লেডি গোডিভা) ফান্ডেড এন অ্যাবি (ধর্মশালা) ইন দ্য সেন্টার অভ টাউন অ্যান্ড ওয়্যার অ্যাক্টিভলি ইনভলভ ইন লোকাল অ্যাফেয়াস ...ধর্মের কল বাতাসে নড়ে!



লেডি গোডিভা এই মনোরম ভাস্কর্যটি রয়েছে ইংল্যান্ডের কেন্ট- এর মেইডস্টোন যাদুঘরে।


লেডি গোডিভার অশ্বারোহণের বিষয়টি ধর্মীয় মাহাত্মও লাভ করেছে। যেমন, চর্তুদশ শতকের ওয়েস্টমিনিষ্টার এর ম্যাথিউ লিখেছেন: “আ মিরাকল টুক প্লেস বিকজ দ্য পায়াস লেডি ইন হার স্টেট অভ আনড্রেস, ওয়াজ নট অভর্জারভ বাই এনি ওয়ান!” আর লেডি গোডিভার গল্পটি নিয়ে নগরপিতারা করেছে ব্যবসা! পুরাতাত্ত্বিক মার্গারেট রাইলাট উল্লেখ করেছেন: অষ্টাদশ শতকে কভানট্রি শহরে পর্যটক আকর্র্ষন করার জন্য ‘গোডিভা শোভাযাত্রা’-র আয়োজন করা হত!



লেডি গোডিভা এই বিখ্যাত ছবিটি এঁকেছেন উনিশ শতকের ব্রিটিশ চিত্রকর জন কোলিয়ার।

লেডি গোডিভার উপাখ্যানটি নিয়ে অজস্র ছবি আঁকা ছাড়াও রচিত হয়েছে গান; কবিতা লিখেছেন কবি টেনিসন; ফিলম তৈরি হয়েছে ১৯১১, ২৮, ৪৯, ৪৪ এবং এমন কী ২০০৭ সালেও। ইংল্যান্ডের এসেক্স - এর সংগীত শিল্পী অ্যালেক্স রিচার্ড জর্জ ডে লেডি গোডিভাকে নিয়ে গান গেয়েছেন । তারই কয়েক লাইন -

Seventeen
A beauty queen
She made a ride that caused a scene in the town

Her long blonde hair
Hanging down around her knees
All the cats who dig striptease
Praying for a little breeze


শেষ দুটি লাইনে অ্যালেক্স ডে কি পিপিং টমকে বোঝাচ্ছেন?

Her long blonde hair
Falling down across her arms
Hiding all the lady's charms



গোডিভা চকলেট। গোডিভা নামটি যে একটি চলনসই ব্রান্ডনেম হতে পারে, সেটি চতুন বণিকগণ ঠিকই বুঝেছেন।

মানবসমাজে এভাবেই একটি মিথ টিকে থাকে। হয়তো গোডিভার উপাখ্যানের ভিতে মানবতার বোধ ছিল বলেই সাধারণ মানুষ গল্পটি আজও টিকিয়ে রেখেছে। হয়তো গোডিভার মতন সত্যিই কেউ আসবেন কোনওদিন... সেই অপেক্ষায় ...তাছাড়া গল্পগাথা অনন্য শিল্পসাহিতেরও তো উৎস ...



এই যুগে যখন মেয়েরা কোনও ক্ষেত্রেই পিছিয়ে নেই তখন আর কিংবদন্তী তৈরি সুযোগ নেই ...



গোডিভার গল্পটা বানিজ্যিক উপকরণও ....


ছবি: ইন্টারনেট।

তথ্যসূত্র:

Click This Link
http://www.middle-ages.org.uk/lady-godiva.htm
Click This Link
http://en.wikipedia.org/wiki/Lady_Godiva
http://www.thefreedictionary.com/peeping+Tom
http://ask.yahoo.com/20020820.html
Click This Link
Click This Link
Click This Link



সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৩১
২২টি মন্তব্য ২২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রঙ বদলের খেলা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৯:৪৮


কাশ ফুটেছে নরম রোদের আলোয়।
ঘাসের উপর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শিশিরকণা।

ঝরা শিউলির অবাক চাহনি,
মিষ্টি রোদে প্রজাপতির মেলা।

মেঘের ওপারে নীলের অসীম দেয়াল।
তার ওপারে কে জানে কে থাকে?

কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

শ্রদ্ধেয় ব্লগার সাজি’পুর স্বামী শ্রদ্ধেয় মিঠু মোহাম্মদ আর নেই

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:৩৮

সকালে ফেসবুক খুলতেই মনটা খারাপ হয়ে গেল।
ব্লগার জুলভার্ন ভাইয়ের পেইজে মৃত্যু সংবাদটি দেখে -

একটি শোক সংবাদ!
সামহোয়্যারইন ব্লগে সুপরিচিত কানাডা প্রবাসী ব্লগার, আমাদের দীর্ঘ দিনের সহযোগী বিশিষ্ট কবি সুলতানা শিরিন সাজিi... ...বাকিটুকু পড়ুন

এখন আমি কি করব!

লিখেছেন মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৩:১৯

মাত্র অল্প কিছুদিন হল আমি ফরাসি ভাষা শিক্ষা শুরু করেছিলাম।



এখন আমি ফরাসি ভাষা অল্প অল্প বুঝতে পারি। হয়তো আগামী দিনগুলিতে আরেকটু বেশি বুঝতে পারব।

ফ্রান্স একটি সুন্দর দেশ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

=স্মৃতিগুলো ফিরে আসে বারবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৪:০৮



©কাজী ফাতেমা ছবি
=স্মৃতিগুলো ফিরে আসে বারবার=

উঠোনের কোণেই ছিল গন্ধরাজের গাছ আর তার পাশে রঙ্গন
তার আশেপাশে কত রকম জবা, ঝুমকো, গোলাপী আর লাল জবা,
আর এক টুকরা আলো এসে পড়তো প্রতিদিন চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহারা

লিখেছেন মা.হাসান, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৩




আমাবস্যা না । চাঁদ তারা সবই হয়তো আকাশে আছে। কিন্তু বিকেল থেকেই আকাশ ঘোর অন্ধকার। কাজেই রাত মাত্র নটার মতো হলেও নিকষ অন্ধকারে চারিদিক ডুবে আছে।

গায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×